
১। আমার যখন অনেক ক্ষুধা লাগে, তখন পৃথিবীর সবকিছু খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে। রাস্তার ইট গুলোকে মনে হয় কেক, ইটের টুকরো গুলোকে মনে হয়- ভাত। ঘাস গুলোকে সবজি। আকাশের মেঘ গুলোকে ফিরনি আর ময়লা পানি গুলোকে মনে হয় শরবত। আজ বেলা ১২ টার দিকে প্রচন্ড ক্ষুধা পেয়ে গেল। কিন্তু ক্ষধা লাগার কথা না, সকালে ভাত খেয়েছি। সকালে আমি রুটি'ই খাই কিন্তু আজ সকালে সুরভি রুটি বানায়নি। গতকাল রাতে ভাত না খেয়ে ঘুমিয়েছি বলে সুরভি শাস্তি স্বরুপ গতকাল রাতের খাবার সকালে নাস্তা হিসেবে দিয়েছে।
২। আজ ব্যস্ত একটি রাস্তা পার পার হয়েছি। অথচ ওভার ব্রীজ ছিল পাশেই। রাস্তা পার হতে-হতে ভাবলাম "রাস্তা পারাপারে ফুট-ওভারব্রিজ ব্যাবহার করা উচিত। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হওয়া ঠিক না।
৩। বৃটিশদের শাসন চলছিল তখন।
একজন বৃটিশ সাহেব ভারতীয় উপসমহাদেশে তাদের কোন একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার জন্য তদন্তে আসলেন। যে প্রতিষ্ঠানটি বৃটিশরা প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে তা জনস্বার্থ বিরোধী তাই মুসলমানরা তার বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলনে ও জনমত তৈরি করার চেষ্টাও করেছিল।
নির্দিষ্ট তারিখে বৃটিশ সাহেব তার বিশাল বাহিনী নিয়ে গন্তব্যে রওয়ানা হলেন কিন্তু পথিমধ্যে মুসলমানরা তার পথ রোধ করল। ইংরেজ সাহেব মুসলমানদের কাছে তাদের দাবীর কথা জিজ্ঞাসা করল। কিন্তু মুসলমনরা তার ভাষা না বুঝতে পারায় কেবল স্লোগান দিতে লাগল এবং শরীরী ভাষায় তারা গলার কাছে হাত উত্তোলন করল।
বৃটিশ সাহেবের সাথে যে দোভাষী ছিল তিনি মুসলিম বিরোধী। বৃটিশ সাহেব দোভাষীর কাছে মুসলমানদের দাবী এবং গলার কাছে হাত উত্তোলন করার প্রকৃত কারণ জানতে চাইলেন। কিন্তু কপট দোভাষী প্রকৃত কারণ না বুঝিযে বলল মুসলমানরা আপনাকে হত্যা করতে অর্থ্যাৎ তারা আপনার গলা কেটে ফেলতে চায়। বৃটিশ সাহেব খুব রেগে গেল এবং তার সাথে থাকা পুলিশ বাহিনীকে মুসলমানদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিল।
সেদিন পুলিশের গুলিতে শত শত মুসলমানের জীবনহানী হয়েছিল। মূল দৃশ্য ছিল, মুসলমানরা তাদের গলার কাছে হাত উত্তোলন করে সাহেবকে বুঝাতে চেয়েছিল তারা জীবন দিতে রাজী কিন্তু জনস্বার্থ বিরোধী কোন কাজ হতে দিবে না অন্যদিকে দোভাষী মূসলমাদের ভাষাজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সাহেবকে বুঝিয়েছিল ভিন্ন।
৪। স্ত্রী: ভাবছি চুলটা ছোট করে কেটে ফেলি। কি বল?
স্বামী: কেটে ফেলো।
স্ত্রী: এত কষ্ট করে বড় করলাম...
স্বামী: তাহলে কেটো না ৷
স্ত্রী: কিন্তু আজকাল ছোট চুলই তো ফ্যাশন!
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: আমার বন্ধুরা বলে যে আমার যে মুখের কাটিং তাতে বড় চুলই মানায়।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: কিন্তু ইচ্ছে তো করে।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: ছোট চুলে তো বিনুনি হবে না।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: ভাবছি এক্সপেরিমেন্ট করেই ফেলি, নাকি!
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: বাজে করে কেটে দিলে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: না। কেটেই দেখি না একবার।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: যদি আমাকে স্যুট না করে তাহলে কিন্তু তুমি দায়ী!
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আসলে ছোট চুল সামলাতে সুবিধা।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: ভয় করে, যদি খারাপ লাগে।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: না, একবার কেটেই দেখি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: তাহলে কবে যাবে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আমি মায়ের কাছে যাবার কথা বলছি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো!
স্ত্রী: কি আবোল তাবোল বলছো! শরীর খারাপ নাকি?
স্বামী: তাহলে কেটো না!
(ম্যাওপ্যাও টাইপ একটা পোষ্ট দিলাম। সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

