somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা- ৭২

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১। আমার যখন অনেক ক্ষুধা লাগে, তখন পৃথিবীর সবকিছু খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে। রাস্তার ইট গুলোকে মনে হয় কেক, ইটের টুকরো গুলোকে মনে হয়- ভাত। ঘাস গুলোকে সবজি। আকাশের মেঘ গুলোকে ফিরনি আর ময়লা পানি গুলোকে মনে হয় শরবত। আজ বেলা ১২ টার দিকে প্রচন্ড ক্ষুধা পেয়ে গেল। কিন্তু ক্ষধা লাগার কথা না, সকালে ভাত খেয়েছি। সকালে আমি রুটি'ই খাই কিন্তু আজ সকালে সুরভি রুটি বানায়নি। গতকাল রাতে ভাত না খেয়ে ঘুমিয়েছি বলে সুরভি শাস্তি স্বরুপ গতকাল রাতের খাবার সকালে নাস্তা হিসেবে দিয়েছে।

২। আজ ব্যস্ত একটি রাস্তা পার পার হয়েছি। অথচ ওভার ব্রীজ ছিল পাশেই। রাস্তা পার হতে-হতে ভাবলাম "রাস্তা পারাপারে ফুট-ওভারব্রিজ ব্যাবহার করা উচিত। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হওয়া ঠিক না।

৩। বৃটিশদের শাসন চলছিল তখন।
একজন বৃটিশ সাহেব ভারতীয় উপসমহাদেশে তাদের কোন একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার জন্য তদন্তে আসলেন। যে প্রতিষ্ঠানটি বৃটিশরা প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে তা জনস্বার্থ বিরোধী তাই মুসলমানরা তার বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলনে ও জনমত তৈরি করার চেষ্টাও করেছিল।

নির্দিষ্ট তারিখে বৃটিশ সাহেব তার বিশাল বাহিনী নিয়ে গন্তব্যে রওয়ানা হলেন কিন্তু পথিমধ্যে মুসলমানরা তার পথ রোধ করল। ইংরেজ সাহেব মুসলমানদের কাছে তাদের দাবীর কথা জিজ্ঞাসা করল। কিন্তু মুসলমনরা তার ভাষা না বুঝতে পারায় কেবল স্লোগান দিতে লাগল এবং শরীরী ভাষায় তারা গলার কাছে হাত উত্তোলন করল।
বৃটিশ সাহেবের সাথে যে দোভাষী ছিল তিনি মুসলিম বিরোধী। বৃটিশ সাহেব দোভাষীর কাছে মুসলমানদের দাবী এবং গলার কাছে হাত উত্তোলন করার প্রকৃত কারণ জানতে চাইলেন। কিন্তু কপট দোভাষী প্রকৃত কারণ না বুঝিযে বলল মুসলমানরা আপনাকে হত্যা করতে অর্থ্যাৎ তারা আপনার গলা কেটে ফেলতে চায়। বৃটিশ সাহেব খুব রেগে গেল এবং তার সাথে থাকা পুলিশ বাহিনীকে মুসলমানদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিল।

সেদিন পুলিশের গুলিতে শত শত মুসলমানের জীবনহানী হয়েছিল। মূল দৃশ্য ছিল, মুসলমানরা তাদের গলার কাছে হাত উত্তোলন করে সাহেবকে বুঝাতে চেয়েছিল তারা জীবন দিতে রাজী কিন্তু জনস্বার্থ বিরোধী কোন কাজ হতে দিবে না অন্যদিকে দোভাষী মূসলমাদের ভাষাজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সাহেবকে বুঝিয়েছিল ভিন্ন।

৪। স্ত্রী: ভাবছি চুলটা ছোট করে কেটে ফেলি। কি বল?
স্বামী: কেটে ফেলো।
স্ত্রী: এত কষ্ট করে বড় করলাম...
স্বামী: তাহলে কেটো না ৷
স্ত্রী: কিন্তু আজকাল ছোট চুলই তো ফ্যাশন!
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: আমার বন্ধুরা বলে যে আমার যে মুখের কাটিং তাতে বড় চুলই মানায়।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: কিন্তু ইচ্ছে তো করে।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: ছোট চুলে তো বিনুনি হবে না।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: ভাবছি এক্সপেরিমেন্ট করেই ফেলি, নাকি!
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: বাজে করে কেটে দিলে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: না। কেটেই দেখি না একবার।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: যদি আমাকে স্যুট না করে তাহলে কিন্তু তুমি দায়ী!
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আসলে ছোট চুল সামলাতে সুবিধা।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: ভয় করে, যদি খারাপ লাগে।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: না, একবার কেটেই দেখি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো।
স্ত্রী: তাহলে কবে যাবে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আমি মায়ের কাছে যাবার কথা বলছি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেলো!
স্ত্রী: কি আবোল তাবোল বলছো! শরীর খারাপ নাকি?
স্বামী: তাহলে কেটো না!

(ম্যাওপ্যাও টাইপ একটা পোষ্ট দিলাম। সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।)


সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২৩
২২টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালো শিক্ষার্থী কখনো পরীক্ষা পেছাতে চায় না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

কারণ একজন প্রস্তুত শিক্ষার্থী জানে, পরীক্ষা যত দ্রুত শেষ হবে, সে তত দ্রুত জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে। অনিশ্চয়তা, বারবার সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘ অপেক্ষা—এসব কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।

বৃষ্টি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপপোকায় খাওয়াচ্ছ

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮


তোমার ফসলী মাঠের ফসল.
কেন উইপোকায় খাওয়াচ্ছ
কিছুদিন পর করবেটা কি
পাগল পাগল হবেই. শুনি!
পড়ালেখা করে একদিন বড় হবে
এটাই তো স্বপ্ন দেখি ওগো সোনাধন
তোমার সুনাম ভরে যাবে পাড়ায় পাড়ায়
গর্ভে ভরে ওঠবে বাবা মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×