
১। বেকার'রা মনে করে- যারা চাকরি করে তারা পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। বেকার'রা চাকরি চাকরি করে মরছে! কোন রকম বেঁচে থাকবে বলে- একটা চাকরি তার ভীষন দরকার! কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর বদলে যায়! তখন শুরু হয় নানান অশান্তি। শার্ট প্যান্টের ভেতর গুঁজে পরতে হয়।
ঘরে নষ্ট ফ্যানের বাতাস খায়। আর অফিসের এসি নষ্ট হলে- ঘাই-ঘুই শুরু করে। নোংরা বাথরুম ব্যবহারে অভ্যস্ত কিন্তু অফিসে এসে চিৎকার করে পিয়নকে বলে- এয়ার ফ্রেশনার মারো। নিজের ঘরে টেবিলে তিন স্তরের ময়লা জমে যায়- কিন্তু অফিসে এসে পিয়নের সাথে চিৎকার, এত ময়লা জমেছে দেখো না? সারা জীবন নিজের পানি নিজে নিয়ে খাওয়া ছেলে- অফিসে এসে বলে- গ্লাস ভালো করে ধুয়ে পানি দাও। উফফ তোমাকে কতবার বলব- আমার আসার আগে আমার টেবিলে বোতলে পানি ভরে রাখবে। রাস্তার পাশে দোকান থেকে চা খাওয়া ছেলেটি- চাকরি পাওয়ার পর- কফি ছাড়া তার চলেই না। এইসব করে নিজেকে খুব স্মার্ট ভাবে তারা। তারপরও তারা নিজেকে অসুখী ভাবে। বলে, কয় টাকা আর বেতন ভাই। গাড়ি, ফ্ল্যাট কোনো দিনও করতে পারব না।
চাকরীতে কেউ সন্তুষ্ট না! এই জন্যই জীবনানন্দ দাশ বলেছেন- ''পৃথিবীতে নেই কোন বিশুদ্ধ চাকুরি''।
২। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠবো। গোছল করবো, নাস্তা খাবো। তারপর সাদা একটা ফতুয়া পড়ে নীরবে বেড়িয়ে যাবো। কেউ আমার কোনো খোঁজ পাবে না। একদম হারিয়ে যাবো। সেই সময় খুব দূরে নয়।
৩। যে যাই'ই বলেন- বিটিভির খবর দেখতেই আমার বেশি ভালো লাগে। শান্তি... শান্তি লাগে।
৪। "একটা মানুষের মধ্যেই গোজামিল থাকে। কিন্তু যে সাপ সে হান্ড্রেড পারসেন্ট সাপ। যে শেয়াল সে হান্ড্রেড পার্সেন্ট শেয়াল। মানুষ সাপও হইতে পারে, শেয়ালও হইতে পারে, পাখিও হইতে পারে। মানুষেরই বিভিন্ন চরিত্র নেয়ার ক্ষমতা আছে। বুঝেছো, গ্রাম দেশে আগে সাপ আর শিয়াল পাওয়া যাইতো। এগুলা নাই এখন! কারন সাপ শিয়াল এরা মানুষ হিসাবে জন্মাইতে আরম্ভ করছে"।
- আহমদ ছফা
৫। মেয়েটা বেহেশতে থাকে বাবা মার সাথে। একদিন মেয়েটা তার বাবাকে বলল- তার বেহশত ভালো লাগে না। সে পৃথিবীতে যাবে। যাবেই। বাবা মেয়েকে বুঝালো। পৃথিবী ভালো না। নোংরা। মানুষ গুলো খুব বেশি খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদ। কিন্তু মেয়ে জিদ ধরেছে সে পৃথিবীতে যাবেই। শেষমেষ বাবা রাগ করে মেয়েকে পৃথিবীতে পাঠায়। এবং বাপ মনে করে শখ মিটে গেলে মেয়ে আবার বেহেশতে ফিরে আসবে। পৃথিবীতে গিয়ে মেয়ের সাথে দেখা হয় নায়কের। দুইজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলে। তারা সিদ্ধান্ত নেয় বিবাহ করবে। আরও কিছু কাহিনি আছে এই মুভিতে। পুরাই ফালতু সিনেমা। প্রচন্ড ফালতু সিনেমা। এই মুভি দেখলে আপনার প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হবে। হবেই।
৬। বেচারা অফিসে প্রচুর পরিশ্রম করে। সারাদিন অফিস করে বাসায় ফিরে শান্তি পায় না। বৌ টা ঘ্যান ঘ্যান করেতেই থাকে। স্বামী বেচারা বুঝিয়ে বলে- প্লীজ সারাদিন অফিসে অনেক কাজ করি। বাসায় আসার পর ঝামেলা করো না। বউ রেগে গিয়ে বলে অফিসে তুমি মেয়েদের সাথে নষ্টিফষ্টি করো। স্বামী ঠান্ডা মাথায় বউকে বুঝায় কিন্তু বউ বুঝে না বরং উলটা পালটা কথা বলে স্বামীকে তুচ্ছতাচ্ছিল আর অপমান করতেই থাকে। রোজ একই ঘটনা। একদিন স্বামী রাগ করে স্ত্রীকে একটা থাপ্পড় দেয়। স্ত্রীও স্বামীকে পালটা থাপ্পড় দেয়। স্বামী রেগে গিয়ে আবার থাপ্পড় দেয়। থাপ্পড় খেয়ে বউ পা পিছলে খাটের সাথে মাথায় ভারি খায় তারপর মরে যায়। ঘটনা শুরু এখান থেকে। মুভির নাম- মাই ওয়াইফ মার্ডার।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



