somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

জীবনটা একেবারে নায়ক 'জসিম' এর মত হয়ে গেছে

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজ ইচ্ছা ছিল অনেকবেলা পর্যন্ত ঘুমাবো।
কিন্তু না, আজ আমাকে উঠতে হলো ভোর সড়ে ছয়টায়। অচেনা নাম্বার থেকে ফোন। ফোন ধরলাম। আমি রফিক কিনা জানতে চাইলো এক লোক। আমি বললাম, স্যরি আমি রফিক না। তাইলে আপনি কে? আমি বললাম, আমি কে এটা দিয়ে আপনারে দরকার কি? লোকটা বিরক্ত হয়ে বলল, আহ হা বলেন না আপনার নাম। আমি বললাম, আমার নাম জসিম। লোকটা ফোন কেটে দিল। একবার ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমার আর ঘুম আসে না। তবু চেষ্টা করলাম ঘুমাতে কিন্তু ঘুম এলো না। অযথা বিছানায় শুয়ে না থেকে ছাদে গেলাম, গাছে পানি দিলাম, আগাছা পরিস্কার করলাম। আম গাছে মুকুল দিয়ে ভরে গেছে। শান্তি! পেয়ারা গাছেও অনেক গুলো পেয়ারা ধরেছে। মাশাল্লাহ। নিচে নেমে এলাম। আজ আবার মিরপুর যেতে হবে সুরভিকে আনতে।

মোবাইলে অসংখ্য গেমস নামিয়ে রেখেছি।
অদ্ভুত সব গেমস। ইচ্ছা হলো তো আঁকাবাকা রাস্তায় বিশাল কার্গো চালাই। কার্গো ভালো না লাগলে ট্রেন চালাই, ট্রেন ভালো না লাগলে প্লেন চালাই অথবা জাহাজ। একবার তো জাহাজ চালিয়ে আরব মহাসাগর থেকে আটলান্টিক চলে গিয়েছিলাম। মাঝ সাগরে গিয়ে বিরাট বিপদে পড়েছিলাম। উফ! আরেকটা মজার গেমস আছে, বাইসাইকেল। আমি লন্ডন শহরে বাইসাইকেল চালাই। কেউ ফোন দিলে তাকে তার গন্তব্যে পৌঁছে দেই। যথাসময়ে পৌঁছে দিতে পারলে যাত্রী আমাকে টাকা দেয়। সেই টাকা দিয়ে আরও ভালো সাইকেল কেনা যায়। আরেকটা গেম আছে ট্রেক্সি ড্রাইভার। আমি নিজেই ড্রাইভার। সুন্দরী মেয়েরা আমাকে ফোন দেয়। আমি তাদের গন্তব্যে নামিয়ে দিয়ে আসি। মেজাজ খারাপ থাকলে ইচ্ছা করে রাস্তার পথচারীদের চাপা দিয়ে মেরে ফেলি। সাথে সাথে পুলিশ এসে আমাকে এরেস্ট করে। সাথে দুইটা গালিও দেয়। জিপ গাড়ির একটা গেমস আছে। পাহাড়ের উঁচু নিচু রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। অনেক কঠিন।

কিছু মানুষ, মানুষের জাত না।
একেবারে অমানুষ। এদের পথের কুকুর হবার কথা ছিল। কিন্তু কি করে যেন এরা মানুষ রুপ ধারন করে পৃথিবীতে এসে পরেছে। আমি সারা জীবন দুষ্টলোকদের কাছ থেকে দূরে থাকতে চেয়েছি। আমি সহজ সরল মানুষ এবং সহজ সরল জীবন যাপন করি বলে কিছু দুষ্টলোক আমাকে অশান্তি দিতে চেষ্টা করে। খোঁচা দিয়ে কথা বলে। তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। ভাব নেয়। দুষ্টলোক গুলোকে বলতে ইচ্ছা করে- আমি কাউকে কোনো দিন লাথথি দেইনি তার মানে এই না যে আমি লাথথি দিতে জানি না। আমি কি পারি না- খোঁচা দিয়ে কথা বলতে, বদমাইশি করতে? পারি, খুব পারি। কিন্তু কেন আমি এরকম করবো? আমি মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত, সৃষ্টির সেরা জীব। আমার চিন্তা হলো- পারলে মানুষের ভালো করবো, উপকার করবো। পৃথিবীতে অল্প কিছু দিনের আয়ু আমাদের। কেন শুধু শুধু আরেকজনকে কটু কথা বলে কষ্ট দিব।

আর ছয়দিন পর বইমেলা।
অথচ আমার মনটা খুব খারাপ। গত তিন বছর আমার কোনো বই বের হয়নি। অথচ চারটা বইয়ের কাজ অর্ধেক পর্যন্ত করে রেখেছি। দেশভাগ ভাষা আন্দোলন আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটা উপন্যাস লেখা শুরু করেছিলাম। অর্ধেক লেখা শেষ কিন্তু বাকিটা কিছুতেই আর শেষ করতে পারছি না। একটা ফোটোগ্রাফী নিয়ে লেখা শুরু করেছি চার বছর হলো কিন্তু আজও শেষ করতে পারলাম না। একটা গল্পের পান্ডুলিপি অর্ধেক করে ফেলে রেখেছি। আশে পাশের সবাই দারুন দারুন গল্প উপন্যাস আর কবিতার বই লিখছেন। সে সব বইয়ের প্রচ্ছদ গুলো দারুন সুন্দর হয়েছে। ব্লগে ফেসবুকে তাদের বইয়ের কথা দিয়ে রমরমা অবস্থা। কেন জানি মনে হচ্ছে এবার বইমেলাটা খুব বেশি জমজমাট হবে। আমি যাবো মেলায়। খুব আনন্দময় সময় কাটবে এবার মেলায়।

সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। প্রার্থনা করি জীবন হোক আনন্দময়। আর হ্যাঁ বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস অপচয় বন্ধ করুন। মানুষকে ভালোবাসুন। নিজের মধ্যে মানবতাবোধ সব সময় জাগ্রত রাখবেন। ভালোবাসা নিরন্তর।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৭
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×