
১। সরকারের কাছে অনুরোধ দয়া করে নিরাপদে এবং আনন্দ নিয়ে ব্লগিং করার সুযোগ দেন। সারা বিশ্বের মানুষই ব্লগিং করে।
২। শুধু মানুষের চেহারা নিয়ে জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না, মনে রাখবেন, অমানুষরাও দেখতে ঠিক মানুষের মতোই। মানুষের সমস্ত অতীত তার চেহারায় লেখা থাকে।
৩। বিভূতিভূষণষ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন-
বাংলাদেশের সাহিত্যের উপাদান বাংলার নর-নারী; তাদের সুঃখ-দারিদ্র্যময় জীবন, তাদের আশা-নিরাশা, হাসি-কান্না-পুলক-বহির্জগতের সঙ্গে তাদের রচিত ক্ষুদ্রজগৎগুলির ঘাত-প্রতিঘাত,বাংলার ঋতুচক্র, বাংলার সকাল সন্ধ্যা-সকাল, আকাশ বাতাস, ফলফুল। বাঁশবনের,আমবাগানের নিভৃত ছায়ায় ঝরা সজনে ফুল বিছানো পথের ধারে যে সব জীবন অখ্যাতির আড়ালে আত্নগোপন করে আছে-তাদের কথাই বলতে হবে, তাদের সে গোপন সুখ-দুঃখকে রূপ দিতে হবে।
৪। হাঁটুন মন খুলে। মানসিক চাপ কমাতে হাঁটার থেকে ভালো পদ্ধতি খুব কমই আছে। যারা নিয়মিত মন থেকে হাঁটতে পারে তাদের ব্লাডপ্রেশারও নিয়ন্ত্রিত থাকে । আমার যখন খুব মন খারাপ থাকে- তখন রাস্তায় এলোমেলো ভাবে বেশ কিছুক্ষন হাঁটলেই মন খারাপ ভাবটা কমে যায়।
৫। আগামীকাল বৃষ্টি হবে। ছাতা নিয়ে বের হবেন।
৬। আপনার ছেলে-মেয়ে কোথায় যায়? কি করে? কার সাথে মিশে? ক্লাসের কথা বলে কি ক্লাসে যায় নাকি বন্ধুদের সাথে আড্ডায়? স্কুল-কলেজের সময় গুলোতে পার্কে, লেকে এবং বড় বড় শপিং মলের ফাস্টফুডের দোকান গুলোতে গেলেই দেখতে পাবেন- ছেলে-মেয়েরা কিভাবে বসে আছে। প্রশ্ন হচ্ছে এই ছেলে-মেয়ে গুলো কাদের? তাদের বাবা-মা কারা? সারারাত জেগে তারা ফোনে কথা বলে, ভিডিও চ্যাট করে। আর তাদের শেষ পরিণতি হলো- বন্ধুর ফ্ল্যাট বা কোনো হোটেলে। তারপর সম্পর্কের ছেদ।
পরিবার থেকে যদি সন্তানদের খবর রাখা না হয় তাহলে সন্তান তো খারাপ পথেই যাবে। মনে রাখবেন, আপনার ছেলে বা মেয়েও হতে পারে ভয়ংকর অপরাধীদের একজন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





