
শীত চলে এসেছে।
গরমের থেকে মানুষ শীতকালটা বেশি পছন্দ করে। রংপুর, কুড়িগ্রামে অলরেডি ভয়াবহ শীত পড়ে গেছে। ঢাকায় আজ বেশ ঠান্ডা পড়েছে। ঘর থেকে বাইরে বের হলেই বুঝা যায় বাতাস বেশ ঠান্ডা। রোদ আছে সামান্য, তবে তেজ নেই। একেই বলে মিষ্টি রোদ। আমি সকালে পাতলা একটা জামা গায় দিয়ে বের হয়েছিলাম। মিষ্টি রোদ গায়ে মাখলাম। বেশ লাগলো। ঢাকার বাইরে গেলে আমি গরম কাপড় পরিধান করি। ঢাকার ভিতরে আমার শীতের জামা লাগে না। যাই হোক, এখন ছবি দেখুন। ঢাকা শহরের ছবি। নানান কারনে অকারনে শহরের এদিক-ওদিক যাই। ইচ্ছা হলে দুই চারটা ছবি তুলি আপনাদের দেখাবো বলে। এই ছবি গুলো গত একমাসের মধ্যেই বিভিন্ন সময়ে তোলা। আমার মোবাইল হলো হুয়াওয়ে নোভা থ্রি আই। এই মোবাইল কিনেছিলাম পনের মাস আগে ২৯,৯৯০ টাকা দিয়ে। এখন এই মোবাইলের দাম ২০,০০০ টাকা। দশ হাজার টাকাই কমে গেছে। পোড়া কপাল আমার!
১।

কাওরানবাজার। মিষ্টি কুমড়া। এই মিষ্টি কুমড়া প্রতি পিস ছিল ১৫ টাকা করে। এখন চল্লিশ টাকা।
২।

মাঝে মাঝে এক আধদিন ব্যস্ত রাস্তাও এরকম ফাঁকা পাওয়া যায়! আহ সব সময় যদি এরকম ফাঁকা থাকতো!
৩।

এই রকম একটা বাড়ি আমার থাকলে বাকিটা জীবন আনন্দে পার করে দিতে পাড়তাম। অন্ততপক্ষে দু'টা ফ্লাট।
৪।

বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। তবে দাম আগের মতো ৩৫ টাকা আর কখনই হবে না।
৫।

এই লোক ব্যাথার মলম বিক্রি করছে। যে কোনো ব্যাথা চলে যাবে তাদের মলম মাখলে। মলমের নাম 'তুফান মলম'।
৬।

এই ছবিটা আজকে তুলেছি মতিঝিল থেকে। গাড়ি থেকে লাইন ধরে পেঁয়াজ কিনছে লোকজন। তুরস্ক থেকে আসা পেঁয়াজ। ইয়া বড় বড় সাইজ। খেতে মোটেও স্বাদ না। ফালতু!
৭।

রাস্তার পাশে চায়ের দোকান। রুটি কলাও পাওয়া যায়। কিন্তু ছেলেটা হেলমেট পড়ে আছে কেন বুঝতে পারছি না! ধুলোবালি থেকে বাঁচার জন্য?
৮।

পেয়ারা ৬০/৭০ টাকা কেজি। অথচ এই লোক একদাম ১০০ টাকা করে বিক্রি করছে।
৯।

ঢাকা শহরে বাসে বসার জন্য সিট পাওয়া যায় না। এর মধ্যে এই বিশাল বস্তা উঠিয়ে রেখেছে।
১০।

উপর থেকে দেখলেও বুঝা যায় ঢাকা শহরটা কত হিজিবিজি।
১১।

ঢাকা ওয়াসা।
১২।

যখন সুরভি তার বাপের বাড়ি যায়। ফ্রিজ থেকে বের করে ভাত তরকারী গরম করতে ইচ্ছা করে না, তখন বিস্কুট খেয়ে রাত পার করি। হে হে
১৩।

এই ছবিটা আজ তুলেছি।
১৪।

আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষ্যে নেতা কর্মীরা নানান জায়গায় পোস্টার ফেস্টুন আর ব্যানার লাগিয়েছিল, সিটি করপোরেশন সব তুলে ফেলেছে।
১৬।

গোলাপ শাহ মাজার। গুলিস্তানে। মাজারটি আপডেট করা হয়েছে। নতুন ডিজাইন করে বড় করা হয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে আসে। মুনাজাত করে, টাকা দেয়। কেউ কেউ সেজদাও করে। মাজারের চারপাশে দুষ্টলোক দিয়ে ভরা। মাজারের প্রচুর টাকা আয় হয়। এই টাকা গুলো কে নেয়? সিটি করপোরেশন? মাজার কমিটি? না মসজিদ কমিটি?
১৭।

এক অফিসে পত্রিকা গুলো জমিয়ে রেখেছে। কেন? কে জানে!
১৮।

বেল্ট বিক্রি করছে ফুটপাতে। ১০০/১২০ টাকা করে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


