
আমরা ঢাকায় থাকি।
হুমায়ূন আহমেদের এই নামে একটা বই আছে। টিভিতে নাটকও হয়েছিলো অনেক আগে। আমিও ঢাকায় থাকি। জন্ম ঢাকায়, মৃত্যুও আশা করি ঢাকায় হবে। তুলনা করতে গেলে ঢাকার চেয়ে গ্রাম ভালো। মাঝে মাঝে গ্রামে যাই। ভালো লাগে। যদিও আমাদের গ্রামে গেলে ভালো লাগে না। কারন গ্রাম আর গ্রাম নাই। আমাদের গ্রামে বিউটি পার্লার আছে, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল আছে, কমিউনিটি সেন্টার আছে, বড় বড় দোকানপাট, ফাস্ট ফুডের দোকান আছে, সবাই পাকা বাড়ি করেছে। অনেকে তো ৫/৬ তলা বাড়ি করেছে। বিশাল বিশাল সব বাড়ি। ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড লাইন, রেস্টুরেন্ট, চায়নিজ রেস্টুরেন্ট, এসি মসজিদ।
আজকাল কেউ মাটির চুলায় রান্না করে না। সবাই সিলিন্ডার ব্যবহার করে। আমি চাই শান্ত পরিবেশ, গাছপালা, পুকুর নদী, খাল-বিল, খেলার মাঠ, হাঁট। মেঠোপথ, মাইলের পর মাইল জমি। জমিতে কৃষক কাজ করবে, রাখাল গরু চড়াবে। আজকাল বেশিরভাগ গ্রামই বড় যান্ত্রিকময় হয়ে গেছে। দূর ছাই একটুও ভালো লাগে না।
১।

রমনা পার্ক। কুকুরটা অনেকক্ষন ধরে একই জায়গায় এভাবে বসে আছে।
২।

এই ট্র্যাঙ্ক টা হাতিরঝিলে। দীর্ঘদিন ধরে হাতিরঝিলে যাতায়াত। অথচ আজই প্রথম দেখলাম।
৩।

দেয়ালে লাগানো পত্রিকাগুলো আজও মানুষ মন দিয়ে পড়ে। পত্রিকার নাম গুলোও বেশ। দৈনিক নয়া পয়গাম, প্রভাত, নতুন সূর্য, আজকের জীবন ইত্যাদি।
৪।

ছোটবেলা এরকম চলকেট দেখলে খুশি হতাম। এখন বিরক্ত লাগে।
৫।

বাচ্চাটা শহীদ মিনার বানাচ্ছে। কথা হলো- বাচ্চাটা একা কেন? ওর সঙ্গী সাথীরা কই? আমি ওদের ১০০ টাকা দিয়েছি।
৬।

দৈনিক বাংলা মোড়ে। লোকজন শশা খাচ্ছে। বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে।
৭।

হাতে গোনা কয়েকটা পত্রিকার নাম জানি। এছাড়া দেশে আরো অনেক পত্রিকা আছে। এদের সার্কুলেশনও নাকি ভালো। এবং সরকারের নথিভুক্ত।
৮।

এখনও পেঁয়াজের দাম কমে নি। দুঃখজনক। ২৫/৩০ টাকা কেজি ছিলো। এখন ১০০ টাকার বেশি।
৯।

মাশাল্লাহ। এত এত মুকুল। এর অর্ধের বেশি ঝরে যাবে।
১০।

স্টেডিয়াম। একসময় কি জম-জমাটই না ছিলো।
১১।

পিকআপ এ করে আটা বিক্রি করছে। ৫ কেজি একশ' টাকা। এত সস্তা কিভাবে বিক্রি করছে?
১২।

তাইয়েবা। এই শহরে জন্ম। মেয়েটা ভালো থাকুক। সুস্থ থাকুক।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



