
আমরা বীরের জাতি এই কথাটি দারুন খাটি।
বঙ্গবন্ধু লাল সালাম! ৭ই মার্চ লাল সালাম। ৭ই মার্চ ১৯৭১। বাঙালী জাতির জীবনে এক যুগান্তরকারী দিন। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতিকে এমন এক নুতন দিনের স্বপ্ন দেন যা জাতিগত ভাবে আমাদের অন্য ভাবে ভাবতে শুরু করায়। সেদিনই প্রথমবারের মত খোলামেলা ভাবে আমরা পকিস্তানী শাসকদের জানিয়ে দেই আমরা এখন স্বাধীনতার সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত।
কবি নির্মলেন্দু গুণ শেখ মুজিবের সাত মার্চের ভাষণকে বলেছেন একটি মহাকাব্য।
আর সেই মহাকাব্যের মহাকবি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হচ্ছে ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ। লক্ষ মানুষ এ যুদ্ধে প্রাণ দিয়েছেন। আজকের এ প্রজন্ম স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে জানতে অনেক বেশি আগ্রহী।
৭ই মার্চের সেই ভাষণের ওপর ভিত্তি করেই রচিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের রূপরেখা।
বঙ্গবন্ধু ২২ মিনিট তার জীবনের শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। আজ থেকে ৪৮ বছর আগে অগ্নিঝরা একাত্তরের এইদিনে বঙ্গবন্ধুই ছিলেন একমাত্র বক্তা। গর্জে ওঠা জাতির পিতার কণ্ঠস্বর আমাদেরকে নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রামী করে তোলে।বাংলার সর্বশ্রেষ্ট কবি। কবির ভরাট কন্ঠে ভেসে এলো-''এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। আমার সর্বকালের শ্রেষ্ট ভাষন। আমি যতবার এই ভাষণ শুনি আমি ততবার মুগ্ধ হই। আমার মা-বাবা ময়দানে বসে এই ভাষন শুনেছেন।
মনে রাখবা, ''রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ''। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম''।
ঐক্যবদ্ধ জাতি ছাড়া উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়।
ঐক্যবদ্ধ হতে হবে সবাইকেই নতুবা দেশ পেছনে রয়ে যাবে।
জাতির শিক্ষিত অংশের দায়িত্ব জাতির জন্য আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে একটা রোডম্যাপ তৈরি করা; ভোট হবে, নীতি নিয়ে তর্ক হবে, তবে রোডম্যাপের বেলায় যেন জাতীয় ঐক্য থাকে; ৭ই মার্চ ঐতিহাসিকভাবে সেই রকমই একটি দিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



