
১। আপনি একদিন অফিস থেকে বাসায় ফিরলেন।
অফিস ছুটি হওয়ার দুই ঘন্টা আগেই বাসায় ফিরলেন। কি মনে করে স্ত্রীর জন্য এক তোড়া ফুল কিনে নিলেন। বাসায় ফিরে দেখলেন আপনার স্ত্রী একজন লোকের সাথে শুয়ে আছেন। আপনি ভীষন কষ্ট পেলেন। কষ্টে আপনার চোখে পানি চলে এলো। আপনি দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন। ঘর থেকে বের হয়ে ভাবলেন। লোকটাকে খুন করতে পারলে শান্তি লাগতো। আবার ভাবলেন না থাক। দুই বছরের সংসার জীবন আপনার। স্ত্রীকে আপনি অনেক ভালোবাসেন। স্ত্রীও আপনাকে অনেক ভালোবাসে।
২। রফিক রাতে বিছানায় গেলেই তার ঘুম আসে না।
প্রতিদিন বিছানায় শুয়ে রফিক অনেকক্ষন ফ্যানের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার ধারনা এই ফ্যানটা একদিন ভেঙ্গে তার উপরে পড়বে এবং তার মৃত্যু হবে। বেশ ভয় করে। দিনের বেলা ভয়টা থাকে না। মিস্ত্রি ডেকে একদিন রফিক ফ্যানটা দেখায়। সব ঠিকঠাক আছে কিনা। নাটবল্টু সব ঠিক আছে কিনা। মিস্ত্রি বলল, সব ঠিক আছে। আপনি চিন্তামুক্ত হলেন। ছাপান্ন ইঞ্চি ফ্যানের অনেক ওজন। অই দিন রাতেই ফ্যানটা রফিক সাহেবের মাথায় পড়ে। রফিক মারা যায়।
৩। মোবারকের আজ খুব মেজাজ খারাপ।
অথচ মোবারক খুব ঠান্ডা মানুষ। বেশ ভদ্র মানুষ। প্রানবন্ত হাসি খুশি মানুষ। সকালে মোবারক গোছল করে রেডি হয়েছে। নাস্তা খেয়ে খেয়েছে। অফিসে যাবে। কিন্তু তার বউ বলছে আজ অফিসে যেও না। আজ আমরা সারাদিন প্রেম করবো। মোবারক বলল, প্লীজ ঘ্যান ঘ্যান করো না। আজ অফিসে যেতেই হবে। জরুরী মিটিং আছে। কিছুতেই মোবারকের স্ত্রী বুঝতে চাচ্ছে না। সে তার স্বামীর গলা ধরে রেখেছে। মোবারক কিঞ্চিত রাগ করে স্ত্রীকে হালকা ধাক্কা দেয়। ধাক্কা লেগে মোবারকের স্ত্রী ছিটকে পড়ে। মাথায় আঘাত পায়। বেশ রক্তক্ষরন হয়। এবং মারা যায়।
৪। রাত নয়টা।
শফিক তার বন্ধুর সাথে আড্ডা দিয়ে হেঁটে বাসায় যাচ্ছিলো। হঠাত সে দেখলো রাস্তায় এক লোক পড়ে আছে। তাকে কেউ খুব মেরেছে। ঠোট দিয়ে রক্ত পড়ছে। শফিকের খুব মায়া হলো। শফিক লোকটির কাছে গেলো। বলল, আপনার কি হয়েছে? লোকটি বলল, আমাকে ছিনতাইকারী ধরেছিলো। ম্যানিব্যাগ আর মোবাইল দিতে চাই নি বলে খুব মেরছে। শফিক কি করবে বুঝতে পারছে না। ঠিক এমন সময় একটা পুলিশের গাড়ি থামলো। পু্লিশ শফিকের কোনো কথাই শুনলো না। তাকে ধরে থানায় নিয়ে গেল। পরের দিন দশ হাজার টাকা দিয়ে সে থানা থেকে ছাড়া পেল।
৫। গলির মধ্যে ছেলেরা ফুটবল খেলছিলো।
প্রতিদিনই খেলে। রহিমা খালা দোকান থেকে জরুরি কিছু সদাইপাতি নিয়ে গলির মধ্যে প্রবেশ করলেন। গলির শেষ মাথায় তার বাসা। রহিমা খালা আসতে আসতে হেঁটে আসছিলেন- ঠিক তখন ফুটবল এসে তার বুকে লাগলো। সাথে সাথে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। এবং মারা গেলেন।
মানুষের প্রতিটা মুহুর্ত সাবধান থাকা উচিত। কখন কি ঘটে যায় বলা যায় না। তাই সাবধান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

