
১। বারট্রান্ড রাসেল বলেছেন- সংসারে জ্বালা-যন্ত্রনা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে, মনের ভিতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভিতর ডুব দেওয়া। যে যত বেশি ভুবন সৃষ্টি করতে পারে, যন্ত্রনা এড়াবার ক্ষমতা তার ততই বেশি হয়’।
২। ১৫ দিন আগে লন্ড্রীতে কোট দিলাম পরিস্কার করতে। গতকাল আনতে গেলাম। দোকানদার আমার কোট কোথাও খুঁজে পেলো না। আমাকে অন্য একটা কোট দিয়ে বলল এটা নিয়ে যান।
৩। দোকান থেকে জিনিসপত্র কেনার পর দোকানদার ছেঁড়া পঞ্চাশ টাকা নোট ফেরত দিল। একেবারেই ছেঁড়া, শুধু একটু ঝুলে আছে। আমি বললাম, এটা তো ছেঁড়া- দোকানদার বলল- কসটেপ লাগিয়ে নিবেন।
৪। সেলুনে গেলাম সেভ করতে। দেখি নাপিতের হাত কাঁপছে। দিলো ঠোটের কাছে অনেকখানি কেটে। রক্ত পড়ছে তো পড়ছেই। কোনো কিছুতেই রক্তপড়া বন্ধ হচ্ছে না। আমি এক আকাশ অবাক হয়ে নাপিতের দিকে তাকালাম, নাপিত জানালো সে আগে কখনও সেলুনে কাজ করেনি। কাজ শিখতে আসছে।
৫। যদি আপনাকে একজন বিজ্ঞানীর নাম বলতে বলা হয় তাহলে প্রথমে আপনার মনে কার নাম আসবে?
৬। পিপড়ার ভিসা পাসপোর্ট সবই আছে, সে প্রতি মাসে একবার ইন্ডিয়া যায়। এটা দেখে হাতীর শখ হইল সেও ইন্ডিয়া যাবে, যদিও তার ভিসা পাসপোর্ট নাই। সে পিপড়াকে ধরল, দোস্ত- ইন্ডিয়া যাইতে মন চায়।
পিপড়া বলল কোন সমস্যা নাই। চল ইন্ডিয়া যাই।
হাতী আর পিপড়া বর্ডার ক্রস করতেছে। এমনসময়, বিএসএফ তাদের থামাইল । হাতীর ভিসা পাসপোর্ট দেখতে চাইল।
হাতী বলল দাদা, আমার তো ওসব কিছু নাই। পিপড়ায় আমারে নিয়া যাইতাছে। ওর সাথে কথা বলেন।
পিপড়া আইসা হাতীটাকে দেখিয়ে বলল, এইবার ইন্ডিয়া গিয়া লম্বা সময় থাকতে হইব, তাই সাথে করে খাবার নিয়ে যাচ্ছি। খাবারের আবার ভিসা পাসপোর্ট কি?
৭। উপবাসী ভিক্ষুক ক্ষুধায় কাতর হয়ে প্রথমে মন্দিরের পুরোহিতের নিকট গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে।
ভিক্ষুকটি পুনরায় আশায় বুক বেধে মসজিদ অভিমুখে অগ্রসর হয়। কিন্তু মসজিদের মোল্লা সাহেব তার কথা শুনে এবং সে নামাজ পড়েছে কিনা জিজ্ঞাসা করে। ভিক্ষুকটি 'না' বলায় মোল্লা তাকে গালি-গালাজ করে বিদায় দেয়।
ভিক্ষুকটি তখন বিধাতাকে উদ্দেশ্য করে বলে, আশিটা বছর আমি নামাজ পড়িনি কিন্তু তুমি ঈশ্বর আমার খাবার বন্ধ করনি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

