
১। ব্লগের সবচেয়ে খারাপ দিক এবং সুবিধাটা হলো নিজের আসল নাম ব্যবহার না করে লেখার সুযোগ মিলে। তাই যাচ্ছেতাই লেখা যায়, মন্তব্য করা যায়।
২। শুধু মুক্তচিন্তা এবং বিজ্ঞান চেতনার প্রসারই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
৩। যে বিক্রি করে সে জিনিসটি চায় না। যে কেনে সে জিনিসটি ব্যবহার করে না। আর যে ব্যবহার করে সে জিনিসটি দেখতেই পায় না। কি সে জিনিস?
৪। আপনি হয়তো কোনো কোম্পানীতে চাকরি খুঁজছেন- তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই কোম্পানীর ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি, তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে।
৫। পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় হলেই- দেখবেন পৃথিবীর সব কিছু কত সুন্দর হয়ে উঠবে আপনার কাছে।
৬। প্রেম অতি সস্তা একটা বিষয়।
প্রেমের সময় বেশির ভাগ ছেলেই নির্জন জায়গা খুঁজে বেড়ায়। একশো টা প্রেম করা যায় অনায়াসে। প্রেমে কোনো দায়-দায়িত্ব থাকে না। রিকশায় করে ঘুরো। গিফট দাও। ফাস্ট ফুডে যাও। মুভি দেখো। রাতে মোবাইলে কথা বলো। আজাইরা রাগ দেখানো। সব কিছু মিলিয়ে মিথ্যা কথা আর মিথ্যা অভিনয়। যার কোনোটাই বাধ্যতামূলক নয়।
পারলে বিয়ে করে দেখা। তারপর বউ নিয়ে ফাস্ট ফুডে যা, রিকশায় করে ঘুর। গিফট দে। মুভি দ্যাখ। তাহলেই বুঝা যাবে তুমি কেমন ব্যাটা। তোমার কত মুরোদ।
৭। শুধু রুটির দোকানে চাকরি করলেই নজরুল হওয়া যায় না। কিংবা স্কুল-কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না। সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না, বেশির ভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।
আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর। আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

