
১। জ্ঞানী লোকেরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কারো দিকে তাকাতে হয় না। বাবা, মা, পুত্র, কন্যা, স্ত্রী কারো দিকেই না। শুধু নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হয়। এর মধ্যে দোষের কিছু নেই। দুর্যোগের সময় যদি একজন আরেক জনকে বাঁচাতে চেষ্টা করে, তাহলে কেউ'ই বাঁচবে না। কিভাবে একা আমি পালিয়ে বাঁচবো? আমার পক্ষে সম্ভব না। আমি স্ত্রী কন্যা আছে। নিজে মরে হলেও আগে ওদের বাচাতে চেষ্টা করবো।
২। সৌন্দর্যের বসবাস আমাদের ভেতরে, আমাদের হৃদয়ে, আমাদের চোখে, আমাদের মুখের শব্দ গুলোতে, আমাদের দৃষ্টিতে, আমাদের চাহনিতে... সৌন্দর্য প্রকাশিত হয় আমাদের গোটা সত্ত্বাজুড়ে।
৩। ভালোবাসা হলো অনেকটা ডায়বেটিসের মত ! বেশী বাড়লেও সমস্যা আবার একবারে কমলেও সমস্যা।
৪। একটি শিশুর জন্মকে কেন্দ্র করে পরিবারের সবাই চঞ্চল হয়ে উঠে। জন্মের বার্তা এমনই মধুর, এমনই গ্রহনীয়। কারণ একটি শিশু জন্মায় পরিবারে, কিন্তু একই সঙ্গে ও সমাজের অংশ হয়, দেশের নাগরিক হয়। এক সময় সে পরিবার থেকে বেরিয়ে পড়ে। নিজ পরিবার গড়ে। বাড়তে থাকে মানুষের বিশ্বের আকার। এজন্যই জন্মের টান এমন সামাজিক। সেজন্য আনন্দের কোনো সীমা নেই। আনন্দ মধ্যে ছড়ায়।
উপন্যাসঃ পূর্ণ ছবির মগ্নতা # সেলিনা হোসেন।
৫। বিনা চিকিৎসায় নাসিম মরেন নাই। মরার আগেও তার জন্য সিঙ্গাপুর যাওয়ার তদারকি হচ্ছিলো। দেশের কয়টা মানুষ সিঙ্গাপুর যাওয়ার ক্ষমতা রাখে? চাইলেই বা চেষ্টা করলেই এই দেশে সিঙ্গাপুর ব্যংকক ইউরোপ আমেরিকার মানের চিকিৎসা ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে পারতেন তিনি। করেননি।
এখনকার স্বাস্থ্যব্যবস্থার দায়িত্বে যারা আছেন তাঁরা কি কোন শিক্ষা নেবেন? এখনো কি কিছুটা হলেও বাঁচাবেন দেশের স্বাস্থ্যখাতটাকে? সাধারণ মানুষের জন্য না হোক, অন্তত নিজেদের জন্য হলেও?
(ছবিঃ আমার তোলা)
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



