
জাতি বহু কিছু থেকে বঞ্চিত।
বিশেষ করে শিক্ষা আর চিকিৎসা। প্রশাসনের লোক কি তা অনুভব করছে না? সামান্য অসুখ নিয়েও লোকজন আজ ভারত যাচ্ছে। আর যাদের টাকা আছে তারা যাচ্ছেন সিঙ্গাপুর। সরকার নিজের সম্মান বাচানোর জন্য এই দুইখাতকে বিশেষ নজর দিতে হবে। যেন একজন লোকও চিকিতসার জন্য বিদেশ না যায়।
সাধারন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই তারা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে। যা ইচ্ছা তাই বলছে। হাসপাতাল গুলো মানুষের সাথে যা ইচ্ছা তাই করছে। এই অরাজকতা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষমতা সরকারের নিজের হাতে নিতে হবে। জনগন রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করবে এটাই স্বাভাবিক। ট্রাম্পকেও তো কত কথা শুনতে হয়েছে।
সরকার জোর করে মানুষের কাছ থেকে ভালোবাসা আদায় করতে পারবে না। দেশের জন্য নিজের অবদান কিছুই নাই অথচ সম্পদের পাহাড় গড়ে ফেলেছেন এক একজন। মানুষ কত চুপ থাকবে? সাধারন মানুষ বলতে চায়। তাদের অনেক কথা জমে হয়ে আছে। সাধারন মানূষের কথা সরকারের শুনতে হবে। শোনা উচিত। মানুষের জন্য প্রচুর কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের মতো গরীব দেশে বেসরকারী হাসপাতাল ও মেডিক্যাল খোলার অনুমতি দেয়া বড় ধরণের অপরাধ।
আমেরিকায় করোনায় মানুষ মরেছে। কিন্তু প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা পেয়েছে। আমাদের দেশে হাসপাতাল গুলোতে ভর্তি নিচ্ছে না, ডাক্তারেরা ভয়ে চিকিৎসা দিচ্ছে না (অনলাইনে হাস্যকর চিকিৎসা দিচ্ছেন কেউ কেউ), অক্সিজেন সংকট, আইসিইউ সংকট, ডাক্তার সংকট, পিপিই সংকট সমসয়ার শেষ নেই। সেদিন হঠাত আমার বুকে ব্যথা শুরু হলো- তিনটা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়েও চিকিৎসা পেলাম না। ডাক্তার নেই।
বেশীর ভাগ মন্ত্রী, এমপিদের কথাবার্তায় অহংকারের স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়। এহেন অবস্থায়, সেই শক্তিশালী দলের নেতাদের মৃত্যু হলে অসহায় এবং দুঃখী জনগণ প্রতিবাদ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মত তো প্রকাশ করবেই। জনগন নানান কথা বলবেই। জনগনের ভাষা সরকারের বুঝতে হবে। মানুষ বুঝে কোনটা ভালো কথা, কোনটা মিথ্যা কথা। গরু, ঘোড়ার মুখে লাগাম দেওয়া যায়। মানুষের নয়।
(ছবিঃ আামার তোলা)
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



