
১। আওয়ামী লীগের সবচাইতে বড় সম্পদ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগই পারবে বাংলাদেশকে বিশ্ব-দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়ে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করতে।
২। টুথপেস্টের একটা বিজ্ঞাপন করার সুযোগ পেয়েছিলাম। সব ফাইনাল। যেদিন শুটিং হবে সেদিন ডিরেক্টর সাহেব বললেন- আমাকে দিয়ে হবে না। আমার চোখে না-কি মায়া নাই। আমি বললাম, স্যার আমার দাঁতে কোনো সমস্যা নাই।
৩। একজন চিকিৎসক অন্তত বলুক, আমি ডাক্তার। আমার ভিজিট মুখ্য নয়, চিকিৎসা দেওয়াটাই মুখ্য। আমার ভিজিট তাই দিবেন, যেন আমি চলতে পারি পরিবার নিয়ে। সকল বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের বেতন দেয়া হোক সরকারি হাসপাতালের রুল অনুযায়ী। তাহলে দরিদ্র বাবা মা ও তাদের ছেলে/মেয়ে গুলো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারবে।
৪। বড় ভাই টিউশনির টাকা পেয়েছে তাই ছোট বোনকে থাইস্যুপ খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছে।
ভাইয়া, স্যুপ খাওয়ার পরেও কি তোমার কাছে টাকা থাকবে?
থাকতে পারে।
যদি টাকা থাকে আমাকে একটা জিনিস কিনে দিবে?
কী জিনিস?
একটা বোরকা। বাইরে যখন বের হই, পুরুষমানুষগুলা কেমন করে যেন তাকায়। এত বিশ্রী লাগে!
বোরকা কেনার মধ্যে আমি নাই।
প্লিজ ভাইয়া। প্লিজ।
ভাই বিরক্ত মুখে এগারো শ' টাকা দিয়ে একটা বোরকা কিনে দিল।
৫। দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে এখন দেখি বেশির ভাগ পারিবারিক বন্ধন আলগা। পরিবারের এক সদস্য কী করছে অন্যরা তার খোঁজ রাখছে না। ছেলে ড্রাগ ধরেছে, বাবা-মা কিছুই জানে না। ভেরি স্যাড।
৬। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মারসো নামের ফরাসি আলজিরীয় মধ্যবিত্ত পরিবারের এক অবিবাহিত যুবক। মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনেও যার চোখে পানি আসেনি। ছুটির দিনে মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে ফ্লাটে নিরানন্দময় জীবন কাটে তার। সমাজের চোখে সে দোষী। কেন না সমাজ মনে করে তার মধ্যে অভাব রয়েছে মৌল আবেগ ও প্রতিক্রিয়ার। দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে সে পর্যবেক্ষণ করে জীবন, যৌনতা ও মৃত্যু। তারপর ঘটনাচক্রে একদিন সে খুন করে বসে....।
উপন্যাসটির নাম কি?
৭। একজন শিক্ষক অন্তত বলুক, আমি শিক্ষক। আমার বেতন মুখ্য নয়, শিক্ষা দানটাই মুখ্য। আমার বেতন তাই দিবেন, যেন আমি চলতে পারি পরিবার নিয়ে। সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বেতন দেয়া হোক সরকারি ভার্সিটির রুল অনুযায়ী। তাহলে দরিদ্র বাবা-মার ছেলে মেয়ে গুলো পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



