
১। মানুষের সভ্যতা ধ্বংস করার জন্য যে বিজ্ঞানীরা এটোম বোমা বানায়, তাদের কি তুমি বুদ্ধিমান বলতে পারো?
২। কাউকে ভালোবাসার চেয়ে তাকে বিশ্বাস করাটা বড় জিনিস। কারণ আপনি যদি কাউকে বিশ্বাস না করতে পারেন তাহলে কাউকে ভালোবাসবেন কিভাবে? আর যাকে বিশ্বাস করবেন তাকে আপনি সবসময় ভালোবাসতে পারবেন। তাই ভালোবাসার চেয়ে বিশ্বাসটা হচ্ছে বড় জিনিস।
৩। ১৯৭১ সাল। যুদ্ধ চলছে, তাকে এখন দেশ মাতৃকার সেবায় না গেলেই নয়। সে তার স্ত্রীকে শেষ বারের মত বিদায় জানায়, স্ত্রী কাঁদতে কাঁদতে তাকে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। স্ত্রীর চোখের দিকে গভীরভাবে তাকিয়ে সে জানায় যে, “আমি তোমাকে ভালোবাসি। কিন্তু তুমি জানো যে আমাকে যেতেই হবে”। স্ত্রী মাথা নাড়ায় আর মুক্তিযোদ্ধাটি পিছন ফিরে চলতে শুরু করে। তার স্ত্রী তার দিকে তাকিয়ে থাকে তাকে যতক্ষণ পর্যন্ত দেখা যায়, একই সাথে কষ্ট, অভিমান আর অহংকারের এক মিশ্র অনুভূতি নিয়ে।
৪। একই টাকা হাজারো মানুষের হাতে চক্রাকারে ঘোরে। শেষ পযর্ন্ত ছিড়ে যায় যা আর কখনও কাজে লাগানো সম্ভব হয় না। কিন্তু একই জ্ঞান হাজারো মানুষের কাছে গেলে আরও বৃদ্ধি পায়। একে না যায় ধরা, না যায় ছোয়া, না যায় ছেড়া, না যায় ফিরিয়ে নেয়া। তাই টাকার পিছনে না ছুটে জ্ঞানের পিছনেই ছুটো। পাবে হাজারো সম্ভাবনার পথ।
৫। এক জীবনে আপনার দশটি বাড়ি, দশটি গাড়ি, দশটি নারী থাকলে ও অর্থনীতির সূত্র হিসেবে আপনি সুখী হতে পারবেন না!
আর আপনি সুখ খুঁজে হয়রান হয়েও সুখ পাবেন না, সুখ পেতে হলে আপনাকে আপনার নিচের জনের দিকে তাকাতে হবে!
৬। ২১ শে আগষ্ট!
দুপুর তিনটায় আমি গুলিস্তান ছিলাম গোলাপ শাহ মাজারের উত্তর পাশে আমার চাচার দোকানে ছিলাম। সেখানেই দুপুরের খাবার খাই।
সেদিন আমার মনটা খুব খারাপ ছিল। কথা ছিল বিকেলে শহীদ মিনারের সামনে আসবে সুরভি। আমরা রাত আট টা খুব আড্ডা দিব। কিন্তু সুরভি বলল, সে আজ আসতে পারবে না। আমি মন খারাপ করে চাচার দোকানে বসে আছি।
বিকেলে গেলাম পার্টি অফিসে। নেতাদের বক্তব্য শুনছি খুব মন দিয়ে। তখনও শেখ হাসিনা এসে উপস্থিত হননি। আমি একেবারে ঠেলে ঠুলে ট্রাকের সামনে(মঞ্চে) চলে গিয়েছি। দূর থেকে বক্তব্য শুনে মজা নেই। চারদিকে অসংখ্য মানুষ। নেতারা একের পর এক এসে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক এরকম সময় দু'টা ঘটনা ঘটে। মাইকে ঘোষনা দেয় শেখ হাসিনা এসে উপস্থিত হয়েছেন। এবং আমার মোবাইলে ম্যাসেজ দেয় সুরভি সে শহীদ মিনারের সামনে এসেছে।
আমি সাথে সাথে সমাবেশ থেকে বের হয়ে গুলিস্তান পার্কের কাছে এসে রিকশা নিই। তারপরের ঘটনা সবাইই জানেন। সুরভি ফোন না দিলে সেদিন কি হতো কে জানে! নিজের চোখে দেখেছি ভয়াবহ অবস্থা। রিকশায় করে, ভ্যানে করে আহতদের নিয়ে যাচ্ছে ঢাকা মেডিকেল।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



