
১। ব্লগে আপনার কি রকম পোস্ট ভালো লাগে?
আমার ভালো লাগে বই নিয়ে পোষ্ট। যে কোনো বইয়ের আলোচনা আমার ভালো লাগে। বই পড়াটা আপনার উন্নতির জন্য সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। একটা টাই, একটা স্যুট, একটা ব্র্যান্ডেড শার্টের চেয়ে একটা ভাল বই আপনাকে বেশি স্মার্ট করবে। বই পড়া স্বাভাবিকভাবেই মানুষকে স্মার্ট করে, বয়স কমিয়ে দেয়। বই পড়া আপনার দুঃশ্চিন্তাকেও কমিয়ে দেয়।
বিভূতিভূষণের চাঁদের পাহাড় কিংবা হেমিংওয়ের ওল্ড ম্যান এ- দ্য সী পড়তে বসুন। দেখুন, আপনার দুশ্চিন্তা-দূর্ভাবনা কখন কোথা দিয়ে পালিয়ে গেছে আপনি টেরও পাবেন না। বিশ্বের মাদক ব্যবসায়ী ও নারী পাচারকারীর হাতে বই তুলে দিতে পারলে হয়তো পুরো চিত্রটাই পাল্টে যেতো। অনেকে বলেন, পড়ব কিভাবে, সময় পাই না! আরে ভাই, টিভি দেখার সময় থাকলে বই পড়ার সময় থাকবে না! মোবাইলে গেমস খেলার সময় আছে, ফেসবুকে পড়ে থাকার সময় আছে আর আসল বুক খুলে দেখার সময় নাই!
পড়তে পড়তে পাঠক হোন, পাঠক থেকে লেখক হোন। পড়তে পড়তে যদি এমন মনে হয় যে, পৃথিবীতে এমন বিষয়ও আছে যা নিয়ে কোন বই লেখা হয়নি, তাহলে নিজেই সেটা লিখে ফেলুন। একজন প্রকৃত জ্ঞানী মানুষের সবচেয়ে বড় অস্ত্রই হচ্ছে বই।
২। ইহুদিদের সাথে সব সময় হিসেব করে কথা বলতে হয়। ওরা কোনো প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেয় না। এমনকি, তুমি যদি অতি সাধারণ ভাবে জিজ্ঞেস করো, আজকের আবহাওয়াটা খুব সুন্দর না? তার উত্তরে একজন ইহুদি বলবে, কেন, তোমার মতে কি গতকালের আকাশ কম নীল ছিল?
৩। ঈশ্বর বলেনঃ আমাকে কোথায় খুঁজছো হে বান্দা, আমি তো রয়েছি তোমার পাশেই। আমি মন্দিরে-মসজিদে-কাবায়-কৈলাসে থাকিনে।
৪। গণপরিবহনে গান, নাটক, ওয়াজ, সিনেমা ইত্যাদি যাবতীয় শব্দ দূষণ কার্যক্রম বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি।
৫। সত্যিই আজকাল সবাই নিজেকেই সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে পছন্দ করে। সবদিক দিয়েই যে সেরা সেটা বুঝাতে চাই। কিন্তু তারা কুয়োর ব্যাঙ হয়ে যদি কুয়োটাকেই গোটা বিশ্ব ধরে, তবে সত্যিই তারা শো অফের যোগ্য।
৬।

এলিজা বড় হয় বাবার কাছে। ৭ বছর বয়সে বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন আলবামার একটি স্পেস ক্যাম্পে। সেই ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা তাকে এমনভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল যে তার ভাবনার জগতটাই অন্য শিশুদের চাইতে আলাদা হয়ে যায়।
এলিজার যখন ৯ বছর বয়স তখন তার সাথে দেখা হয় নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাসের সাথে। এই নারী মহাকাশচারী তাকে জানিয়েছিলেন ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। এই কথা ছোট্ট এলিজার চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন গাঢ় করেছিলো। এলিজার আগ্রহ, তৃষ্ণা আর ডেডিকেশন দেখে মাত্র ১১ বছর বয়সে নাসা তাকে মনোনীত করে নেয় এবং ঘোষণা করে যে, সমস্ত অবস্থা অনুকূল হলে সে হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ।
এখন তার বয়স ১৭। যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোন প্রকার যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রতে স্বাক্ষর করেছে। ভাবতে অবাক লাগে, মানুষের স্বপ্ন কত বড় হতে পারে! এলিজা জানে যে, সে আর ফিরে আসবে না এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১৪/১৫ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। এলিজা বলে "Always follow your dream and don't let anyone take it from you".
এলিজার জন্য শুভকামনা।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



