somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

বিচ্ছেদী গানের বাউল সাধক 'উকিল মুন্সী'

১২ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



'উকিল মুন্সী' একজন বাঙালি বাউল।
তার গুরু ছিলেন আরেক বাউল 'রশিদ উদ্দিন'। উকিল মুন্সির অসংখ্য গানের মধ্যের 'আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি রে, সোনা বন্ধুয়া রে এতো দুঃখ দিলে তুই আমারে' গানটা খুব বেশি পছন্দের আমার। এই গানটি বারী সিদ্দীকীর কন্ঠে লেখক হুমায়ুন আহমেদ তার 'শ্রাবন মেঘের দিন' চলচ্চিত্রে ব্যবহার করেন। বাংলায় নারী ভাব নিয়ে গান গাওয়ার প্রচলন অনেক পুরানা। সেই ভাব বাংলার সর্বত্র আছে।
ধারনা করা হয়, নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ির নূরপুর বোয়ালী গ্রামে ১৮৮৫ সালের ১১ জুন মুসলিম পরিবারে 'উকিল মুন্সী' জন্মগ্রহণ করেন। তার পারিবারিক নাম 'আব্দুল হক আকন্দ'। উকিল তার ডাক নাম। পরবর্তীতে ইমামতি পেশার কারণে তার নামের সাথে 'মুন্সি' যুক্ত হয়। শৈশবে উকিল মুন্সি ঘেটুগানে যোগ দেন। পরে গজল ও পরিণত বয়স থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বাউল সাধনায় লিপ্ত থাকেন। তার গজল গানের সূত্রপাত হয় তরুণ বয়সে। তার চাচা কাজী আলিম উদ্দিন। আলিম সাহেবের বাড়ি মোহনগঞ্জ থানার জালালপুর গ্রামে। উকিল মুন্সি তার চাচার বাড়ি বেড়াতে যান। সেখানে ধনু নদী পারের এক গ্রামের লবু হোসেনের মেয়ে হামিদা খাতুনের প্রেমে পড়ে যান তিনি। এই প্রেম নিয়ে তিনি লিখেন 'উকিলের মনচোর' নামক একটি গান। তার চাচা এই প্রেমের কথা জানার পর খুবই রাগ করেন। কারন হামিদার বাবা সাধারণ কৃষক। এই দুঃখে উকিল মুন্সি বাড়ি ছেড়ে শ্যামপুর, পাগলাজোড়, জৈনপুরে ঘুরে বেড়ান।

উকিল মুন্সির গানে যাপিত জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনার কথা চিত্রিত হলেও প্রতিটা গানের পরিণতি মানব মুক্তির ইঙ্গিত করে। কখনো ফেলে আসা জীবনে ভুলের মাসুল, কখনো ইহজাগতিক প্রেম যা ধর্ম বিচ্যুত নয়, কখনো বা পরলোকিক প্রেম যা লৌকিতাবর্জিত নয়।
উকিল মুন্সি শৈশবেই বাংলার পাশাপাশি আরবি, ফারসি ও কোরান শিক্ষা নেন। হঠাৎ বাবার মৃত্যুতে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায় তাদের পরিবারে। উকিল মুন্সী মসজিদে বসে একতারা বাজিয়ে গজল গাইতেন। তখন তাঁকে গ্রামের মানুষ এতটাই শ্রদ্ধা করত যে, অনেকের আপত্তি থাকলেও এ কাজে নিষেধ করার সাহস কারও ছিল না।

উকিল এক সময় জৈনপুরে থিতু হয়ে এ গ্রামের মসজিদে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত ইমামতি করেন। উকিল মুন্সি নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের বহু স্থানে বৈঠকি বাউলগান ও মালজোড়া বাউলগানের আসর মাতিয়েছেন। সারা দেশে তার ভক্তের অভাব নেই। উকিল গত শতাব্দীর ষাটের দশকের প্রথমদিকে এসে আসরে গান করা ছেড়ে দেন। ৩১ বছর বয়সে জালালপুর গ্রামের লবু হোসেনের সুন্দরী কন্যা‘র সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পূর্বে তাদের প্রেম এলাকায় আলোচিত ছিলো। এ সময় তিনি রচনা করেন প্রেমের গান, বিরহের গান। সেই গুলো অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।


বারী সিদ্দিকীকে দিয়ে হুমায়ূন আহমেদ উকিল মুন্সির গান করান। সেই গান গুলো শিক্ষিত মহলে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। এবং সব শ্রেনী পেশার মানুষ উকিল মুন্সিকে চিনতে পারেন, জানতে পারেন।

১৯১৫ সালে জালালপুর গ্রাম থেকে কয়েক মাইল দূরে মোহনগঞ্জের বরান্তর গ্রামের এক মসজিদে ইমামতি ও আরবি পড়ানোর কাজে নিযুক্ত হন উকিল মুন্সি। এই সময়ে ইমামতির পাশাপাশি গজল লিখতেন এবং রাত জেগে তা গাইতেন। নিজের গানে নিজেই সুর দিতেন। 'একবার এক লোক বিরক্ত হয়ে এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে নালিশ করে। পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যেতে আসলে উকিল পুলিশ নিয়ে গান ধরেন। সে গানে পুলিশ তার নিজের ভিতরে লুকোনো কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পায় এবং পরে কয়েকটি পালা গানের মঞ্চে উকিলের গান শুনে পুলিশ উকিলের মুরিদ হয় যায়'
১৯১৬ সালে হামিদা খাতুনের আগ্রহে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক পুত্র, সাত্তার মুন্সী। ১৯৭৮ সালের মাঝামাঝিতে উকিল মুন্সীর স্ত্রী হামিদা খাতুন এবং এর কয়েক মাস পর ছেলে সাত্তার মুন্সী মৃত্যুবরণ করেন। সে বছরই তিনি অসুস্থ হয়ে ১২ ডিসেম্বরে ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে উকিল মুন্সি শারীরিক এবং মানসিক ভাবে প্রচণ্ড ভেঙ্গে পড়েন। 'বিংশ শতাব্দীর গ্রামীণ বাংলার জীবনকে নিয়ে রচিত হুমায়ুন আহমেদের বহুকেন্দ্রিকা উপন্যাস মধ্যাহ্ন-এর অন্যতম চরিত্র উকিল মুন্সী'।

দু’ ভাইয়ের মধ্যে উকিল মুন্সি ছিলেন বড়।
শিশুকালে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়, ফলে মায়ের সাথে দু’ ভাইয়ের বসবাস বেশিদিন সম্ভব না হওয়ায় কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার ঠাকুর বাড়িতে ফুফুর কাছে আশ্রয় নেন দুই ভাই। ফুফু তাঁর হূদয়ের সবটুকু উত্তাপ দিয়ে ভালোবাসলেও স্বামীর সংসারের বৈরিতার কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁদেরকে আগলে রাখতে পারেন নি। পারেন নি ভাইয়ের পুত্রদের পড়াশোনা করাতে। আর এই বৈরী পরিবেশ চির আবেগী উকিল মুন্সিকে তিলে তিলে গড়ে তোলে সংগ্রামী এক অনন্য মানুষে। তারপর থেকেই শুরু হয় নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে জীবনের রস আস্বাদনের।

উকিল মুন্সির বয়স তখন ১৫-১৬ হবে।
পিতামাতাহারা স্বাধীন একজন মানুষ তিনি। এই স্বাধীনতা, বৈরী পরিবেশে ফুফুর অপারগতা উকিলকে ঠেলে দেয় ঘাটু গানের দিকে। তখন ময়মনসিংহের পূর্বাঞ্চলে অর্থাত্ ভাটি অঞ্চলটিতে ঘাটুগানের জনপ্রিয়তা ছিলো ব্যাপক। 'জৈনপুর উকিল মুন্সী স্মৃতি সংসদ' প্রতি বছর উকিল মুন্সি স্মরণে গান বাজনা এবং মেলার আয়োজন করেন। অবশ্য উকিল মুন্সির সৃতি রক্ষার্তে সরকার থেকে কোনো সহযোগিতা পান নি। প্রতিবছর জৈনপুরে উকিল মুন্সির মাজার প্রান্তরে বাউল গানের আয়োজন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশের ভাটি অঞ্চলসহ অন্যান্য প্রখ্যাত সব বাউলরা উপস্থিত হন এবং গান পরিবেশন করেন। উকিল মুন্সির জীবদ্দশায় তার কোন গানের বই প্রকাশিত হয়নি।



উকিল মুন্সি মধ্য বয়সে যখন শ্রষ্টার প্রেমে মগ্ন হয়ে জীবনের সেরা গানগুলি রচনা করেন সেই সময় তিনি হবিগঞ্জের শরিয়তের পীর মোজফফর আহম্মদ সাহেবের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ১৯১৮ সালের ১৭ এপ্রিল উকিল মুন্সির প্রথম সন্তান প্রখ্যাত গায়ক আব্দুস সাত্তারের জন্ম হয়। এরপর উকিল মুন্সি মদন থানার কুলিয়াটি গ্রামে চলে যান। কুলিয়াটিতে পাঁচ বছর কাটান। গ্রামটি উকিলকে ঘিরে গীতিকবি-গায়কদের মিলন কেন্দ্র বা ঠিকানা হয়ে ওঠে। উকিল মুন্সী হাজারেরও অধিক গান লিখেছেন। বর্তমানে বেশিরভাগ গানের সন্ধান পাওয়া যায় না। তবে প্রায় দুই শত গান উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

জৈনপুরে বেতাই নদীর ধারে উকিল মুন্সীর বাড়ীটি মোহনগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে। বেতাই নদীর কূলে উকিল মুন্সীর বাড়ি। বাড়ির উঠানে বড়ই গাছের নিচে দুটি অবহেলিত কবর। একটি তার আরেকটি তার ছেলের। উকিল মুন্সী নিজে ছিলেন শরীয়তপন্থী এবং নেত্রকোণার অন্যান্য বাউলদের থেকে ব্যতিক্রমধর্মী। তিনি মারেফাত এবং শরীয়ত বিষয়ে অনেক গান রচনা করেছেন। নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলের মনোরম প্রকৃতি ও জলাবায়ুর প্রভাব ছিল তার গানে ও সুরে। হৃদয়ের পরশ দিয়ে ভাটিয়ালি সুরে অসংখ্য বাউলগান রচনা করে তিনি বাংলা সাহিত্যের ভান্ডারকে সমুদ্ধ করে গেছেন।




উকিল মুন্সীর কিছু জনপ্রিয় গানঃ
১। নবীজির খাশ মহলে
২। হায়রে লুকাইয়া কয়দিন রই
৩। বন্ধু বিফলে গেল নব যৌবন
৪। সোনা বন্ধুয়া রে এতো দুঃখ দিলে তুই আমারে
৫। এসো হে কাঙালের বন্ধু
'৬। বিদেশী বন্ধুরে রূপ দেখাইয়া
৭। ভেবেছিলাম রঙে দিন যাবে রে সুজন নাইয়া
৮। ও কঠিন বন্ধুরে
৯। আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি রে
১০। বন্ধু আমার দিনদুনিয়ার ধন-রে
১১। সখী গো…
১২। আর কি অলি আমার বসিবে ফুলে
১৩। আমার শ্যাম শোক পাখি গো
১৪। প্রাণ সখিগো
১৫। সে যে আড়ালে থাকে, উঁকি দিয়া দেখে
১৬। পিরিত ও মধুর পিরিত
১৭। আমার কাংখের কলসী গিয়াছে ভাসি
১৮। রজনী প্রভাত হল ডাকে কোকিলা
১৯। কাহার নামে বসবেন খোদা
২০। দীন দুনিয়ার বাদশা তুমি, উম্মতের জামিন
২১। সুয়া চান পাখি



তথ্যসুত্রঃ
১। গতকাল জাদিদ ভাই তার এক পোষ্টে উকিল মুন্সির কথা উল্লেখ করেছেন। তার পোষ্ট
২। ২০১২ সালে শ্রদ্ধ্যেয় ব্লগার ইমন জুবায়ের উকিল মুন্সিকে নিয়ে একটা ব্লগ লিখেছেন। অসাধারণ একটা লেখা। তিনি মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখেছেন। লেখাটা যদি কেউ পড়তে চান তার সেই লেখা পড়লে মনে হয়- আমি শালা কি লিখি?!
৩। টি এম আহমেদ কায়সার, শাহ আবদুল করিমের সাক্ষাৎকার, ছোট কাগজ খোয়াব, সেপ্টেম্বর ১৯৯৭।
৪। রশিদ উদ্দিন ও শাহ আবদুল করিমের উইকিপিডিয়া পাতা।
৫। যতীন সরকার, জালাল উদ্দীন খাঁ ও তার সঙ্গীত, দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
৬। আলী আহাম্মদ খান আইয়োব, নেত্রকোনা জেলার ইতিহাস, গতিধারা, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৯৯, ২০৬।
৭। বাংলাদেশের বাউল: সমাজ, সাহিত্য ও সংগীত, ড: আনোয়ারুল করিম, বর্ণায়ন, ঢাকা, বাংলাদেশ।
৮। বিরহী বাউল উকিল মুন্সির গান ও জীবন, অমলেন্দু কুমার দাশ, অনুপম প্রকাশনী, ঢাকা, বাংলাদেশ।

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৫
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×