
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিনে শ্রদ্ধা।
শতবর্ষ পূরণের মহেন্দ্র ক্ষনে জাগবে কি সকলের চেতনা!
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও বঙ্গবন্ধু অনাড়ম্বর জীবন যাপন করেছেন। জীবনের একটা দীর্ঘ সময় জেলে কাটিয়েছেন। যোগ্য সহধর্মিনী হিসেবে বঙ্গমাতা থাকে সাপোর্ট দিয়ে গেছেন। তিনি দল-মত সবকিছুর ঊর্ধ্বে। বাঙালি জাতির ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। নিজের সুখ-শান্তিকে বিসর্জন দিয়েছেন। জীবনের তোয়াক্কা না করে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে সিংহের গর্জন তুলেছেন৷ বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মুক্ত আকাশ। মুক্ত স্বদেশ।
ঘৃণা প্রকাশ করছি তাদের প্রতি যারা উনাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছে।
দিন শেষে কথা একটাই- বঙ্গবন্ধু ও তার আদর্শের মৃত্যু নেই। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে আমার প্রত্যাশা হবে, উনাকে উনার মর্যাদায় সমাসীন করা, উনার মর্যাদাকে খাটো করে উনাকে দলীয় পর্যায়ে নামিয়ে না আনা। তাহলেই উনার প্রতি যথাযথ সন্মান দেখানো হবে।
আহমদ ছফা অসংখ্যবার, অসংখ্য লেখায় বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করেছিলেন।
কিন্তু তাকেও বলতে হয়েছিলো---"আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়তো কোনো পিতা তাঁর শিশু পুত্রকে বলবেন জানো, খোকা, আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিলেন যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু মানুষটির হৃদয় ছিল, ভালবাসতে জানতেন। দিবসের উজ্জ্বল সূর্যালোকে যে বস্তু চিকচিক করে জ্বলে তা হলো মানুষটির সাহস। আর জ্যোৎস্নারাতে রূপালী কিরণ ধারায় মায়ের স্নেহের মত যে বস্তু আমাদের অন্তরে শান্তি ও নিশ্চয়তার বোধ জাগিয়ে তোলে তা হলো তাঁর ভালবাসা। জানো খোকা তাঁর নাম? শেখ মুজিবুর রহমান।"
অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ওনার জন্য ।
স্বাধীনতার চেতনায় জাগ্রত হোক সকল নাগরিক - স্বাধীকার আর অধিকারের শপথে বলিয়ান হয়ে। চলুন সকল মুসলিম অমুসলিম ও নওমুসলিম মিলে সুন্দর শান্তির একটি পৃথিবী গড়ি।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০২১ সকাল ১০:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




