
১। আসুন আজকের এই বিশেষ দিনে সকল ভেদাভেদ ভুলে সকলের সকলের পাওনা টাকা-পয়সা পরিশোধ করে দেই প্লিজ আর ঘুরাইস না ভাই-বুইন।
২। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতার ১০১ তম জন্ম বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
৩। মুজিব আমাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ঘটনা । তার মৃত্যুই তার শেষ ছিল না । বাংলাদেশের রাজনৈতিক জীবনে কিংবদন্তী হয়েই থাকবেন তিনি।
৪। ১০০ বছর আগে বাংলা অকুতোভয় বীরের জন্ম দিতে পেরেছিলো,এখন বাংলা নিঃস্ব হতে হতে কিছু দেশদ্রোহী, নীতিভ্রষ্ট,চাটুকার নপুংসকদের জন্ম দিয়ে গেলো ...
৫।

৬। এখনও বিভিন্ন অফিস আদালতে বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতার সম্পর্কিত কোন ইস্যু নিয়ে চলে হাসাহাসি। ব্যঙ্গ করে বলা হয়, "আব্বার জন্মদিন"। কতটা "প্রেশার" আর কতটা "ধারণ" করে করা?
৭। একদিনে এত শ্রদ্ধা আর ভালবাসা, প্রায় একই কথা, একই ছবি ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিযায়। হায় এই জাতি যেমন ভালবাসতে পারে তেমনি নিষ্ঠুরও হতে পারে, না হলে স্বাধীনতার চার বছরের মাথায় খুন করল যারা, তারাও ছিল ভালবাসারই মানুষ, খুব কাছের আপনজনের মত মানুষ।
৮। হাজার বছরের পরাধীন বাঙ্গালীর মুক্তিদাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো।
৯। বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডের পর এই হত্যার নিন্দা জানিয়ে এবং বিচার দাবি করে প্রথম যে গল্পটি প্রকাশিত হয় তার লেখক আবুল ফজল। ‘মৃতের আত্মহত্যা’ শীর্ষক গল্পটি সমকালে প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি ১৫ই আগস্ট নিয়ে আরো তিনটি গল্প লেখেন: ‘নিহত ঘুম’, ‘ইতিহাসের কণ্ঠস্বর’ ও ‘কান্না’। মুক্তিযুদ্ধের আগে বঙ্গবন্ধু এবং আবুল ফজলের মধ্যে পত্রবিনিময়ও হয়েছে।
১০। জনকের জন্মশতবার্ষিকিতে বিনম্র শ্রদ্ধা। ৫৬ হাজার বর্গমাইল এখন ৫৭ হাজার ৬০০ বর্গ মাইলে পৌছেছে মাইয়া।
১১। একটা বিষয় খেয়াল করলাম তা হলো অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ব্যানার দিচ্ছেন। তা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। তবে একটি বিষয় দেখে মর্মাহত হয়েছি।
তা হলো, ব্যানার গুলোতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি নিচে এবং উপরে স্থানীয় নেতাদের ছবি দেয়া হয়েছে! যদিও কেউ ইচ্ছে করে এমন করেছে বলে মনে হয়না। ভুলবশতই এমন হয়েছে বলে আমার ধারণা।
১২। বঙ্গবন্ধু তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে নিজের জন্ম ও পরিবার সম্বন্ধে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় বর্ণনা করেছেনঃ
"আমার জন্ম হয় ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। আমার ইউনিয়ন হল ফরিদপুর জেলার দক্ষিণ অঞ্চলের সর্বশেষ ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের পাশেই মধুমতী নদী। মধুমতী খুলনা ও ফরিদপুর জেলাকে ভাগ করে রেখেছে।
টুঙ্গিপাড়ার শেখ বংশের নাম কিছুটা এতদঞ্চলে পরিচিত। শেখ পরিবারকে একটা মধ্যবিত্ত পরিবার বলা যেতে পারে। বাড়ির বৃদ্ধ ও দেশের গণ্যমান্য লোকদের কাছ থেকে এই বংশের কিছু কিছু ঘটনা জানা যায়।
আমার জন্ম হয় এই টুঙ্গিপাড়া শেখ বংশে। শেখ বোরহানউদ্দিন নামে এক ধার্মিক পুরুষ এই বংশের গোড়াপত্তন করেছেন বহুদিন পূর্বে। শেখ বংশের যে একদিন সুদিন ছিল তার প্রমাণস্বরূপ মোগল আমলের ছোট ছোট ইটের দ্বারা তৈরি চকমিলান দালানগুলি আজও আমাদের বাড়ির শ্রীবৃদ্ধি করে আছে। বাড়ির চার ভিটায় চারটা দালান। বাড়ির ভিতরে প্রবেশের একটা মাত্র দরজা, যা আমরা ছোট সময় দেখেছি বিরাট একটা কাঠের কপাট দিয়ে বন্ধ করা যেত। একটা দালানে আমার এক দাদা থাকতেন। এক দালানে আমার এক মামা আজও কোনমতে দিন কাটাচ্ছেন। আর একটা দালান ভেঙ্গে পড়েছে, যেখানে বিষাক্ত সর্পকুল দয়া করে আশ্রয় নিয়েছে। এই সকল দালান চুনকাম করার ক্ষমতা আজ তাদের অনেকেরই নাই। এই বংশের অনেকেই এই বাড়ির চার পাশে টিনের ঘরে বাস করেন। আমি এই টিনের ঘরের এক ঘরেই জন্মগ্রহণ করি।"
১৩। শেখ মুজিবের জন্মদিনে এটাই চাওয়া- বাজার নিয়ন্ত্রন করুন। চাল ৭০ টাকা। তেল ১৪০ টাকা। আমাদের খেয়ে পড়ে বাঁচতে দিন। আল্লাহর দোহাই লাগে। দরকার নেই ব্রীজ, রাস্তা ঘাট, মেট্রোরেল। চাকরি দেন। শুধু পরিবার নিয়ে তিনবেলা খেয়ে বেঁচে থাকতে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




