
আজ থেকে বইমেলা শুরু হয়েছে।
শুনলাম অত্যাধিক ভিড় হয়েছে। গত ৪/৫ দিন ধরে দেখছি লোকজন সমানে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন- অমুক স্টলে আমার বই পাবেন। অমুক স্টলে আসবেন, আমাকে পাবেন। অমুক স্টলে আসবেন আড্ডা দেওয়া যাবে। চা খাওয়া যাবে। হেন-তেন অনেক কথা। কেন জানি মনে হচ্ছে, বইমেলা আমাদের একটা কঠিন ডলা দিবে। কাজেই সাবধান থাকতে হবে।
আমার অনুরোধ-
এবার দয়া করে কেউ বইমেলাতে আড্ডা দিতে যাবেন না। শুধু শুধু ভিড় বাড়াবেন না। আল্লাহর দোহাই লাগে। নিজে সুস্থ থাকুন। আমাদেরও সুস্থ থাকতে দিন। বই কিনে চলে আসবেন। আর কোনো কথা নাই। অবশ্য সমস্ত বই অনলাইনেও কেনার সুযোগ আছে। করোনা খুব খারাপ অসুখ রে ভাই।
যদিও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বইমেলায় প্রবেশ করতে হবে।
আজ আমাদের একজন নারী ব্লগার বইমেলায় গিয়েছেন। এক টিভি ক্যামেরায় তিনি একটা সাক্ষাৎকার পর্যন্ত দিয়েছেন। আমাদের ব্লগার রেজা ঘটক ভাই একজন বইমেলা পাগল মানুষ। প্রতি বছর তিনি বইমেলায় যান। মেলা নিয়ে লিখেন। এ বছরও নিশ্চয়ই লিখবেন। এই পোষ্ট এ তার'ই একটা ছবি ব্যবহার করেছি। অবশ্য তার অনুমতি নিয়ে নিয়েছি।
বুদ্ধিমান অনেকেই চিন্তিত।
বইমেলায় যাবেন কি, যাবেন না- এই নিয়ে। কেউ কেউ বলছেন, এ বছর বইমেলা না হলেই ভালো হতো। আমি এবছর বইমেলায় যাবো না। সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি। এবং এজন্য আমি মোটেও দুঃখিত না। আগে বাঁচতে হবে। আগে নিরাপত্তা। করোনা হয়ে গেলে কে আমাকে বাঁচাবে? তখন কি বইমেলা আমার খোঁজ খবর নেবে? চিকিৎসার জন্য টাকা দিবে?
ভালো একটা হাসপাতালে করোনা জন্য ভর্তি হলে-
কমপক্ষে তিন লাখ টাকার বেশী খরচ হয়। আমার শ্বশুর ভর্তি হয়েছিলো। সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশী খরচ হয়েছিলো। আমার নাই টাকা। সম্পূর্ন বিনা চিকিৎসায় মরতে হবে। তাতে কারো কিচ্ছু হবে না। কষ্ট হবে আমার বউ আর বাচ্চাদের। যাই হোক, সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। করোনা মুক্ত থাকুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




