
ছবিঃ আমার তোলা।
এই দেশের মানুষ নিয়ম না মানাটাই বাহাদুরী মনে করে।
ফ্যাশন মনে করে। এই দেশের মানুষ প্রচন্ড হৃদয়হীন। অমানবিক। ঘর থেকে বের হলেই মানুষগুলো কেমন অমানুষ হয়ে যায়। বদলে যায়। বাংলাদেশের মানুষ শত সহস্র বছর পূর্বেও ছিলো নষ্ট মনের মানুষ। এখনো নষ্ট মনের মানুষই রয়ে গেছে। এই দেশের মানুষের প্রিয় কাজ যাত্রা, গান, পুতুল নাচ, গীবত, ভ্যারাইটি শো, ফেসবুকিং লাম্পট্য, যেই সেলফোন দিয়ে ধর্ম প্রচার করে সেই সেলফোনে নষ্ট ভিডিও ক্লিপে সয়লাব। আর প্রচার করে বাপদের রাজনীতি প্রচার। মানুষের কাজ হল তারই মত আরেকজন মানুষকে সাহায্য করা। কিন্তু যখন মানুষ রুপের এই দোপেয়ে প্রাণী নিজের স্বার্থ নিয়ে মত্ত হয়ে ওঠে তখন তার কাজকর্ম হয়ে ওঠে পশুর ন্যায়।
যেই অমানুষ “মরতে হবে একদিন” কথাটি বলে সে কিন্তু নিজে মরতে চায় না।
সে অন্যকে মরতে প্ররোচনা দেয়। আমরা এই করোনার মধ্যেও আতশবাজি ফুটাতে পারি। ধূমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান করতে পারি। কক্সবাজার বান্ধবান ঘুরতে যেতে পারি। আমাদের কর্মকান্ড দেখে করোনা বিভ্রান্ত হয়ে গেছে। যাই হোক, আজ করোনা নিয়ে আলাপ করবো না। এলিয়ট একটি সাহিত্যের একটি যুগের প্রধান কবি, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ একটি জাতির সর্বযুগের প্রধান কবি। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তুলনা চলবে সব জাতির প্রধান কবিদের, এটা নিঃসংশয়ে বলা যায়ঃ গ্রিসের হোমার, ইয়ালির ভার্জিল এবং দান্তে, জা্র্মানির গ্যেটে, ইংরেজদের শেকসপিয়ার কিংবা ঔপন্যাসিক হলেও রাশিয়ার তলস্তয়ের সঙ্গে।
পৃথিবীতে যত ধর্ম আছে, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান। সব ধর্মেই বলা হয়েছে নারী শ্রেষ্ঠ, নারী অতুলনীয়, চির মহান। নারীকে সম্মান করো। ভালোবাসো।
মুসলিম ধর্ম মহান করেছে নারীকে, স্বর্গ পায়ের তলে দিয়ে।
হিন্দু ধর্ম মর্যাদা দিয়েছে, স্বরস্বতী, লক্ষীকে দেবী সাজিয়ে।
বৌদ্ধ ধর্মের শাশ্বত প্রেমের বাণীর কেন্দ্রবিন্দুতে বসে আছে নারী।
খ্রিষ্টান ধর্মেও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণায়, পরিচয় পেয়েছে যিশুর মাতা মেরী।
সকল ধর্মেই দিয়েছে নারীর সম্মান, যদিও আমরা দেই ধর্মের দোহাই।
কবি গুরুর একটি কথা খুব মনে পড়ছে-
‘বাতাস যখন বহে তখন পালের জাহাজ হুহু করিয়া দুই দিনের রাস্তা এক দিনে চলিয়া যাইবে, এ কথা বলিতে সময় লাগে না; কিন্তু, কাগজের নৌকাটা এলোমেলো ঘুরিতে থাকিবে কি ডুবিয়া যাইবে, বা কী হইবে তাহা বলা যায় না—যাহার বিশেষ কোনো- একটা বন্দর নাই তাহার অতীতই বা কী আর ভবিষ্যৎই বা কী। সে কিসের জন্য প্রতীক্ষা করিবে, কিসের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করিবে। তাহার আশা তো প্রমানযন্ত্রে দুরাশার উচ্চতম রেখা অন্য দেশের নৈরাশ্যরেখার কাছাকাছি।’
বল্টু: জানিস সুমন, পৃথিবী দিন দিন মেধাশূন্য হয়ে পড়ছে।
সুমন: কিভাবে?
বল্টু: এই ধর এরিস্টটল মারা গেলো, নিউটন গত হয়েছে, আইনস্টাইন মরে ভূত হয়ে গেল, স্টিফেন হকিং-এর স্বাস্থ্যও খারাপ, আমার শরীরটাও বেশি ভালো ঠেকছে না কয়েকদিন ধরে…
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




