
বাংলাদেশের সব মানুষ করোনা ঝুঁকির মাঝে আছে।
বিশেষ করে ঢাকা শহরের মানুষ। দেশের সরকার যদি এতটা করিতকর্মা হত তবে জনগণকে এতো উৎকণ্ঠায় থাকতে হত না। ঢাকা শহরের মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে কোনো চিন্তা নাই। তারা বিন্দাস আছে। খাচ্ছে। ঘুরে বেড়াচ্ছে। শপিং করছে। চারিদিকে মানুষের ভিড়। কোথাও নিরিবিলি নেই। সবচেয়ে বড় কথা অনেকে মাস্ক পড়াই ছেড়ে দিয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত ১৮ জন। নতুন আক্রান্ত ৩৫১২ জন। শীতকালে সংক্রমণ তেমন না বাড়ার কারণে সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ও অংশগ্রহণ, এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিষয়ে উদাসীনতা ছিল পুরো দেশ জুড়েই।
করোনা'য় সবাই মরে যাবে বিষয়টা তেমন না।
ডেটা বলে বৃদ্ধদের ঝুঁকি অনেক বেশী। তাছাড়া আমাদের দেশ ঘনবসতির দেশ। খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা এখানে প্রবল। এবং সেক্ষেত্রে মৃত্যুর হারও বাড়তে থাকবে। এবং এক শ্রেণীর মানুষ খুবই আনপ্রটেক্টেড অবস্থায় আছে। এই সংকটকে তাই হালকা করে দেখার কোন সুযোগ নেই। অনেক মানুষকে বলতে শুনেছি, মরতে তো হবেই। কাজেই করোনাকে ভয় পেয়ে লাভ কি? আল্লাহ যেভাবে মৃত্যু রেখেছে সেভাবেই মৃত্যু হবে। তারা হাল ছেড়ে দিয়েছে।
সবাই ঘরে থাকুন।
খুব প্রয়োজন না হলে ঘর থেকে বের হওয়ার দরকার নাই। সরকার কাজ করে, কাজের থেকে চুরি করে বেশি। জামাতের ইডিয়ট গুলো সাপের মতো, সুযোগ পেলে ছোবল মারে। দেশটা আল্লাহ চালিয়ে নিচ্ছেন, এটা একটা কথার কথা। মানুষ দু্ঃখবোধ থেকে এটা বলে। কোন নির্দিষ্ট একটা দেশ যে আল্লাহ দায়িত্ব নিয়ে চালাবেন না, এটা সবাই বোঝে। মানব সভ্যতা এতো বড়ো চ্যালেঞ্জ এর সামনে কখনও আসেনি। সতর্কতা এবং সচেতনতা একমাত্র আমাদের রক্ষা করতে পারবে।
মানুষ সাবধান হও।
কাল্পনিক দোজখের ভয় যত না মানুষকে আতংকিত করতে পারে, তার চেয়ে বাস্তব মৃত্যুর ভয়, রোগশোক, বালা- মসিবত, দূর্ঘটনার ভয় মানুষকে অনেক অনেক বেশি আতংকিত করে। প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের বেশীরভাগ মানুষ অসৎ। মানুষ এরকম লাগামছাড়া হলে সংক্রমণ মারত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এখন পর্যন্ত সরকারী হিসাবে করোনায় মোট ৮৭৩৮ জন মারা গেছে। আক্রান্ত প্রায় ছয় লাখ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। তার মানে হচ্ছে মহামারি এখনো শেষ হয়নি।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৫:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




