
১। বিভূতিভূষণষ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন-
বাংলাদেশের সাহিত্যের উপাদান বাংলার নর-নারী; তাদের সুঃখ-দারিদ্র্যময় জীবন, তাদের আশা-নিরাশা, হাসি-কান্না-পুলক-বহির্জগতের সঙ্গে তাদের রচিত ক্ষুদ্রজগৎ গুলির ঘাত-প্রতিঘাত, বাংলার ঋতুচক্র, বাংলার সকাল সন্ধ্যা-সকাল, আকাশ বাতাস, ফলফুল। বাঁশ বনের, আম বাগানের নিভৃত ছায়ায় ঝরা সজনে ফুল বিছানো পথের ধারে যে সব জীবন অখ্যাতির আড়ালে আত্নগোপন করে আছে-তাদের কথাই বলতে হবে, তাদের সে গোপন সুখ-দুঃখকে রূপ দিতে হবে।
২। হাঁটুন মন খুলে। মানসিক চাপ কমাতে হাঁটার থেকে ভালো পদ্ধতি খুব কমই আছে। যারা নিয়মিত মন থেকে হাঁটতে পারে তাদের ব্লাডপ্রেশারও নিয়ন্ত্রিত থাকে। আমার যখন খুব মন খারাপ থাকে- তখন রাস্তায় এলোমেলো ভাবে বেশ কিছুক্ষন হাঁটলেই মন খারাপ ভাবটা কমে যায়। ঢাকা শহরের চারপাশ দেকতে দেখতে হাঁটতে ভালো লাগে।
৩। এই কয়দিন কি তান্ডবই না চালাল। দেড় দশক আগেও এইসব অপশক্তির বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবিরা বিবৃতি দিত। এখন এরা কোথায়?
৪। একটা গোষ্ঠী ভয় পাচ্ছে Corona না হয়ে যায়, আরেকটা গোষ্ঠী ভয় পাচ্ছে Lockdown না হয়ে যায়। দুটো গোষ্ঠীই আসলে জীবনের দাবীকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
৫। আওয়ামিলীগ সরকার আর কৃষকদলের জন্য নাই। আওয়ামিলীগ সরকার হইল সরকারি চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, চাটুকার, আমলা, ব্যাংকার, বড়লোকদের জন্য। বাস ভাড়া বাড়ানো হইছে। বাসে কারা যায় এখন? যায় হল, বেসরকারি চাকুরিজীবী রা। বেসরকারি চাকরিতে কি ঠিকমত বেতন দিচ্ছে? নাকি তাদের বেতন বাড়াইছে? সরকারের ভুল সিদ্ধান্তগুলো গত বছরের এই সময়েই শুরু হইছিল। এ বছরও সেইম কাজই করল।
৬। সুপ্ত অহংবোধ কাউকে লেখক হতে দেয় না। অহংকারী মানুষ লেখক হতে পারে না। লেখালেখির পূর্বশর্ত হচ্ছে নিজ অহংবোধ ঝেড়ে ফেলা। অহংকারী মানুষ নিজেকে ভুলতে পারে না। তার কাছে লেখালেখির উদ্দেশ্য মূল্যহীন, তার বক্তব্য গুরুত্বহীন, তার কাছে লেখক হওয়ার অর্থ নিজেকে জাহির করা।
৭। দেশের কথা বলা যেহেতু বিপদ বিদেশের কথাই বলি।
মিয়ানমার। আমাদের পাশের যে অসভ্য দেশটির ধারাবাহিক খুন, নির্যাতন, ধর্ষণ আর পাশবিকতার সর্বনিন্ম অবস্থায় না পেরে আমাদের দেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী হিজরত করতে বাধ্য হয়েছে গত ৩ দশক ধরে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে হিজরতে বাধ্য করেছে সে দেশের সামরিক জান্তা। সে জান্তার বিপক্ষে কখনো কোনদিন একটা চিল শকুনও উড়ার সাহস পায় নি। অথচ সে মিয়ানমারে নিজেদের পছন্দের শাসকের ইচ্ছায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিচ্ছে। এবং সারা পৃথিবীর সামনে সামরিক জান্তা প্রকাশ্য জান নিচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত এই জান্তা ক্ষমতায় আছে ততদিন এই গণতন্ত্রকামী প্রাণ উৎসর্গ করা জনগণ "বিপদগামী সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসবাদ" আর যদি জনগণের জয় হয় তবে তারা "বিপ্লবী অথবা মুক্তিকামী"।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




