
১। এটি তার অপরাধ নয়, ঠিক আছে। কিন্তু সারা বছর পর্দা-পর্দা করে গলা ফাটিয়ে এখন অন্য নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে যান কীভাবে? মূলত এজন্যই এগুলো শেয়ার হয়েছে।
২। এই লোকটা তো এক নম্বরের বদমাইশ! দিন রাত উস্কানিমূলক ওয়াজ দেয়! তবে যেহেতু ধর্মের পথে আছে, তাই সাতখুন মাফ!
৩। মেয়েটি যদি সত্যি মামুনুল হকের স্ত্রী হতেন, রুম থেকে বেরিয়ে তিনি উল্টো লোকজনের ওপর চড়াও হতেন। বলতেন, আমরা স্বামী-স্ত্রী যেখানে খুশি বেড়াতে যাব, তোমরা জিজ্ঞেস করার কে? মামুনুলও এই কথা জোর দিয়ে বলতে পারলেন না। কীভাবে পারবেন? ভেতরে তো তিনি দুর্বল, নিজের কাছে তো তিনি অপরাধী। সে কারণেই প্রথমে তিনি পালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারলেন না। লোকজন টেনে-হিঁচড়ে তার জামার বোতাম খুলে ফেলল, তাকে আটকে ফেলল। জিজ্ঞাসাবাদ করল।
৪। ১৭ জনের রক্তের দাগ এখনো মুছেনি, আর এসময় মামুনুল হকের বিনোদন!
৫। সে কার সাথে সময় কাটালো, এটা ম্যাটার না। ম্যাটার এটাই- সে একজন অযোগ্য নেতা, যার বুকে শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত ভক্তদের জন্য কোন সমবেদনা ও দায়িত্ববোধ নেই।
৬। হুজুরদেরকে বান্ধবী নিয়ে বিনা বাধায় হোটেলে যেতে দিন। তবুও মাদ্রাসায় আর একটি শিশুও যেনো ধর্ষিত না হয়।
৭। মামুন সাহেবকে শুরুতে একটু নার্ভাস দেখালেও মুহুর্তে ইউটার্ন নিয়ে কঠিন হুংকার দিয়েছেন। যদি এই মহিলা স্ত্রী না হত তাইলে এমন সৎ সাহস দেখানো সম্ভব ছিলনা। এত জানোয়ারের মধ্যেখানে দাড়িয়ে কঠিন ভাষায় মামুনুল হকের হুংকার ছিল বাঘের গর্জনের মত।
৯। সিরাজ সিকদারের কথা মনে পড়ে গেল। সিরাজের চেয়ে বড় বিপ্লবী সম্ভবত বাংলাদেশে আর কখনো জন্ম হবে না।
ইতিহাস বলছে, সিরাজের মৃত্যু তরান্বিত হয়েছিল অতি নারী প্রীতির কারণে।
১০। জাপানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোনো মসজিদ নেই, রাত জেগে ওয়াজ নেই, নসিহত নেই, ধর্মীয় স্কলার নেই, মাজার নেই, ওরশ নেই, পীর নেই, মুরিদ নেই, কুতুব নেই, আবদাল নেই, তাবলীগ নেই, আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি বলেও কোনো কিছুই নেই। এগুলো ছাড়াই জাপান একটা সুশৃঙখল জাতি।
১১। রয়েল রিসোর্ট থেকে বাইচা গেলেও, ঘরের বৌয়ের খুন্তির ছ্যাকা থেইকা বাঁচবে কেম্নে??
১২। এইসব বৌ'রা পুরুষদের চৌদ্দ বিবাহকেও সমর্থন করবে।তারা জান্নাতের আশায় স্বামীর সকল অপকর্মকেই সহি ভাবে।
১৩। জিহাদের ময়দানেই যেখানে সবাই স্ত্রীদের নিয়ে যেতেন। দিনের লড়াই শেষে প্রদোষে স্ত্রী মিলনে লিপ্ত হতেন সেখানে আন্দোলনের এক সপ্তাহ পর গেলে জিহাদের তেজ কমে যায়?
১৪। নিরাপদ রিসোর্ট চাই!
১৫। দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক নরনারীর একান্ত ব্যক্তিগত যৌনজীবনে হস্তক্ষেপের অধিকার সরকার বা জনগণ কারও নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




