somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আহারে....

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একটা মা জিরাফ যখন বাচ্চা প্রসব করে, তখন শিশু-জিরাফটি অনেক উঁচু থেকে মাটিতে এসে পড়ে, কারন জিরাফ অনেক লম্বা প্রানী। বেচারা শিশু-জিরাফটি তখন বুঝতে পারে না কোথা থেকে কোথায় এসে পরল। ঠিক সেই সময় মা-জিরাফ শিশু-জিরাফের কাছে এসে দাঁড়ায় এবং সদ্য প্রসূত শিশু-জিরাফটিকে আঁচমকা নির্মমভাবে জোরে লাথি মেরে দূরে ফেলে দেয়।

বেচারা শিশু জিরাফটি কিছুই বুঝে উঠতে পারে না।
কেবল অসহায় হয়ে তার ব্যাথা পাওয়ার অনুভূতি হয় ও কষ্ট পেতে থাকে। মা-জিরাফ আবার শিশু-জিরাফের কাছে এসে দাঁড়ায় এবং আরও জোরে লাথি মারে। শিশু-জিরাফ এবার বুঝতে পারে, আমি যদি কিছু না করি তবে আবার লাথি খাবো। সেই মুহূর্তে দূর্বল শরীর আর পা নিয়ে শুধুমাত্র উঠে দাড়াবার চেষ্টা করে।

মা-জিরাফ আবার শিশু-জিরাফের কাছে এসে দাঁড়ায় এবং আরও জোরে লাথি মেরে দূরে ফেলে দেয়। শিশু-জিরাফ বুঝতে পারে আমি যদি ছুটে পালাতে না পারি তবে লাথির পর লাথি খেয়েই যেতে হবে। ঠিক তখনই শিশু-জিরাফ সমস্ত শক্তি নিয়ে ছুটে পালায়। এবার কিন্তু মা-জিরাফ শিশু-জিরাফের কাছে এসে দাঁড়ায় এবং আদর করে, চুমু খায়, গলায় গলা মিলায়।

আসলে মা-জিরাফ জানে যে, জঙ্গলে অনেক হিংস্র ও ক্ষুধার্ত পশু রয়েছে। ওরা শিশু প্রানীর মাংস ভীষন পছন্দ করে। মা-জিরাফ এটাও জানে আমি সব সময় শিশু-জিরাফের সাথে সাথে থাকতে পারবো না। যখন জীবন ধারনের তাগিদে বাইরে যাবো তখন কে শিশু-জিরাফকে সুরক্ষা দেবে? তাই বাচ্চা প্রসব করার সাথে সাথে মা-জিরাফ-
১ম বার লাথি মারে: যেন সে উঠে দাঁড়াতে শেখে।
২য় বার লাথি মারে: যেন সে উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
৩য় বার লাথি মারে: যেন সে দৌড়ে পালাতে শেখে।

আমাদেরকেও জীবনে এরকম বেঁচে থাকার লড়াইয়ে সবাইকে অংশ নিতে হয়। হয়ত আমরা আঘাত পাই, ধপাস করে মুখ ধুবড়ে পড়ি, কখনো কখনো পরাজিতও হই। তখন শিশু-জিরাফের এই গল্পটা মনে করবো। তাই যখনই জীবনে সমস্যা আসবে, যত বারই লড়াইয়ে আহত হয়ে মুখ থুবড়ে পড়বেন, ঠিক এই অসহায় শিশু-জিরাফের মত তখনিঃ উঠতে শিখুন।

♦ উঠে দাড়িয়ে থাকতে শিখুন।
♦ দাঁড়িয়ে থেকে দৌড়াতে শিখুন।
যখনই এরকম করতে পারবেন, সফলতা আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসতে বাধ্য। মনে রাখবেন, সফলতার সবচেয়ে বড় শত্রু হলো নিরাশা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:০৮
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×