
সৃষ্টিকর্তা তাঁর সৃষ্টিকে ধ্বংস করেন না।
তাকে নবরূপে পরিশুদ্ধ করার সুযোগ তৈরী করে দেন মাত্র। গুনাহ করা মানুষের স্বভাব। মাফ করা আল্লাহর বৈশিষ্ট্য। তবে অতি ধার্মিকতা আসলেই একটা আসক্তি। এরা যে ধরনের আচরন করে তা আসলে ধর্মেও নাই। ধার্মিকদের কর্মকান্ড দেখলে মনে হয় তারাই ইসলামের বড় শত্রু। ধার্মিকেরা প্রায়ই তাদের গন্ডির বাইরে এসে পড়ে। এটা ঠিক না।
আমি হুজুরদের ভয় পাই।
আমি ধার্মিকদের ভয় পাই। কোন কিছু সঠিকভাবে শেখার সামর্থ যাদের নেই, তাদের ধারণা গুলো লজিকবিহীন হয়। ধর্মকে কাজে লাগিয়ে উপকৃত হয়েছে শুধু ইহুদী জাতি। এখন ধর্মের কারণে বাকী সব জাতিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দিনকে দিন অতি ধর্মীয়রা বিরক্তিকর হয়ে উঠছে। আমাদের দেশে কামাল পাশার মতো একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ লোক দরকার, যিনি মাদ্রাসা তুলে দিয়ে, সবাইকে স্কুলে পড়ার ব্যবস্হা করে দিবেন। অনেক আগে মায়া ধর্ম নামে একটা ধর্ম ছিলো। তাদের একটা কিতাবও ছিলো।
ধর্ম কি পেরেছে করোনা থেকে বাঁচাতে?
কোনোদিন পারবেও না। করোনা তো মসজিদে ঢোকাই বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বে অনেক মানুষ টিকা ও ঔষধের জন্য কাজ করছে, বাকীরা সেগুলোর জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রকৃতিতে গজব, রহমত বলতে কিছু নেই। যেই জ্ঞান করোনার ঔষধ তৈরির জন্য দরকার তা ধর্মে নেই, তা আছে মাইক্রোবাইলোজী, ফিলিওলোজী, প্যথোলোজী, মেডিসিন, বাইওকেমেষ্ট্রী ও এনাটোমিতে। সঠিক সময়ে সঠিক বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপ না নিলে কেবল মাত্র প্রার্থনা করে কোনো কাজই হবে না। কোরআন, হাদিসে করোনার নিরাময় নেই।
দেশে লকডাউন চলছে।
এই করোনায় পৃথিবীর প্রায় সব দেশ'ই লকডাউন দিয়েছে। লকডাউনের জন্য কেউ না খেয়ে মরবে না আজকের আধুনিক পৃথিবীতে। সব জাতির হাতে প্রয়োজনের বেশী সম্পদ আছে। আমেরিকা ও কানাডার কাছে ৪/৫ বছরের খাবার মজুদ আছে। মোদী বা শেখ হাসিনারা সম্পদের সঠিক ডিষ্ট্রিভিউশন করতে পারবে না। তাদের কাছে দক্ষ, দায়িত্বশীল, কর্মঠ ও সৎ মানুষ নেই। অর্মত্য সেন গবেষণায় দেখিয়েছেন, খাদ্য দ্রব্যের অভাবে নয়, বন্টনের দূর্বলতায়, দূনীর্তির কারনে দূর্ভিক্ষ হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




