
পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত কিছু না-কিছু ঘটনা ঘটছে, যা মনে রাখার মতো।
আবার কিছু ঘটনা ঘটছে, যা মনে রাখার কোন প্রয়োজন নেই। মনে রাখার মতো ঘটনাসমূহ সকলকে জানানোর জন্য মিডিয়ার বিভিন্ন মাধ্যম তা ফলাও করে প্রচার করে থাকে। মিডিয়ার এমনি একটি মাধ্যম হচ্ছে সংবাদপত্র, যার সাথে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। আনন্দবাজার পত্রিকা বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি ভারতীয় দৈনিক পত্রিকা। কলকাতার আনন্দ পাবলিশার্স এর প্রকাশক। প্রকাশ-সংখ্যার ভিত্তিতে এটি ভারতে বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় দৈনিক।
কলকাতা, নয়া দিল্লী ও ভারতের অন্যান্য শহরে নিয়মিত এটি দশ লক্ষেরও অধিক সংখ্যায় প্রচারিত হয়। ইন্ডিয়ান রিডারসিপ সার্ভে অনুসারে পত্রিকাটি ১৫৬ লাখ মানুষ পাঠ করেন। পত্রিকাটির একটি জনপ্রিয় ওয়েব সংস্করণ আছে। কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা শুধু পত্রিকা মাত্র নয়, একটি ইনস্টিটিউশন। কালের সাক্ষী। আনন্দবাজার গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স থেকে ইংরেজি দৈনিক টেলিগ্রাফ ছাড়াও দেশ, সানন্দা, আনন্দলোকসহ বেশ কয়েকটি সাময়িকী প্রকাশিত হচ্ছে। সবগুলোই পাঠকপ্রিয়। আনন্দবাজার কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির পক্ষে-বিপক্ষে নয়।
১৯২২ সালে সান্ধ্য দৈনিক হিসেবে মাত্র ৪ পৃষ্ঠায় যে পত্রিকার যাত্রা শুরু।
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ তিনটি জায়গা থেকে পত্রিকাটি প্রকাশ হয়। এখন সার্কুলেশন ১৪ লাখ। দেশ-এ বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্যের প্রতিফলন তেমন ঘটছে না। এটা দুঃখজনক। কুলি ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে অমিতাভ বচ্চন গুরুতর আহত হয়েছিলেন। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি তখন। পরপর আনন্দবাজার পত্রিকার লিড হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। বানান রীতি এবং ভাষারীতি নিয়ে আনন্দবাজার নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। আনন্দবাজার পত্রিকায় মন্ত্রীদের বক্তৃতা খুব একটা ছাপা হয় না। প্রেস রিলিজ ছাপার তো প্রশ্নই আসে না। স্বাধীনতা দিবস কিংবা রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীসহ বিভিন্ন বিশেষ দিবসে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশের মতো আবেগ দিয়ে সবকিছু দেখে না। টাকার জন্য দুষ্টলোকদের চাটুকারিতা করে না।
দেশ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় সাহিত্য সাময়িকী।
১৯৩৩ সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে। সাগরময় ঘোষের পরে বর্তমানে হর্ষ দত্ত মহাশয় এখন সম্পাদক। দেশে লেখা ছাপা হলে তা খুব গর্বের ব্যাপার বলে মেনে নেওয়া হয়। দেশ এখন সাহিত্য ছাড়া রাজনীতি, খেলা, আজকাল, বাংলার হালচাল, সিনেমা, থিয়েটার, কারেন্ট বিষয় সব নিয়ে ছাপা হচ্ছে।
আনন্দবাজার পাবলিকেসন্স লিমিটেডের দেয়া পুরস্কার তাই ইলিয়াস সচেতনভাবেই গ্রহণ করতে চাননি। অবশ্য পরে চিকিত্সা খরচের কথা ভেবে, পুরস্কার কমিটির সদস্য ড. আনিসুজ্জামানসহ বন্ধু-বান্ধবদের অনুরোধে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস শুধু বাংলাদেশের কথাসাহিত্যেই নয়, সমগ্র বাংলা সাহিত্যেরই একজন অগ্রগণ্য কথাসাহিত্যিক। তিনি কখনোই লেখার সংখ্যা বৃদ্ধিতে মনোযোগী ছিলেন না। দেশ পত্রিকার বেশ কয়েকটা সংখ্যা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হইছিল।
কলকাতার দেশ পত্রিকায়- একটি উপন্যাসের সমালোচনা ছাপা হয়েছে।
সমালোচক বলছেন, এই উপন্যাসের লেখক বিভূতিভূষণ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি। উপন্যাসটির নাম ‘নূরজাহান’। লেখকের নাম ইমদাদুল হক মিলন। আনন্দ পুরস্কার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আনন্দ প্রকাশনা গ্রুপ কর্তৃক প্রদত্ত একটি সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৫৮- বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়, ১৯৮৬ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং ২০০৮ - হাসান আজিজুল হক- আগুনপাখি (উপন্যাস) আনন্দ পুরস্কার পান।
আনন্দবাজার পত্রিকা দেশের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে নির্ভীক ও আপোসহীন মনোভাব নিয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিতে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল। ১৯৫৪ সালে প্রেস কমিশন আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেশের একক সংস্করণের সর্বাধিক প্রচারিত সংবাদপত্র হিসাবে ঘোষণা করে। প্রতিদিন সকালে প্রায় ৭০ লক্ষ শিক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক বাঙালি আনন্দবাজার পত্রিকা পড়েন। সত্যি বলতে কি, পশ্চিমবঙ্গে প্রতি দু’জন সংবাদপত্র পাঠকের মধ্যে একজন আনন্দবাজার পত্রিকার পাঠক।
কলকাতায় আমাদের একটা বাড়ি আছে।
বৈঠকখানা রোডে। হাওড়ার কাছেই। অবশ্য বাড়িটা এখন আমাদের দখলে নেই। মামলা চলছে। আমি দুই বছর আগে গিয়েছিলাম। কলকাতার বাড়িটা দেখে এসেছিলাম। যাই হোক, আমি আনন্দবাজার পত্রিকা আর 'দেশ' এর অফিসে গিয়েছিলাম। দেখে ভালো লেগেছে। করোনার মুক্ত হলেও আবারও যাব।
বাংলা সাহিত্যে আমার পড়া সবচেয়ে প্রিয় বইঃ দত্তা
আর বিশ্বসাহিত্যেঃ ফার্মার বয়- লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডার এর লেখা।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০২১ বিকাল ৫:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


