
ছবিঃ আমার তোলা।
মানুষের কোনো গন্তব্য নেই, শুধু গতি আছে।
সে কোথায় চলেছে তা সে নিজেই জানে না। আমি খুব ভীতু মানুষ। কিন্তু কারো সাহস দেখলে আমার ভীষন ভাল লাগে। ভীতু আর দুর্বলদের একটা অসুবিধে আছে, তারা কোনো ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাদের দিয়ে যে যা খুশি করিয়ে নিতে পারে। অবশ্য রবীন্দ্রনাথ বলেছেন- 'ওরে ভীরু, তোর ওপরে নেই ভুবনের ভার।
দারিদ্যের সবচেয়ে বড় দোষ হলো-
দারিদ্যে মানুষের নৈতিক চরিত্রটা বদলে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, পচে যায়। কিন্তু নজরুল লিখেছেন, 'হে দারিদ্র, তুমি মোরে করেছো মহান'। এটা একেবারে ফালতু কথা। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর দিবারাত্রির কাব্য অনেকেরই পড়া। তারই বিশেষ একটা লাইন পড়ে মনে হয়েছিল - প্রচণ্ড বৃষ্টির এ রকম তুলনা কি করে কেউ ভাবতে পারে? চিন্তাই করতে পারি না! মালতির খুব সরল মনের মেয়ে আনন্দ! আনন্দ সমুদ্রে প্রবল বৃষ্টি দেখে বলেছিল 'কি বৃষ্টি নেমেছে! সমুদ্রটা পর্যন্ত ভিজে যাবে' । যে সমুদ্র সীমাহীন জলের আধার - সেটা ভিজে যাবে!
আমার একটা অভ্যাস আছে-
কিছু দিন পরপর একটা কবিতা লেখা। অথচ আমি কবিতা লিখতে জানি না। একেবারেই জানি। তবুও দশ বারো লাইন কিছু একটা লিখি। ছন্নছাড়া টাইপ। এলোমেলো এবং ভয়ঙ্কর অগোছালো। এটা আমার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। কবিতা লেখা হয়ে গেলে দারুন আনন্দ পাই। খুশিতে নাচতে ইচ্ছা করে। সামুতে দয়া করে দুই একজন আমার লেখা কবিতা পড়ে, মন্তব্য করে। তখন তো খুশিতে চোখে পানি এসে পড়ে। যাই হোক, একখান কবিতা দিলাম। পড়ুন।
মৃত্যু খুব দূরে নয়, এ অনুভূতি জাগে প্রানে
মৃত্যু মানেই যেন পরম শান্তি হয়তোবা
মৃত্যুর অভিজ্ঞতা কারো'ই থাকে না, অথচ
জানালার পাশে মৃত্যু কি অপেক্ষা করে নেই?
মৃত্যু কি জানে, আমি তার অপেক্ষায় দীর্ঘদিন
মাটির গভীরে কিংবা নক্ষত্রের আলোর রহস্য
মৃত্যুর রহস্য তারচেয়ে বেশি নয়, অনুভব করি
একটি লাল গোলাপের চেয়ে মৃত্যু বড্ড হালকা
ভয় কি, মৃত্যু আসলে আনন্দময় এক লম্বা ভ্রমণ।
কবরে যাওয়ার পরই হবে আমার আসল মুক্তি
গাঢ় অন্ধকার থেকে আলোতে যাওয়ার আনন্দ
নীলা আহাজারি করো না, ফেলো না চোখের জল
দেখো, আকাশ কালো করে নামবে ঝুম ঝুম বৃষ্টি
জোছনায় ভরে যাবে তোমাদের সমস্ত শহর
কিচ্ছু ভেবো না, আমি বেশ ভালো থাকবো।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


