somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

বাংলাদেশ সমাজ বিজ্ঞানচর্চায় পিছিয়ে আছে

২৫ শে আগস্ট, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমাদের চন্দ্র অভিযানের দরকার নেই, দরকার নেই আমাদের স্ট্যাটালাইটের।
জনগণের জীবনের মান উন্নয়ন করাই সবচেয়ে বেশি জরুরী তবে! আমাদের বিজ্ঞানীরাও কম যায় না। তারা গরুর মাংসে ও হাড্ডিতে আল্লাহর নাম আবিস্কার করে। চাঁদে সাইদিকে দেখে। আমাদের দেশের লোকজনের জ্ঞান কম। তাঁরা জানে না বিশ্ব কোথায় চলে গেছে। তাঁরা ব্যস্ত মসজিদ আর মাদ্রাসা নির্মানে। আমাদের দেশের লোকদের অধঃপতনের প্রধান কারন দেশপ্রেম নেই। ৭১ দেশপ্রেম ছিলো। কিন্তু ৭৫ শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্যে দিয়ে দেশপ্রেম বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন শুধু লোকে ধান্ধা খোজে। দালালি আর চাটুকারিতা করে মনুষ্যত্ব শেষ। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫২ বছর, অথচ আমরা সব কিছুতেই পিছিয়ে আছি।

যারা দেশে রাজনীতি করেন তাদের মধ্যেও দেশপ্রেম নেই।
তাঁরা রাজনীতিতে নামে লুটপাট করার জন্য। ক্ষমতার জন্য। আমরা দরিদ্র ও অসহায় এক দেশের মানুষ। আমরা শুধু পারি- যে দল ক্ষমতায় থাকবে তাদের নিয়ে তেলামি টাইপ বই লিখতে। শেখ মুজিব, শেখ রাসেল এবং শেখ হাসিনা। একজন একটা বই লিখেছিলেন- 'শেখ হাসিনার ধর্ম চিন্তা'। বই লিখে উনি লাভবান হতে পারেন নাই। উনাকে জেলে যেতে হয়েছিলো। যে করেই হোক এমপি হতে হবে। ছাত্রলীগ করতে হবে। দেশ জাহান্নামে যাক, সীমাহীন টাকার মালিক হতে হবে। তাহলে লোকে এসে পা চাটবে, হাত কচলাবে। মূলত মানুষের মন্দের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। মানুষ এখন হাসিমুখে মন্দ কাজ করে। পরকালের ভয় মানুষের নেই। এত এত মসজিদ চারিদিকে, অথচ মসজিদ গুলো মানুষকে সঠিক পথে আনতে পারছে না।

আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর নীচু মানের শিক্ষা জতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
পড়ালেখার খরচ অনেক বেড়েছে। তাই দরিদ্র পরিবার গুলো তাদের ছেলেমেয়েকে মাদ্রাসায় দিচ্ছে। সরকারের উচিৎ পড়ালেখা সম্পূর্ন ফ্রি করে দেওয়া। শেখ মুজিব পারতেন পড়ালেখা সম্পূর্ন ফ্রি করে দিতে আর ছাত্রলীগকে রাজনীতি থেকে সম্পূর্ন অফ করে দিতে। তাহলে দেশের মঙ্গল হতো। মহাকাশে রকেট পাঠানোর চেয়ে আমাদের জন্য বেশি জরুরী শিক্ষার মান উন্নত করা, দূর্নীতি দূর করা, চাকরি সৃষ্টি করা, কৃষিতে মনোযোগ দেওয়া। যে জাতির সবাই মিলে একটা নির্বাচন ব্যবস্থা ঠিক করতে পারে না তারা যাবে চাঁদে? নবী যেমন চাঁদকে দুই খন্ড করেছিলো জাতি আজ দুই খন্ডে বিভক্ত। চাঁদে যাওয়া তো দূরের কথা গাড়ি তৈরি করার ক্ষমতাও আমাদের নেই।

সায়েন্স, টেকনোলোজী, অর্থনীতি, দেশ, জাতি নিয়ে আমাদের যা জ্ঞান, চাঁদে যাওয়া হবে না।
নো নেভার। বিজ্ঞান, গণতন্ত্র প্রেকটিস করার মতো সৎ ও জ্ঞানী মানুষ বাংলাদেশে কম। শেখ হাসিনা সহ পুরো রাজনীতিবিদরা ভুল করলে পুরো জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশ নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারছে না। ধনী দেশগুলোর বৈঠকে বৈঠকে ঘুরে লাভ হবে না। অন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতি থেকে লাভবান হতে হলে নিজের কিছু থাকতে হবে। জাপান, পশ্চিম জার্মানী, দ: কোরিয়া, ইসরায়েল, ভিয়েতনাম, ইত্যাদি দেশ নিজ পায়ে দাঁড়িয়েছে আমেরিকান সাহায্য পেয়ে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান আমেরিকান সাহায্য পেয়ে পঙ্গু হয়ে গেছে। ৫২ বছরেও জাতি তেমন কিছুই করতে পারেনি। কিন্তু অন্যান্য দেশ পেরেছে।

যেই জাতি নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারেনি ৫২ বছরে, তাকে ধনী জাতিরা কি দরকারে তাদের ডাকবে?
আওয়ামী লীগে কোন সঠিক রাজনীতিবিদ নেই, যার কাছে থেকে শেখ হাসিনার কোন পদক্ষেপ সম্পর্কে কোন আভাস পাওয়া যাবে। শেখ হাসিনার পৃথিবীটার শুরু ১৯৭৫ সালের হত্যাকান্ড থেকে, উনার সব ভাবনায় সেটা কাজ করছে। উনি দুর্নীতি, সিন্ডিকেট সবই বুঝেন। কিন্তু উনার একটা ভুল ধারণা আছে, সব আওয়ামী কর্মীর হাতে টাকা পয়সা থাকতে হবে। না'হয় এরা বিএনপি জামাতের টাকার সাথে পেরে উঠবে না। কিন্তু এতে যে, উনার দলই চোর ডাকাতের দলে পরিণত হচ্ছে, সেটার খবর নেই। রাজনীতি করে সন্মান অর্জন করেছিলেন শেরে বাংলা ও মওলানা ভাসানী। বিএনপি'তে সঠিক রাজনীতিবিদ নেই। ওরা মানুষকে বুঝে না, মানুষের জন্য কোন কথা ওদের মুখ দিয়ে বের হয় না।

(লেখাটিতে আমাদের জনপ্রিয় ব্লগার চাঁদগাজী/সোনাগাজীর অনেক কথা যোগ করে দিয়েছি। কারন, তার কথা গুলো যুক্তিসঙ্গত এবং ১০০% সঠিক। আমি চাই তার চিন্তিত মতামত গুলো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক। এজন্য আমি প্রায়ই তার লেখা গুলো বিভিন্ন সাইটে সজ্ঞানে ছড়িয়ে দেই। উনি সঠিক মানুষ, তার চিন্তাভাবনা উন্নত ও আধুনিক। কুসংস্কার বা কোনো প্রকার গোড়ামি তার নেই। তিনি দেশের কথা ভাবেন, দেশের কল্যানের কথা ভাবেন। এরকম একজন মানুষ অবশ্যই দেশের সম্পদ।)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৭
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আশা রাখি: কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হবেন

লিখেছেন অপলক , ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৪০



আমার দেখা সকল রাষ্ট্রপতিগন ছিলেন ডায়াবেটিকস রোগীদের মত। যাদের রাজনৈতিক জীবনীশক্তি ছিল না বললেই চলে। প্রধানমন্ত্রীর অলিখিত আজ্ঞাবহ মাত্র। ফর্মালিটি আছে কিন্তু কাজের স্বকীয়তা ছিল না। কোন আইকোনিক ডিসিশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৫৬৩৫-৩৬

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

মন কথনিকা-৫৬৩৫
খেতে খেতে গেল জীবন, নজর যে নাই স্বাস্থ্যের পানে
খেয়ে গেছি যা পেয়েছি, যা পেয়েছি বামে ডানে
বাড়লো চর্বি, কমলো যে জোর, শান্তি হারাই পদে পদে
এই না জীবন পার করতে চাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত ৮ টায় বিপণিবিতান-দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ | দেশজুড়ে বইছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৫



দেশজুড়ে বহু বহু করে বয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস, চারিদিকে পতপত করে উড়ছে গণতন্ত্র নামক শান্তির পতাকা- সারা বংলায় এমন শান্তিময় পরিবেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালের ইতিহাসে আর দেখা যায়নি কখনো; এরই ধারাবাহিকতায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×