somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

বিশ্ব নাগরিক

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমি হতে চাই বিশ্ব নাগরিক।
পুরো বিশ্বটাকেই নিজের দেশ বলে ভাবতে চাই। আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে মানুষ কঠোর হয়েছে। এক দেশের দু:খ কষ্ট আরেক দেশের মানুষের মন স্পর্শ করে না। এক দেশের অভাব আরেক দেশ দেখেও দেখে না। সাধারণত জন্মস্থানকেই মানুষ নিজের দেশ বলে ভাবে। আমার মায়ের জন্ম ভারতের আসামে। নানা নানী ব্যবসার কাজে বিক্রমপুর থেকে আসাম যায়। তখন মায়ের জন্ম হয়। মা বলে ভারতের জন্য আমার মায়া হয়। ইন্ডিয়া ক্রিকেট খেলায় হারলে আমার কষ্ট হয়। স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে মা নিজেকে বিশ্ব নাগরিক ভাবতে পারছে না। সে বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে আটকে আছে। নিউজিল্যান্ড খেলায় হারলে মায়ের মন খারাপ হয় না।

এক দেশে অভাব, আরেক দেশে বিলাসিতা।
কেন এমনটা হবে? বিশ্ববাসী যদি পুরো বিশ্বটাকেই নিজের দেশ বলে ভাবতে পারতো তাহলে দেশে দেশে এত অভাব অনটন থাকতো না। মন চাইলেই আমি চলে যাবো, আমস্টারডাম। চলে যাবো লাসভেগাস। অথচ ইচ্ছে করলেই যাওয়া যাবে না। লাগবে ভিসা। কেন এমনটা হবে।! এক দেশের বিপদে আরেক দেশ ঝাপিয়ে পড়বে। অথচ ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ করছে, অন্যদিকে ইজরায়েল ফিলিস্তিন। কেন আধুনিক বিশ্বে যুদ্ধ হবে? এখন আমরা আধুনিক যুগে বাস করি। গুহায় বাস করি না। গনিমতের মালের দিন শেষ। কাফেলা দেখলেই আক্রমণ করো। লুটপাট করো। নারীদের ছিনিয়ে নাও। সেসব কালো সময় আমরা পেরিয়ে এসেছি। অতীতের ভুল থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।

একদেশে এত বেশি গম হয়েছে যে রাখার জায়গা নেই।
তখন তারা গম জাহাজে করে নিয়ে সমুদ্রের গভীরে ফেলে দিচ্ছে। অন্য দিকে আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় দেখা দিয়েছে খাদ্যাভাব। তাদের খাবার নেই। খেতে না পেয়ে মানুষ মরছে। গম গুলো সমুদ্রে না ফেলে ইথিওপিয়ানদের দিলে সমস্যা কি ছিলো? আমেরিকানরা অস্ত্রের ঘাটি বানাচ্ছে। কেন তারা অস্ত্র বানাবে? কেন আরেক দেশ পারমাণবিক বোমা বানাবে? যা করতে হবে তা হচ্ছে, বিশ্বে যে বা যারা অশান্তি তৈরি করবে তাদের মরুভূমিতে নিয়ে গিয়ে পুতে ফেলতে হবে। দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল অনেক ভালো। বিশ্বে যারাই সমস্যা সৃষ্টি করবে তাদের মাইনাস করে দিতে হবে। নইলে বিশ্ব শান্তি কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে? এজন্য আমি একটা দেশের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে থাকতে চাই না।

শুধু মাত্র একটা দেশের নাগরিক হলে মন সংকীর্ণতায় ভরে যায়।
এজন্য আমাদের বিশ্ব নাগরিক হতে হবে। বিশ্বের সব জাতি সব জাতির সাথে মিশবে। তাতে জ্ঞানের পরিধি বাড়বে। একজন মানুষ নিজেকে বিশ্ব নাগরিক মনে করলে, তখন সে শুধু তার জন্মস্থান নিয়ে ভাববে না। অন্যদেশ নিয়েও ভাববে। একজন বিজ্ঞানীর কথা ভাবুন। অনেক গবেষণা করে তিনি আবিস্কার করেন। তার আবিস্কার কিন্তু শুধু মাত্র তার দেশ ব্যবহার করে না। ব্যবহার করে সারা বিশ্বের মানুষ। হিন্দু ও মুসলমানরা জাত পাত নিয়ে বেশি ভেদাভেদ করে। জাতপাত নিয়ে বহুবার দাংগা হয়েছে। ফলাফল মানুষ মরেছে। ধর্ম সৃষ্টির পর শুধু মানুষের ক্ষতিই করে গেলো। পৃথিবীতে ধর্ম না থাকলে পৃথিবীটা অনেক শান্তিময় হতো। হানাহানি, খুনোখুনি, লুটপাত হতো না। নারীরা ইচ্ছার বিরুদ্ধে বস্তাবন্ধী হতো না।

একজন মানুষ যদি নিজেকে বিশ্ব নাগরিক ভাবতে পারে তাহলে পুরো বিশ্বের উপকার।
পাসপোর্ট ভিসা ইমিগ্রেশন এসব আমি চাই না। সব দেশের মানুষ বিনা দ্বিধায়, বিনা সমস্যায় সব দেশে যাবে, আসবে। কোথাও কোনো বিধিনিষেধ থাকবে না। তবেই পৃথিবীটা সহজ ও সুন্দর হবে। সব দেশের সাথে সব দেশের একটা বন্ধন হবে। তাতে পুরো বিশ্বের ভালো হবে। হ্যা জানি বিশ্বে কিম, পুটিন, এরদোয়ান সহ বহু মাফিয়া আছে, আছে দুষ্ট লোক এরা মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান করবে। এদেয় বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে। দুষ্ট লোকদের কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করবে তাদের ক্ষুধার্ত বাঘের খাচায় ফেলে দিতে হবে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় যারাই বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের কানটা ধরে মরুভূমিতে ছেড়ে দিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৩ দুপুর ২:২৪
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ খোকার অভিমান

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৬


খোকা খাবে মুড়ি মুড়কি, মা দিলো খই
এই নিয়ে অশান্তি, ব্যাপক হই চই।

বাবা যাচ্ছে হাটে, খোকা পিছু ছোটে
বকা খেয়ে ঘরে ফিরে কাঁদছে মাথা খুঁটে। 

কত কাজই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×