somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

যে রায় কোনোদিন কার্যকর হবে না

১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একজন মানবিক মানুষকে বলা হচ্ছে-
মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনক। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় পর্যন্ত দিয়ে দিলো! কি হাস্যকর। জাতি জানে- সব জামাতের কারসাজি। এটা জাতি খুব ভালো করেই জানে এবং বুঝে। শেখ হাসিনা কাকে গুলি করে মারলো? কাকে হত্যা করলো? একটা ভিডিও ফুটেজ দেখান। আছে কোনো শালার কাছে ভিডিও ফুটেজ? অথচ জামাত পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য- একজন মানবিক মানুষকে, দেশপ্রেমিক মানুষকে জোরজবস্তি, মনগপড়া নিজের ইচ্ছে মতো- রায় দিয়ে দিলো- 'ফাঁসি'। মামা বাড়ির আবদার! শকুন খামচে ধরেছে দেশ। সব কিছু তাদের অধিকারে। জামাত মনে করেছে, তাদের ১৫ বছরের পরিকল্পনা সফল হয়ে গেছে! আরে ভাই বাপেরও বাপ থাকে। অপেক্ষা করুন। দাবার চাল বদলে যাবে।

তার ফাঁসি হতে পারে এমন অপরাধ শেখ হাসিনা করেন নাই।
অথচ ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে সব জামাতের নীল নকশা। শেখ হাসিনা রাজাকারের বিচার করে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করেছে, জামাত এখন সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে। আর কিচ্ছু না। জামাত ভালো করেই জানে- হাসিনা কাউকে গুলি করে মারে নাই। মারতে বলেও নাই। আসলে ৭১ এর পরাজিত শক্তি কোনোদিন ভালো হবে না। শেখ হাসিনা সাহসী নারী। তার কিছুই হবে না। এরকম ফাঁসি শেখ মুজিবকেও দিতে চেয়েছিলো, পারে নাই। ইন্দিরা গান্ধী আজ বেচে থাকলে পরিবেশ পরিস্থিতি অন্য রকম হতো। তবে আমি নিশ্চিত জামাতের স্বপ্ন কোনোদিন সত্যি হবে না। সব বদলে যাবে। দেরী হোক যায়নি সময়। যত গর্জে তত বর্ষে না। অপেক্ষা করুন আর দেখুন ।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল পাগল হয়ে গেছেন।
জামাত তার ব্রেন ওয়াশ করে ফেলেছে। সে জামাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। জাতির কুসন্তান এই আসিফ নজরুল। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হলো জামাতের প্রোডাক্ট। জামাত তাকে পেলেপুষে বড় করেছে। জামাত পুরো দেশটা খেয়ে দিচ্ছে। অথচ শেখের বেটি এদের এতদিন দাপটের সাথে দাবিয়ে রেখেছিলেন। সব বদলে যাবে। সূর্য উঠবে, নতুন আলো আসবে। শেখ হাসিনার উপর মিথ্যা সাজানো অপরাধে যারা ফাঁসির রায় দিলো, যারা আজ আনন্দ উল্লাস করছে, এরা সকলেই জামাত শিবির। রাজাকার। জাতির কুসন্তান। এরা দেশের শত্রু। এরা ৭১ এ ছিলো, আজও আছে। মানবিক শেখ হাসিনা লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন। আর তার জন্য ফাঁসির আদেশ! কি বিচিত্র। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন সব একত্র হলে- জামাত পালানোর পথ পাবে না। জামাত শিবিরিকে দমন করার জন্য, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের আবার ঘর থেকে বের হতে হবে।

এই রায় কোনোদিন কার্যকর হবে না। নো নেভার।
শেখ মুজিব যেমন ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারী দেশে ফিরে এসেছিলেন। দেশের মানূষ তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরন করে নিয়েছিলেন, তেমনি ভাবেই শেখ হাসিনা দেশে আসবেন। জাতি তাকে ফুলের মালা দিয়ে গ্রহন করবে। এ রায়ের মধ্য দিয়ে দেশের প্রতি, এ দেশের মানুষের প্রতি, গণতন্ত্রের প্রতি, সংবিধানের প্রতি, আইনের শাসনের প্রতি এবং আগামী প্রজন্মের প্রতি, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের প্রতি অপমান করা হলো। পথের নেড়ি কুকুরের চেয়ে জামাত খারাপ। হাসিনা মেট্রোরেল করে অপরাধ করেছে, পদ্মাসেতু করে অপরাধ করেছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্নফুলি টার্নেলসহ হাজার রকম উন্নয়ন করে অপরাধ করেছেন। রাজাকারদের ফাঁসি দিয়ে, শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের ফাঁসি দিয়ে- শেখ হাসিনা অন্যায় করেছেন। এত এত ভালো কাজ ও উন্নয়নের পুরস্কার কি ফাঁসি? অত্যন্ত দুঃখজন। এটা হতে পারে না। আমি রাজনীতি করি না। কোনো দল করি না। আমি খেতে খাওয়া মানুষ। দেশের একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে- অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমার দায়িত্ব।

দেশের সব পদে এখন বসে আছে- জামাতের লোকজন।
অ্যাটর্নি জেনারেল, উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, আমলা থেকে শুরু করে সব জায়গায় এখন জামাতের লোকজন। জামাতের প্রচুর টাকা। ওদের টাকার অভাব নেই। কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পর্যন্ত সব জামাত শিবির দিয়ে ভরা। গত ১৫ বছর শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন করে গেছেন আর জামাত শিবির তলে তলে- নীল নকশা করে গেছে। এখন সেই নীলনকশা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। জামাত গর্ব করে বলে, পুরো দেশের সব প্রতিষ্ঠানে জামাতের লোক (প্রোডাক্ট) দিয়ে ভরা। আজ পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে- শেখ হাসিনার সামনে যাদের দাড়ানোর সাহস নাই, তারা আজ শেখ হাসিনাকে গালমন্দ করছে। বিচিত্র সেলুকাস! শেখ হাসিনা হেরে যাবেন না? শেখ হাসিনা হেরে গেলে, হেরে যাবে পুরো বাংলাদেশ। দেশ যারা এগিয়ে নেয়, তাদেরই থামিয়ে দেওয়া হয়- এট বড় সাহস জামাতের!। শেখ মুজিবকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এখন শেখ হাসিনাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। জামাতের এই স্বপ্ন সত্য হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৬
২৫টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×