
ছবিঃ একজন জুলাই যোদ্ধা।
আমি খুবই ভদ্র একটা ছেলে।
আমি কখনও কাউকে গালি দেই না। যদিও আমি কিছু ভয়ংকর গালি জানি। এই পোষ্টে আমি কিছু গালি দিবো। মন ভরে গালি দিবো, এজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কখনও কখনও গালি দেওয়া জায়েজ হয়ে দাঁড়ায়। কিছু হলেই হারামজাদারা শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাব, ফার্মগেট, মহাখালি এবং মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করে। শহরের ব্যস্ত রাস্তা- হারামির বাচ্চারা আটকে দেয়। এমনি ঢাকা শহর জ্যামের শহর। এর মধ্যে রাস্তা আটকে দিলে মহা জ্যাম লেগে যায়। মানুষ জরুরী কাজে ঘর থেকে বের হয়। রাস্তায় বন্ধ থাকার কারণে তারা বিপদে পড়ে। এদিকে অমানুষের বাচ্চা গুলো রাস্তা আটকে রাখছে ঘন্টার পর ঘন্টা। বাপ দাদার জমিদারি পাইছে। এগুলো পিটিয়ে পিঠের চামড়া তুলে ফেলা দরকার। বেজন্মা গুলিকে কোনো ছাড় দেওয়া উচিৎ হবে না।
তোরা কলেজের ছাত্র।
তোদের কাজ লেখাপড়া করা। রাস্তা আটকে দেওয়া নয়। এত সাহস তোরা কই পাস? এই, তোদের বাপ মা নেই? তারা দেখে না তোরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে বদমাশগিরি করছিস। তোদের জন্য তোদের বাপ মায়েরও শাস্তি হওয়া উচিৎ। কে এরকম ফালতু ছেলে জন্ম দিয়েছে। আর পুলিশ গুলো কি করে? বদ গুলোকে কেন পুলিশ পিটিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে না? তোদের যত দাবী দাওয়া আছে- কোনো মাঠে যা, সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ কর। তবু মানুষের সমস্যা করিস না। দেশে সমস্যার শেষ নেই। ভালো কিছু নিয়ে আন্দোলন কর। মিটিং মিছিল কর। সিএনজি ওলারা মিটারে যায় না, সেটা নিয়ে আন্দোলন কর। দেশে চাকরি নাই, সেটা নিয়ে আন্দোলন কর। ফুটপাত দখল মুক্ত করতে আন্দোলন কর। দূর্নীতি-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জন্য আন্দোলন কর।
এরা মূলত ছাত্র নামের কলঙ্ক।
এদের মুখের ভাষা বস্তি ভাষা। এরা মারাত্মক হিংস্র। এরা ভবিষ্যতে চোর ডাকাত হবে নিশ্চিত। এরা জঙ্গি। আরেক তামাশা জুলাই যোদ্ধা। এই জুলাই যোদ্ধাওলারা কার সাথে যুদ্ধ করেছে? কিভাবে যুদ্ধ করেছে? যুদ্ধে তারা কতজন মানুষকে হত্যা করেছে? কত অফিস আদালতে আগুন দিয়েছে? কত ভাঙচুর করেছে? এসব অপকর্মের অর্থের যোগানদাতা কে? শেখ হাসিনা দেশে নেই বলে, সব শালারা মজা পেয়ে গেছে। পিটিয়ে এইসব হারামজাদারের পিঠের ছাল তুলে ফেলা দরকার। আরেকদল নির্বাচনী প্রচারনা নিয়ে মজা করছে। মুড়ি বাতাসা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা করছে। অই ব্যাটা নির্বাচন কি রঙ তামাশার জিনিস? এদিকে আরেকদল হাদিকে নিয়ে রঙ তামাশা শুরু করেছে। হাদিকে গুলি করে মেরেছে, এটা প্রচণ্ড দুঃখজনক। এখন তাকে নিয়ে রাজনীতি করতে হবে?
উন্নত বিশ্ব কিভাবে চলছে? এরা কি রাস্তা আটকে দেয়?
এদের মুখের ভাষা কি খারাপ? এরা সুযোগ পেলেই গাড়ি ভাঙ্গে। অই ব্যাটা গাড়ি কি তোর বাপের? অথচ যে বা যারা গাড়ি ভাঙছে তাদের একটা গাড়ির চাকা কেনার ক্ষমতা নেই। এইসব ছাত্রদের চেয়ে হিরো আলম উন্নত। সে রাস্তাঘাট আটকায় না। মানুষের কোনো সমস্যা করে না। গাড়ি বাসও ভাঙ্গে না। খারাপ ভাষায় গালিগালাজও করে না। অসভ্যদের দেশে বাস করি। এদিকে মিরপুরে স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা দর্শকরা কি ঝামেলা হয়েছে, তারা ভাঙ্গাভাঙ্গি করছে। চরম অরাজকতা। একটা দেশের এরকম অবস্থা কেন হবে? দেশে এই অরাজকতার কারণ জুলাই আন্দোলন। জুলাই আন্দোলনের কারণে আজকে দেশের এই অবস্থা। জুলাইতে যারা আন্দোলন করেছ এরা দেশের ভয়ংকর সম্প্রদায়। এরা রাজাকার মানসিকতার।
দেশে আরেক সন্ত্রাসের নাম হচ্ছে মব।
মব সৃষ্টি করে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। আগুনে মানুষ পুড়িয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। লুটপাট করা হচ্ছে। এমনই করুন অবস্থা কবর থেকে লাশ তুলে পিটাচ্ছে। ব্যস্ত রাস্তা আটকে বদমাশ গুলো রাস্তায় নামাজ পড়ে। অথচ পাশেই মসজিদ। ধর্ম নিয়ে পর্যন্ত এরা তামাশা করছে। এরা মূলত জুলাই যোদ্ধা। অর্থ্যাত জঙ্গী। জঙ্গী না হলে নিজ দেশের পুলিশকে আগুনে পুড়িয়ে মারতে পারে?" নিজ দেশের সম্পদ নষ্ট করতে পারে? ইউনুস সরকার এদের বিচার না করে অন্যায় করেছে। এজন্য জাতিকে ভুগতে হবে। এই প্রজন্ম চারপাশ দেখে শুনে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। সকালবেলা পত্রিকা হাতে নিয়ে যে নিউজটা চোখে পড়লো, সেটার শিরোনাম হচ্ছে- ''আজ এই ছুটির দিনেও বায়ুদূষণে বিশ্বে শীর্ষে ঢাকা''। ইউনুস জাতির করেছে। জুলাই যোদ্ধারা জাতির করেছে। সুযোগ নিয়েছে জামাত।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

