somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দয়া করে কেই এড়িয়ে যাবেন না।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকল মত-ধর্ম-বর্ণ-বিশ্বাস-চেতনার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি প্রথমেই।
দেশ বর্তমানে একটা বিরাট সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচেছ। একের পর এক নাটকীয় ঘটনা অঘটনঘটনপ্রটিয়সী বাংলাদেশীদের মনে আলোচনার বিষয়, তর্ক, বিভেদ, সংশয়, ভীতি, অনিশ্চয়তার জন্ম দিচ্ছে। সংবিধান নিয়ে কথা হচ্ছে। সংবিধান সংরক্ষনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো উঠে পড়ে লেগেছে। তাদের এই দাবী বা কথার তখনই দাম বা গ্রহণযোগ্যতা থাকতো, যখন সংবিধানটা বার বার ক্ষমতাসীনদের রক্ষা কবচ হিসাবে তারা নিজেরাই সংশোধনের তামাসা করেছে। কই তখনতো কেউ এত তীব্রভাবে জনগনের সংবিধান প্রনয়নের কথা বলেনি, কেউ তো বলেনি কেন একজন মানুষের হাতে এত ক্ষমতা কেন থাকবে?
কেন এতগুলো ধারা সংশোধনের অযোগ্য হবে ধর্মীয় গ্রন্থের মতো?
জনগনের নির্বাচিত মানুষগুলো সাধারনদের চেয়ে সবদিক থেকে কেন এত সুবিধা, সুরক্ষা পাবে?
মুক্তিযুদ্ধে দেশের প্রায় সকল মানুষ যুদ্ধ করেছে, দেশ ও মানুষের জন্য তারা স্বাধীন করেছে। তাহলে প্রকৃত অনেক মুক্তিযোদ্ধারা ভিক্ষা করে, রিক্সা চালায় আর গুটিকয়েক মানুষের তালিকাগুলোতে থাকা মানুষগুলোই শুধু মুক্তিযোদ্ধা নামে পরিচিত ও তার সম্মান ও সুবিধা ভোগ করছে? তালিকা যদি করতেই হয় তবে দেশের বিপক্ষে যারা ছিল, তাদের লিষ্ট করার দরকার ছিল। যুদ্ধের পর কেন এত নীরিহ ও দেশপ্রেমিক মানুষদের হত্যা করা হলো?
কেন বঙ্গবন্ধু, জিয়া, ওসমানি, তাজউদ্দিন, প্রমুখ দেশপ্রেমিকদের নির্মম বিদায় নিতে হলো। কেন সৈরশাসকদের আত্বপ্রকাশ ঘটলো? কেন তাদের নির্বাচনে দেশের এত বড় শক্তি হাত মেলালো? বর্তমানে দেশের শত্রু হিসাবে দাবীকৃত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজপথ কেন তারা কলঙ্কিত করলো?
এমন অনেক ঘটনা আছে বিভিন্ন মতের মানুষদের লেখা ইতিহাসে ঘটনাগুলো তাদের মতো করে লেখা বা বলা। অথচ একটি কথা ১০০% সত্য, তা হলো উপরিউক্ত ঘটনাবলীর সকল ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একটিতে মিল রয়েছে, সেটা হলো জনগণকে সামনে রেখে, তাদের সুরক্ষার দ্বায়িত্ব নিয়ে সকল দ্বায়িত্বরত কর্তারা নিজেদের আখের গোছা ভরাট করার জন্য যখন যা খুশি তাই করেছে ও করছে। অথচ আমি কিছুদিন লক্ষ্য করছি, আমাদের কিছু মানুষ এসকল সত্য মিথা বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে এমন তুমুল তর্ক-বিতর্কে জড়াচেছন, নিজেদের স্বাভাবিক সম্পর্ক নষ্ঠ করছেন। বাদানুবাদে জড়াচ্ছেন। স্বল্প সময়ে ও স্বল্প জ্ঞানের বিনিময়ে বা সস্তা কিছু মাধ্যম থেকে উপার্জিত শক্তি নিয়ে নষ্ঠ করছেন দীর্ঘ দিনের আত্বার সম্পর্ক গুলো। একটি অসত্যা বা বিতর্কিক বিষয় নিয়ে মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্য অনেক ক্ষেত্রে অন্যকে চরমরুপে হেয় করে নিজেদের দৈন্যতা প্রকাশ করছি। যদি একজন সতিই ভালো বা মন্দ হয় বা সত্য বা মিথ্যা হয়, তবে আপনার আমার তর্কে তার বা কি আসে যায়? অথচ, কুমন্তব্য, সম্পর্ক নষ্ঠ বা নিজেদের বিভেদ তো নিজেরাই করছি। একজন অপরাধী বা দোষীকে যদি উপযুক্ত শাস্তির ক্ষেত্রে বৃহত কোন কারন থাকে বা তার অপরাধ প্রমান করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে, তবে তার পেছনে ছুটে শুধু শুধু কেন সময়, অর্থ্, শক্তি নষ্ঠ করবো। কেন বিভেদ বাড়ানোর ব্যবস্থা করবো? বরং সেটার পূণরার্বৃত্তি না ঘটে সেই জন্য আমাদের এগোতে হবে। দেশ বা দুনিয়া এগিয়ে যাচ্ছে সত্যিই। কিন্তু আমরা মানসিক বা সিদ্ধান্তের ব্যাপারে যদি আরো যত্নবান না হই তবে সেটা ধরে রাখা বা তার সাথে তাল মিলিয়ে চলা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলাফল হবে চরম বিপর্যয় ও ভয়ংকর।
সকলের জন্য দোআ ও কল্যাণ কামনায়।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×