somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

মানবাধিকার সনদ ও প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সকল দেশে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর পালন করা হয় মানবাধিকার দিবস । ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর নির্ধারিত তারিখে এ দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে । এছাড়াও, ‘সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাকে’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ তারিখকে নির্ধারণ করা হয়েছে । সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী নবরূপে সৃষ্ট জাতিসংঘের অন্যতম বৃহৎ অর্জন । সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের মূখবন্ধে বলা আছে, ‘যেহেতু মানব পরিবারের সকল সদস্যের সহজাত মর‌্যাদা ও সম-অবিচ্ছেদ্য অধিকার সমূহের স্বীকৃতি বিশ্বে স্বাধীনতা, ন্যায়-বিচার ও শান্তির ভিত্তি; যেহেতু মানবিক অধিকার সমূহের প্রতি অবজ্ঞা ও ঘৃণা মানবজাতির বিবেকের পক্ষে অপমানজনক বর্বরোচিত কার‌্যকলাপে পরিণতি লাভ করেছে এবং সাধারণ মানুষের সর্বোচ্চ আশা-আকাঙ্খার এমন একটি পৃথিবীর সূচনা ঘোষিত হয়েছে যেখানে মানুষ বাক ও বিশ্বাসের সাধীনতা এবং ভয় ও অভাব থেকে নিস্কৃতি ভোগ করবে; যেহেতু চুড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে মানুষকে অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হতে বাধ্য করা না হলে মানবিক অধিকার সমূহ অবশ্যই আইনের শাসনের দ্বারা সংরক্ষিত করা উচিত; যেহেতু জাতিসংঘভূক্ত জনগণ সনদের মাধ্যমে মৌল মানবিক অধিকারসমূহ, মানুষের মর‌্যাদও মূল্য এবং নারী ও পুরুষের সম-অধিকারের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং সামাজিক অগ্রগতি ও ব্যাপকতর স্বাধীনতা উন্নততর জীবনমান প্রতিষ্ঠাকল্পে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ; তাই সে লক্ষ্যে প্রত্যেক ব্যক্তি ও সমাজের প্রত্যেক অঙ্গ মানবিক অধিকার সমূহের এই সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটিকে সর্বদা স্মরণ রেখে শিক্ষাদান ও জ্ঞান প্রসারের মাধ্যমে এ সকল অধিকার ও স্বাধীকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করতে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর‌্যায়ে প্রগতিশীল ব্যবস্থাদি দ্বারা সদস্য-রাষ্ট্রসমূহের জনগণ ও তাদের অধীনস্থ অঞ্চলসমূহের অধিবাসীবৃন্দ উভয়ের মধ্যে উপরোক্ত বিষয়গুলোর সার্বজনীন ও কার‌্যকর স্বীকৃতি এবং মান্যতা অর্জনের জোর প্রচেষ্টা চালাবে’ ।

উইকিপিডিয়া প্রদত্ত মানবাধিকারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘মানবাধিকার প্রতিটি মানুষের এক ধরনের অধিকার যেটা তার জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য । মানুষ এ অধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে । তবে এ চর্চা অন্যের ক্ষতিসাধন ও প্রশান্তি বিনষ্টের কারণ হতে পারবে না । মানবাধিকার সব জায়গায় এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য । এ অধিকার একই সাথে সহজাত ও আইনগত অধিকার । স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম দায়িত্ব হল এসব অধিকার রক্ষণাবেক্ষণ করা । যদিও অধিকার বলতে প্রকৃতপক্ষে কি বোঝানো হয় এখন পর‌্যন্ত তা একটি দর্শনগত বিতর্কের বিষয়’ । বিশ্বের সর্বত্র কমবেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে । তবে ক্ষেত্র বিশেষ তার মাত্রাভেদ রয়েছে । যেখানে পূর্ণ গণতন্ত্র এবং পরমত সহিষ্ণুতার চর্চা হয় সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাত্রা অনেক কম । কিছু ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক চাপমূক্ত মানবাধিকার কমিশনের সক্রিয়তার কারণে মানবাধিকার রক্ষা পাচ্ছে । বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষার স্লোগান বিরাজমান থাকার পরেও শক্তিমান কর্তৃক দূর্বলের অধিকার খর্বিত হচ্ছে । উন্নত দেশগুলোর চেয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় বেশি । আবার কখনো কখনো বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর চাপের মুখে সামগ্রিকভাবে অনুন্নত কিংবা উন্নয়ণশীল দেশগুলো তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । রাষ্ট্র যখন কোন অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তখন সে চাপ স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রের জনগণের উপর পতিত হয় । বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় মানবাধিকার লঙ্ঘনের হিড়িক চলছে । সংখ্যাগুরুদের দ্বারা সংখ্যালগুরা প্রতিনিয়ত অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে এবং নির‌্যাতনের শিকার হচ্ছে । সবল প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা দূর্বল প্রতিবেশি রাষ্ট্রের অধিকার হরণ তো নিত্য-দিনকার রুটিনে পরিণত হয়েছে । যারা মানবাধিকার রক্ষার মিছিল দিয়ে বেড়ায় তারাও ক্ষেত্র বিশেষ চুপ থাকতে কার্পণ্য করে না । অবস্থা দৃষ্টি মনে হচ্ছে, মানবাধিকারের স্লোগান দিন দিন বুলি সর্বস্ব হয়ে যাচ্ছে । আন্তর্জাতিক বিশ্ব এবং দেশের শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত কিছু অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে । বিবিসিসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংবাদ সংস্থার মতে, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক । সাধারণ মানুষের মানবাধিকার তো রক্ষা পাচ্ছেই না সাথে বিভিন্ন বেসরকারি মানবাধিকার কমিশনের প্রধান কিংবা এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের উপরও বিভিন্ন সময় নেমে আসে জুলুম নির‌্যাতনের খড়গ । আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে উল্লেখিত শর্তসমূহের সাথে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটের তুলনা করলেই দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে উঠবে ।

মানবাধিকার সনদে লিপিবব্ধ ৩০টি অনুচ্ছেদের মধ্যে ১ম অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘যেহেতু বন্ধনহীন অবস্থায় এবং সম-মর‌্যাদা ও অধিকারাদি নিয়ে সকল মানুষ জন্মগ্রহন করে । সুতরাং ভ্রাতৃত্বসূলভ মনোভাব নিয়ে তাদের একে অন্যর প্রতি আচরণ করা উচিত’ । বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বসূলভ কোন আচরণ কি আদৌ হচ্ছে ? বিশেষত ধনবানদের সাথে গরীবদের যোজন যোজন পার্থক্য করা হয়েছে । ক্ষমতাশালীরা দূর্বলদেরকে কেবল পেষণ করেই যাচ্ছে । সম্পদ হরণ থেকে শুরু করে নানা ঝামেলা চলছেই । সর্বত্র কেবল দ্বন্দ্ব আর বিশৃঙ্খলা । ভ্রাতৃসূলভ আচরণের উপস্থিতি খুব সামান্ই । সনদের ২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘যে কোন প্রকার পার্থক্য যথা- জাতি, গোত্র, বর্ণ, নারী-পুরুষ, ভাষা, ধর্ম, রাজনৈতিক বা অন্য মতবাদ, জাতীয় বা সামাজিক উৎপত্তি, সম্পত্তি, জন্ম বা অন্য মর‌্যাদা নির্বিশেষে কোন পার্থক্য করা চলবে না’ । অথচ সোনার বাংলাদেশের কিছু মানুষ রাজনৈতিক হানাহানিতে লিপ্ত । একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি অন্য রাজনৈতিক দলের কোন শ্রদ্ধাবোধ নাই । ধর্ম নিয়েও চলছে বাড়াবাড়ি । উপসনালয় ভাঙ্গা হচ্ছে । নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিয়ে আন্দোলনের পর আন্দোলন করেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না । গোত্র বা বংশ গৌরব নিয়ে খুব বেশি মাতামাতি না থাকলেও পরিস্থিতি একেবারে শান্ত নয় । জাতীয়তা বোধ নিয়ে রাষ্ট্রে ফাটল সৃষ্টির দ্বারপ্রান্তে । একপক্ষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বাড়াবাড়িতে অন্যপক্ষ শীথিলতায় । এ নিয়ে পারস্পরিক ঝগড়ার কোন শেষ নাই । এভাবে চললে মানুষের পূর্ণ অধিকার রক্ষা পাওয়া দুস্কর । সনদের ৩য় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেকেরই জীবন-ধারন, স্বাধীনতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে’ । বাংলাদেশে মানুষ কি পূর্ণ স্বাধীনতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাচ্ছে ? প্রতিদিন সড়ক দূর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে । দেশব্যাপী গুম-খুনের রাজত্ব কায়েম হয়েছে । আইনের রক্ষক ভক্ষকের ভূমিকা পালন করছে । শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, রাজনীতিক, মজুরসহ অসংখ্য মানুষ গুপ্ত হত্যার শিকার হচ্ছে । গুম যেন ট্রাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে । নারী ও শিশু নির‌্যাতন, ধর্ষনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের কারণে নারীর পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে । এভাবে চলতে থাকলে মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে । মানবাধিকার সনদের ৭ম অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘আইনের কাছে সকলেই সমান এবং কোনরূপ বৈষম্য ব্যতিরেকে সকলেরই আইনের দ্বারা সমভাবে রক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে’ । আইনের শাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থা কী ? সর্বত্র আইনের চোখে সবাই সমান-এ কথা বলা হলেও আইনের প্রয়োগ সেভাবে হচ্ছে না । প্রকৃত অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন । আইন প্রয়োগে শাসকগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে যেভাবে ব্যাখ্যা হচ্ছে বিরোধী দলের ক্ষেত্রে সে ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ ভিন্ন । আবার সাধারণ জনগণের জন্য আইনের প্রয়োগ স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় । যে মামলায় বিরোধী পক্ষের জেল হয়ে যায় সে একই মামলায় সরকারী পক্ষের বেকসুর খালাস ! আইনে যদি এমন বহুরূপিতা থাকে তবে মানবাধিকার রক্ষা পাবে তা ভাবাও অযৌক্তিক । সনদের ৯ম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কাউকে খেয়াল-খুশিমত গ্রেফতার, আটক অথবা নির্বাসন দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না’ । বাংলাদেশে মানবাধিকার সনদের এই ধারাটির প্রায় সম্পূর্ণটাই উপেক্ষিত হচ্ছে । শুধু সন্দেহের বশে মানুষকে গ্রেফতার করে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন আটক রাখা হচ্ছে । আবারও কখনো কখনো আটক করেও তা শিকার করা হয়না । নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত মার্ডারের ঘটনায় র‌্যাবের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে । ঝালকাঠীর লিমনকে বিনা অপরাধে গুলি করে পঙ্গু করে ফেলা হয়েছে । বিচার বহির্ভূত ক্রস ফায়ারের মাধ্যমে মানুষ মারা হচ্ছে । পরিবারের দাবী অনুযায়ী, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতার করলেও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছেনা বহু মানুষের । মানবাধিকার সনদের ১৪নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘নির‌্যাতন এড়ানোর জন্য প্রত্যেকেরই আশ্রয় প্রার্থনা ও আশ্রয় লাভ করার অধিকার রয়েছে’ । এ ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের বহু মানুষ প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় পেয়েছিল । বর্তমানে মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর বর্বরোচিত নির‌্য্যাতন চলছে । তাদের কিছু সংখ্যক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছিল । কিন্তু প্রশাসন তাদেরকে বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকতে দেয়নি । মানবাধিকার সনদের ১৯তম অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেকেরই মতামতের ও মত প্রকাশের স্বাধিকার রয়েছে; বিনা হস্তক্ষেপে মতামত পোষণ এবং যে কোন উপায়ে ও রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও মতামত সন্ধান, গ্রহন ও জ্ঞাত করার স্বাধীনতা এই অধিকারের অন্তভূর্ক্ত’ । অথচ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন । দিগন্ত টেলিভিশন, আমাদের পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বহুদিন পূর্বে । মানবাধিকার সংস্থা অধিকার প্রধান আদিলুর রহমানকে জেলে আটক রাখ হয়েছিল দীর্ঘদিন । যত্রতত্র মানুষকে রাজাকার উপাধি দেয়া হচ্ছে । দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি ডা. পিয়াস করিমকে মতপ্রকাশের কারণে মৃত্যুর পর তার মরদেহ শহীদ মিনারে নিতে দেয়া হয়নি । এমন কিছু ব্যক্তিদেরকে শহীদ মিনারে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে যারা দেশের শীর্ষ স্থানীয় বুদ্ধিজীবি হিসেবে পরিচিত । মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত বাহিনীর উপ-প্রধানকে রাজাকার আখ্যা দিতেও কার্পণ্য করা হয়নি । এই যদি হয় অবস্থা তবে মানবাধিকার রক্ষা পাবে কোন পথে ?


রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
[email protected]




০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×