somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

রাজনৈতিক অস্থিরতা কেড়ে নিচ্ছে সকল স্তরের শান্তি-শৃঙ্খলা

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনে শান্তি না থাকলে যেমন দেহের কোন অঙ্গই স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়না তেমনি রাষ্ট্রযন্ত্রে শৃঙ্খলা না থাকলে রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গগুলোতে শৃঙ্খলা-শান্তি থাকে না । মনের সাথে যেমন দেহের বিভিন্ন অঙ্গ জড়িত তেমনি রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে সমাজ ও পরিবার ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত । দেহের একটি নির্দিষ্ট অঙ্গ আঘাতপ্রাপ্ত হলে মন নিশ্চল থেকে সে ব্যথা দূরীভূত করতে সচেষ্ট থাকে কিন্তু মনে যদি অশান্তি থাকে তবে দেহের কোন অঙ্গেই সতেজতা থাকেনা । রাষ্ট্রও ঠিক অনুরূপ । রাষ্ট্রযন্ত্রে যদি শান্তি-শৃঙ্খলা বিদ্যমান থাকে তবে সমাজ ও পরিবারে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকতে বাধ্য । কখনো কখনো সামাজিক ও পারিবারিকভাবে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও রাষ্ট্র নির্ভরতার সাথে সকল সমস্যা দূরীভূত করে সমাজ কিংবা পরিবারে স্থিরতা ও শান্তি-শৃঙ্খলা আনয়ণ করতে পারে এবং এ কাজে রাষ্ট্র দায়বদ্ধ । কিন্তু যখন এর উল্টোটা ঘটে তখন বালির বাঁধের মত ভেঙ্গে পরে সকল শৃঙ্খলা । পালিয়ে যায় সকল শান্তি । রাষ্ট্রে যখন অস্থিরতা দেখা দেয় তখন সমাজ কিংবা পরিবারের কোথাও বিন্দুমাত্র শৃঙ্খলা কিংবা শান্তি খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়ায় । এমনি এক ক্রান্তকালীন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে বাংলাদেশ । রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে যখন রাষ্ট্রযন্ত্র টালমাটাল অবস্থায় পতিত হয়েছে তখন দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে সামাজিক ও পারিবারিক শান্তি । রাষ্ট্রের অস্থিরময় অবস্থার কারণে যখন সমাজ ও পরিবার পূর্ণভাবে আক্রান্ত হয়ে বিশৃঙ্খল হয়ে পড়বে তখন রাষ্ট্র্রের স্থিরতা ফিরে আসলেও খুব দ্রুত সমাজ ও পরিবারের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না । কেননা রাষ্ট্রীয় পরিধিতে সমাজ ও পরিবারকে ক্ষুদ্র সংগঠন মনে করা হলেও এটা আসলে ততোট ক্ষুদ্র নয় । যে কারণে সমাজ ও পরিবারে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি একবার শেকড় প্রথিত করার সুযোগ পেলে তা খুব সহজেই উপরে ফেলে পূর্বের অবস্থায় সমাজ ও পরিবারকে ফিরিয়ে দেয়া সহজসাধ্য কোন কাজ নয় । দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় সমাজ ও পারিবারিক কাঠামো চরম অশান্তির মধ্যে নিপতিত হয়েছে । যার প্রভাবে মানুষ মানবীয় আচরণ থেকে দিন দিন দূরে সরে যাচ্ছে । ফলশ্রুতিতে মানুষের দ্বারাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মানুষ । স্বার্থ সিদ্ধির মোহাবিষ্ট হয়ে ঝগড়া-ঝাটি, লাঠা-লাঠির করে মানুষ মানুষের প্রাণ সংহার করছে । দলীয় শত্রুতার জেরে ধ্বংস করা হচ্ছে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি । রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে রেহাই পাচ্ছে না সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ । দুধের শিশু থেকে শুরু করে আশীতিপর বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও নিরাপদে নাই । কথিত আছে, পশুরাজ সিংহ যখন একটি অপরটির সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয় তখন চরম শত্রুতা সত্ত্বেও পশুগুলো তাদের সুঁচালো নখগুলো গুটিয়ে রাখে যাতে স্বজাতির রক্তক্ষরণ না হয় অথচ মানুষ ? সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হয়েও একজনের সাথে আরেকজনের, একদলের সাথে আরেকদলের শত্রুতার ধরণ দেখলে শুধু নিরীহ মানুষ কেন বরং বন্য হিংস্র জানোয়ারগুলোও লজ্জা পায় ।

অন্যান্য জীব থেকে মানুষকে প্রথক ও উত্তম মর‌্যাদার স্থানে আসীন করেছে তার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবৃত্তি । মানুষের শক্তির চেয়ে হাজার প্রকার পশু-প্রাণী আছে যেগুলোর শক্তি কয়েকগুন বেশি । অথচ মানুষ সেগুলোকে বশে রেখেছে শুধু বুদ্ধির প্রয়োগে । মানুষে মানুষে লড়াই হবেনা এটা ভাবা অযৌক্তিক কিন্তু সে লড়াইয়েরও তো ধরণ থাকবে । মানুষের লড়াই যদি পশুর লড়াইকে হারিয়ে দেয় তবে মানুষ ও পশুর মধ্যে পার্থক্য কোথায় ? বুদ্ধির লড়াইয়ের চেয়ে পৃথিবীতে শক্তিশালী আর কোন যুদ্ধ আছে সেটা মেনে নেয়ার বাস্তবসম্মত কোন কারণ নাই । অথচ আমরা/মানুষেরা সেই বুদ্ধিকে কাজে না লাগিয়ে কেবল বাহুবল প্রদর্শনের লড়াইয়ে লিপ্ত । পেশীশক্তি কখনো মানুষের জন্য কল্যান বয়ে আনেনি যতটা বুদ্ধি পেরেছে । তবুও দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কিংবা বছরের পর বছর মানুষ বুদ্ধিকে আড়াল করে বাহুর কিংবা মানবতাবিনাশী মরনাস্ত্রের মহড়া দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে জয়ী হতে চেয়েছে । একদল বিজয়ীও হয়েছে তবে ধ্বংস হয়েছে মানবতা । আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা পেশীশক্তি প্রদর্শন করে যারা জয়ী হয়েছে তাদেরকে সর্বদা কামানের নল উঁচিয়ে কিংবা তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখতে হয়েছে বিজিতদের দিকে, কখন আবার তারা হামলে কেড়ে নেয় ছিনিয়ে আনায় জয় বাহুবল কিংবা অস্ত্র স্থায়ী কোন সমাধান দেয়নি কোন কালেই । কেবল ধ্বংস করেছে জনপদের পর জনপদ । মানুষ ও হিংস্র জানোয়ারকে এক কাতারে দাঁড় করাতে ভূমিকা রেখেছে । কোথায় সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব মানুষের মর‌্যাদা আর কোথায় চারপা বিশিষ্ট জানোয়ারের অবস্থান । কোনদিন কি মেলানে সম্ভব এদের বৈশিষ্ট্য অথচ আজকাল হুবহু মিলে যাচ্ছে । বুদ্ধির চর্চা না করায় ভোঁতা হয়েছে চিন্তার পরিধি । লড়াইয়ের কথা উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আগ্নেয়াস্ত্রের স্তুপ এবং মনে জাগে পাশবিক শক্তি । অথচ একবারও নাড়া দেয়না বিবেক, জেগে ওঠে না মনুষ্যত্ব ।

দেশের রাজনৈতি পরিস্থিতি কেমন সেটা নতুনভাবে উল্লেখ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না । দুধের শিশু থেকে কবরের মধ্যে পা রাখা বৃদ্ধ-সবাই দেশের কথা ভেবে আঁৎকে ওঠেন । দেশটা যেন মরণ উপত্যাকায় পরিণত হয়েছে । মানুষ পোঁড়া গন্ধে গোটা দেশটা শ্মশানে রূপ নিয়েছে । হাজার কোটি টাকার সম্পদ পুড়িয়ে ধ্বংস করার ধোঁয়ার কুন্ডলীতে আকাশের রং কালো হয়ে গেছে । সাধারণ মানুষের মধ্যে কেবল হা-হুতাশ । হারানোর আর্তচিৎকার । নিরাপত্তা যেন অচেনা এক শব্দ । মানসিক শান্তি কোথায় পালিয়েছে জানা নাই তবে দেশের সীমানায় যে নাই সেটা নিশ্চিত । অবাক হতে হয়, যাদের গোয়ার্তুমি ও যাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য মানুষের এমন করুণ অবস্থা সেই তারা নির্বিকার । মানুষের আর্তনাদ কিংবা হৃদয়ের ক্ষোভ তাদের কর্ণ কুহর খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছে । মানুষ মারার অবস্থা সৃষ্টি করে যদি স্বার্থ হাসিল উদ্দেশ্য হয় তবে এর চেয়ে অমানবিক আর কি হতে পারে ? ভাবতেই অবাক লাগে যারা মানুষের নিরাপত্তা দিতে সদা প্রতিজ্ঞ সেই জাতিগোষ্ঠী যখন মানুষের জীবন কেড়ে নিতে কার্পণ্য না দেখায় তখন সাধারণের আশ্রয় কোথায় ?

রাজনৈতিক অস্থিরতায় রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গের মত পারিবারিক কাঠামো বিধ্বস্ত হয়ে পরেছে । দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিতে পরিবারের কর্তা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আহারের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ । দিন মজুর পিতা শত চেষ্টা করেও কাজ পাচ্ছে না । সন্তান স্কুল যাবে যে সুযোগও নাই । রাস্তায় হাঁটা কিংবা যানবাহনে চড়ার নিরাপত্তা নাই বললেও অতিরঞ্জিত করা হবে না । রাষ্ট্রের তরুণরা যখন ভালো কাজে মনোনিবেশ করতে পারছে না তখন তারা মন্দ কাজেই নিজেদেরকে জড়াচ্ছে । ভূলে যাওয়া উচিত নয়, তারুণ্য মানবজীবনে সর্বাপেক্ষা শক্তিময় অবস্থা । এ সময় কেউ ইচ্ছা করলেও কর্মহীন থাকতে পারে না । হয় ভালো কাজ নয়ত মন্দ কাজ অর্থ্যাৎ কাজের মধ্যে নিমগ্ন থাকাই তারুণ্যের ধর্ম । রাষ্ট্রীয় অস্থিরতায় যখন তরুণরা ভালো কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে না তখন তারা পেট্রোল বোমা ছোঁড়া কিংবা অন্য কোন অ-কাজে লিপ্ত হয়ে মানুষ ও মানবতার ক্ষতি করলে সে দায়ভার কার ? রাষ্ট্র কি এ দায়ভার থেকে মুক্ত থাকতে পারবে ?

যারা অবরোধ ডেকেছেন এবং যাদের কারণে অবরোধ ডাকা হয়েছে তাদের কারো কোন ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না । কারণ তারা ধনবান । কিন্তু এদেশের সিংহভাগ মানুষকে জীবন ও জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন কর্মস্থলের দিকে ছুটতে কিংবা কর্ম খূঁজতে রাস্তায় বের হতে হয় । তাদের জীবনের নিরাপত্তা কোথায় ? পেট্রোল বোমার আগুনে যারা নিহত হয়েছে তারা মুক্তি পেয়েছে(!) কিন্তু যাদের শরীরের অধিকাংশ স্থান পুড়ে অঙ্গার হয়েছে তাদের আর্তনাদ কিভাবে সহ্য করা যায় । আগুনে দহনের জ্বালা উপলব্ধির নয় বরং অনুভবের বিষয় । যদি কারো মনে সন্দেহ থাকে তবে আগুনে সামান্য ছ্যাঁকা খেয়ে দেখবেন যন্ত্রনা কেমন । যে পরিবারগুলোর সদস্যরা বোমার আগুনে দ্বগ্ধ হয়ে হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর প্রহর গুনছে তাদের এবং স্বজনদের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ নয় । দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টিতে দোষ কোন পক্ষের তা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে উপস্থাপনের দরকার নাই তবে দেশে গণতন্ত্র থাকবে নাকি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধ কোন মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে সেটার সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণকে জানিয়ে দেয়া উচিত । জনগণ মানতে পারলে মানবে নয়ত দেশ ছেড়ে চলে যাবে । কিন্তু এভাবে কেন ? দেশের সবগুলো রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই, গণমানুষের জন্য রাজনীতি করার ধরণ এটা নয় । সত্যের পক্ষে যেমন যুক্তি আছে তেমনি সত্যের বিপক্ষেও যুক্তি কম নয় । তাই বলে কি ভূলকে গ্রহন করা উচিত হবে ? প্রত্যেকের বিবেক নামক একটি বস্তু আছে । সমাজের উচ্চ পেশাজীবির যেমন বিবেক আছে তেমনি সমাজের একেবারে নিম্ন শ্রেণীরও বিবেক আছে । বুদ্ধিকে চেপে রেখে খামখেঁয়ালিপণা দ্বারা চলা যায়, হয়ত তাতে বাহবাও পাওয়া যায় কিন্তু মানসিক প্রশান্তি কি আসে ? সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে মানুষের কাছে সরল ও সঠিক পথের দিশাই দাবী । জাতির দায়িত্বশীলদের কাছে এ দাবীর গভীরতা ও মাত্রা তো আরও অনেক বেশি । আশা করি, সবার মঙ্গলে যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা জরুরী, সেটাকে সকল স্বার্থের উর্ধ্বে অবস্থান করে গ্রহন করা হবে এবং মানুষের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে । ক্ষমতায় থেকে মানুষের ভালোবাসা যতটুকু পাওয়া যায় তার চেয়ে ঢের বেশি সাধারণের কাতারে এসে পাওয়া যেতে পারে যদি কর্ম তেমন হয় । আমার শেষের কথাগুলো বিজিতের মতই মনে হবে, তবুও মানুষের জীবন রক্ষার কাজে পরাজিত হওয়া অনেক বেশি গর্বের । অন্ধকার গণীভূত হলেই আলো নিকটবর্তী হয় । পথ দু’টো-ভালো থাকি মন্দ রেখে সবাইকে অথবা খারাপ থাকি সবাইকে ভালো রেখে । মহৎ কে হবেন সেটা রাজনৈতিক দলগুলোকে বেছে নিতে হবে । দু’টো দলের দু’টি সিদ্ধান্তের ওপর গোটা রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা, শান্তি ও সম্ভাবনা নির্ভর করছে । মনে রাখতে হবে, দলীয় স্বার্থের কাছে জাতীয় স্বার্থ জিম্মি করলে ভবিষ্যতের জন্য সেটা অবশ্যই আত্মগাতী সিদ্ধান্ত হবে ।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
[email protected]


২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×