সরকার আরো একটি দুর্নীতির রাস্তা তৈরি করতে যাচ্ছে। তাই সবাইকে সাবধান করার জন্য এই পোস্ট(যারা সাবধান হতে চান)।
আজকে পত্রিকায় দেখলাম মালায়শিয়া যাওয়ার জন্য
“শুধু সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র থেকেই নাম নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে।“
ডিজিটাল বাংলাদেশের একি হাল। আমার নিজের কম্পিউটার দিয়ে মালশিয়া যাওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করতে পারবনা এটা আবার কেমন নিয়ম বুঝলাম না । এমনটা হলে তো দেশ ডিজিটাল হবে না, সরকার আর ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ডিজিটাল হবে।
জনগণের এত প্রতীক্ষা, সবই বৃথা হল। দুর্নীতির আর একটি পথ খুলে দেওয়া হল।
আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে রেজিষ্ট্রেশন হবে। তাহলে শুধুমাত্র ইউপি তথ্য সেবা কেন্দ্রেই যখন রেজিষ্ট্রেশন হবে, তাহলে চেয়ারম্যানের আত্মীয়, মেম্বারের আত্মীয় ছাড়া অন্য সাধারণ জনগণকি আগে সিরিয়াল পাবে ? আক্ষেপের সাথে বলতে হয়, এই সরকারের নীতি নির্ধারক বা উপদেষ্টা মন্ডলী যারা আছেন তারা কি দুর্নীতি ছাড়া কিছুই বুজেনা? যাই হোক অন্তত তথ্য সেবা কেন্দ্রে রেজিষ্ট্রশনের জন্য প্রত্যেককে(যারা মালায়শিয়া যেতে চান) কম পক্ষে ৫০হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা করে গুনবার জন্য প্রস্তুত থাকেন এবং মোট ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ হবে।এ খাতে দুর্নীতি শুরু হয়ে গেল। অন্তত, দেশের যে কোন জায়গা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন হলে অন্তত এই একক ক্ষমতা পেতনা তথ্য কেন্দ্র এবং দুর্নীতি করারও সুযোগ পেত না।
তথ্য সেবা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, এই অপূর্ব দুর্নীতির সুযোগ দেওয়ার জন্য।
পদ্মা সেতুর মত আরো একটি বড় দুর্নীতির খবর টিভি, পত্রিকা, ফেসবুকে দেখার আমন্ত্রণ রইলো।[/sb

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

