এতদিন আওয়ামিলীগের নেতারা দেশে বিদেশে গলা ফাঁটিয়ে নালিশ করে এসেছেন, দেশে জঙ্গিতে ভরে গেছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত একথা বলে এসেছেন এবং বিভিন্ন দেশের সহযোগিতা চেয়ে এসেছেন। আর তথ্যবাবার কথাতো না বললেই নয়। তিনি নতুন নতুন থিওরিতে নতুন নতুন তথ্য প্রদান করে চলছেন। এখন কথা হচ্ছে, আওয়ামিলীগের এই জঙ্গি জঙ্গি খেলাইকি দেশে জঙ্গিবাদের প্রশ্রয় ঘটাচ্ছে, নাকি তারা নিজেদের মাঝেই জঙ্গিদের লালন করছে। কয়েকদিন আগেতো আওয়ামিলীগের এক অঙ্গ সংগঠণ ওলামা লীগের একাংশের নেতারা দাবি করলেন, আনসারুল্লাহ জঙ্গি সংগঠণ ওলামা লীগের একাংশ দ্বারা পরিচালিত।
বাংলাদেশের কয়েকজন ব্লগার হত্যার দায় এই আনসারুল্লাহ জঙ্গি সংগঠণ স্বীকার করেছে। আর এদের সাথে সংশ্লিষ্টতার একটি তথ্য আমরা ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকেই পেয়েছি। হোক সেটা মিথ্যা বা অনুমান নির্ভর তথ্য। আমরা সেটাকে যাচাই করেতো দেখতে পারতাম। অথচ প্রশাসন এবং মিডিয়া কেওই এটাকে কোন গুরুত্ব দেয়নি।
এখন নতুন করে শুরু হয়েছে আই এস। একেকটা হামলা হচ্ছে আর সেটার দায় আই এস স্বীকার করছে। অথচ সরকার বলছে এটা আই এস করেনাই। বাংলাদেশে নাকি কোন আই এস নাই। এতদিন জঙ্গি জঙ্গি করে মাতম করেছে, আর যখন জঙ্গিরা শক্তি প্রদর্শণ করছে তখন দেশে জঙ্গি নাই। কোন কিছু ঘটার আগেই বেয়াদব হানিফ আর বটতলার উকিল কামরূল বিবৃতি দিয়ে দিচ্ছে, এটা বিএনপি'র কাজ। এখন আর কোন জঙ্গি খুঁজে পাওয়া যায়না। শুধু বিএনপি-জামাত কেই খুঁজে পাওয়া যায়। একসময় এই প্রতি-হিংসা আর দোষারোপের রাজনীতির সুযোগটাকেই কাজে লাগাবে জঙ্গিরা।
গতকাল হোসেনি দালানে যেটা ঘটল এটা কোন সাধারণ বিষয় নয়। এটা একটি ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের বিপর্যয়। বিগত ৪০০ বছরের বিশ্বাসের বিপর্যয়। এটা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। সরকারের উচিত এটি নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার পায়তারা না করে সঠিক বিচার করা। তানাহলে এক সময় তাদের জঙ্গি জঙ্গি খেলায় আমরা সাধারণ মানুষেরা প্রাণ হারাবো।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



