সত্য আজ বড় কঠিন হয়ে ধরা দিলে। প্রপঞ্চকেরও একটা অজুহাত থাকে আমার ত তাও থাকল না। ঠিকানাবিহীন চিঠি যেমন কোন দিনও তার প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছতে পারে না তেমনি আমার না বলা কথাগুলো হয়ত কনো দিনও তার উদ্দিষ্টের কাছে পৌঁছবে না। তারা বরং হৃদয়ের কবরেই ভাল থাকবে। দিন দিন শুধু ব্যাথার তীব্রতা-যন্ত্রণা। এ যেন বিষাক্ত কোন জীবাণু কে পরম যত্নে শরীরে পুষে রাখা।
যে বেদনা সহ্য করার ক্ষমতা আমার আজ নেই তাকেই বরণ করতে হল।বিষ্মকর আমরা মানুষেরা, কিসে যে খুশি হই আর কিসে যে কষ্ট পাই মাঝে মাঝে নিজেরাই বুঝতে পারি না। বুঝলেও অন্যকে বুঝতে দিই না। আবার কখনবা অন্য কে বুঝাবার জন্য অস্থির হয়ে যাই।আমরা শারীরিক ব্যাধিটা কে চিহ্নিত করার কৌশল আবিষ্কার করেছি বটে কিন্তু মানসিকটা? তার উপায় সত্যি স ত্যি বের করা সহজ নয়। কতগুলো লক্ষ্ণ ণের উপর ভরসা করে কিছু বলা যাই মাত্র, তাতে ডাক্তার বাঁচে রোগীও স্বস্ত্বির স্বাদ পায়।
তাই আজ অপরিমেয় দূরত্ত্ব নৈকট্য লাভের আশাকে আর পরাজিত করতে পারবে না। আশা ভয় কে অতিক্রম করেছে। বোধগম্যতা; অস্পস্টতাকে পরাভূত করলেও জন্ম দিয়েছে দ্বন্দ্বের। যার অবসান হয়ত সময়ই করে দেবে…
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


