কত বিচিত্র আমরা। কত বৈচিত্র্যের আধার আমাদের মন। অনেক মানুষের শুভাকাঙ্ক্ষী না হয়েও আমরা শুভাকাঙ্ক্ষীর মত আচারণ করি। হয়ত করতে হয় বলে করা। নানান ভাবে সেটা তাদের জানাই, জানতে দেই। বিশেষ কিছু মানুষের বেলায় আমরা করি তার ঠিক উল্টো, ভীষণ ভাবে তাদের জন্য শুভ কামনা পোষণ করি; অথচ তাদের বুঝতেও দেই না; কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্বীকার পর্যন্তও করি। ভালবাসা ক্ষয়ে গেলেও তার ভগ্নাংশ আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। সে অবশিষ্টের “আবেশ” চিরস্থায়ী থাকে হৃদয়ে- মননে। প্রাপ্তি শুধুই অনুভবের তাই, কাজে কর্মে এর প্রকাশের সুযোগ কিঞ্চিত মেলে।

সময়ের আবর্তে উপরি পাওনা হিসেবে আমরা পেয়ে যাই অন্তর্দহন। অন্তর্দহন ব্যাপারটা দারুন দাহ্য। নিজে পোড়ে, অন্যকে পোড়ায়, তবে ধীরে-নিরবে-অগোচরে। আপাত দৃষ্টিতে শুধু মনকে পোড়ায় বলে মনে হলেও আসলে সে পোড়ায় আমাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা, সুখ, সুখ-চিন্তা, আহার-নিদ্রা এমন কি দুঃখকেও। সেই সবের ধোঁয়া আর ছাই দিয়ে জীবনের সব দিক অন্ধকার হয়ে যায়। আর অন্ধকারে পড়লেই মানুষ বুঝতে শেখে আলোটা ঠিক কোন দিকে। সব পুড়ে ছাই হলে, সেখান থেকেই জন্ম নেয় এক নতুন উপলব্ধিবোধ। তাতে জগতের অন্য সব কিছু ঠিক আগের মত থাকলেও ব্যাক্তির কাছে তারাই উন্মোচিত হয় নতুন মহিমায় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


