somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাজারো মায়ের স্বপ্ন ভংগ্যকারী কারা?????? আজ আমি হত বুদ্ধি!!!!

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার ঠিক মনে পরছে, ক্লাস টুতে যখন আমি পরি, বাংলা বইয়ে একটি কবিতা ছিল "ইচ্ছে"। তবে কবির নাম মনে পরছে না, ম্পনে হয় আহসান হাবীব। কি মনে পঅঅড়ছে কইঈ? নাকি মমনে করতে পারছেন না? কবিতাটি শুনলে মনে পড়বে নিশ্চয়, তাহলে শুনুন,,,,,,,,,,,
#
মনারে মনা কোথায় যাস?
বিলের ধারে কাটব ঘাস।
ঘাস কি হবে?
বেচব কাল,
চিকন সুতোর কিনব জাল।
জাল কি হবে?
নদীর বাঁকে
মাছ ধরব ঝাঁকে ঝাঁকে।
মাছ কি হবে?
বেচব হাটে,
কিনব শাড়ি পাটে পাটে।
বোনকে দেব পাটের শাড়ি,
মাকে দেব রঙ্গিন হাঁড়ি।#
#
তবে কবিতা মনে না পড়লেও মাকে একটা হাড়ি কিনে দেয়ার কথা, মায়ের মুখের সেই কল্পিত হাসির কথা নিশ্চয় মনে পরছে। বোন কে বলে ছিলেন তাকে শাড়ি কিনে দিবেন। তার জন্য একটি সুন্দর বর এনে দিবেন। তাই না!!!
আমরা সবাই আমাদের বাচ্চামনের কমল আকুতি ভরে চাই। এসব তাই না। আমাদের শিক্ষাও তাই শিক্ষা দেয় ছোট্ট বেলায়। আর আমরা এটাই শিখে বড় হয় যে বড় হয়ে বাবা মায়ে, ভাইয়ের বোনের জন্য কিছু না কিছু কিনে দিতে হয়। অবুঝ মনে সেটাই পণ করি। আর একটু বড় হলে ভাবি আমিই পারব বাবাা মায়ের কষ্ট লাঘন করতে।
এত আশা আর বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে আমরা হাজার হআজার মায়ের সন্তান ভতি হঈ বিশবিদ্যালয়ে। ভাবি আপন মনে ছোটবেলার দেয়া কঠা এবার পুরন হবে। মা যখন মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে তখন ফিস ফিস করে বলি,,,,
এইত আর মাত্র ক'টা দিন আমার পড়া লেখা শেষ হলে, আমি একটা ভাল কিছু করব। তোমাকে আর বেস দিন কষ্ট করতে হবে না। বাবা কে বলো ছোটর জন্য একটা ভাল পাত্র দেখতে। এবার ওকে বিয়ে দিতে হবে। আর হ্যা বাবাকে এত পরিশ্রম করতে মানা করিও।
কিন্তু আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলীতে চলছে সারথনেশী মহলে বুনে দেয়া ছাত্র রাজনীতি। তাদের ক্ষমতা রক্ষা করতে বা ক্ষমতা পাবার আশায় ; ছাত্রদের নামিয়ে দিচ্ছে এই অসভ্য রাজনীতির খেলায়। সেই মায়ের সন্তানদের করছে দল বিভক্ত। ছড়িয়ে দিচ্ছে হিংসের বীজ। তুলে দিচ্ছে অস্ত্র, কেরে নিচ্ছে হাতের বই, বানাচ্ছে সন্ত্রাসী। এখানে চলছে উচ্চ মহলের তাবেদারি, আর ছাত্ররা হচ্ছে তার চাকায় পিস্ট হওয়ার বস্তু। এক দিকে যেমন দলাদলিতে ও গ্রুপে গ্রুপে মারামারি: দিচ্ছে প্রান অথবা বরন করে নিচ্ছে পুংগু জীবন। অথবা হয়ে যাচ্ছে নেশাগ্রস্ত।
আর এই সুযোগে কিছু মহল তাদের রাজনৌতিক ভাষায় দোষ দিচ্ছে ছাত্র রাজনীতি। বলছে যা করেছে ছাত্ররা করেছে, তাদের ফল তাদেরকেই ভোগ ককরতে হবে। এই সময় ততারা ভুলে যাচ্ছে, ছত্রদের কথা। কিন্তু এরাই বানিয়েছে সন্ত্রাসী, ব্যবহার করেছে সাধারণ ছাত্রদের ( মায়ের সঅন্তানদের)। ওই সব মহল নিজেদের আখের গোছাতে ছাত্রদের ব্যবহার করেছ। দিনের পর দিন তারা এই কাজ করব চলেছে। যখনিই এক দলকে ব্যবহার করা শেষ হচ্ছে, তখন আর একদল কে তারা বেছে নিচ্ছে।
আর ছাত্ররা মারামারি ককরছে নিজেদের মধ্যে, দিচ্ছে প্রান। বিশবিদ্যালয় হয়ে উঠছে যুদ্ধ ক্ষেত্র। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হচ্ছে বিশবিদ্যালয়। তাদের সুবিধার জন্য অনির্দিষ্টকাল বন্ধ করে রাখছে আমাদের প্রণের বিশবিদ্যালয়। এতে তাদের তো কোন ক্ষতি নেই। যা হবার তা হলো আমাদের শিক্ষা জীবনকে লম্বা করছে। আমরা হারাচ্ছি আমাদের মূল্যবান সময়। আমরা পড়ে যাচ্ছি সেশনজট নামক থাবার করাল গ্রাসে। আর তারা বলছেন ছাত্ররা আজ বেপরোয়া হয়ে গেছে।
কিন্তু এই সহজ সরল ছাত্ররা তো রাজনীতি করতে বিশবিদ্যালয়ে আসে না। তারা তো মাকে কথা দিয়েছিল তার জন্য মাটির হাড়ি নিয়ে আসবে। বাবার কাধ থেকে সংসারের বোঝা নামিয়ে নিবে।
কিন্তু কেন তাদের আজ অপরাধের বোঝা নিয়ে জেল হাজোতে কাটাতে হচ্ছে। কেনইবা পালিয়ে থাকতে হচ্ছে। কে এর জন্য দায়ী? কে অপরআধী? কারা কেরে নিচ্ছে হাজার হাজার মায়ের স্বপ্ন?
আজও কি বুঝবে না এই নির্বোধ ছাত্ররা? ফিরিয়ে কি দেবে না মায়ের চোখের স্বপ্ন?
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

শুধু ভারত বিদ্বেষই না।

মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,

/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।

/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×