মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না। ইয়া হু। কি মজা।
আসলেই কি মজা? এত এত A+ এর ভীড়ে আমি চান্সপাব তার নিশ্চয়তা কোথায়? মার্কসের ভিত্তিতে নেয়া হবে। সেই মার্কসও তো গোপনীয় বিষয়। GPA system এ marks কে যদি প্রাধান্য দেওয়া হয় তাহলে GPA এর range রাখার দরকার কি? আগের সেই star আর stand করা যুগে ফিরে গেলেই তো হয়। এই গোপনীয় marks কে বিবেচনায় ধরে admission এর মত স্পর্শকাতর বিষয়ে যেখানে হাজার হাজার স্টুডেন্টদের জীবন ও জীবিকার প্রশ্ন জড়িত, তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা কি ঠিক? কি নিশ্চয়তা আছে এই secrete marks এর ক্ষেত্রে unfair policy গ্রহণ করা হবে না? বাংলাদেশের মত দেশে unfair হওয়াটাই তো স্বাভাবিক ঘটনা।
Question out? কারা করে? Coaching centre এর লোক এর সাথে সম্পৃক্ত। question কি তাদের হাতে থাকে না নীতিনির্ধারকদের হাতে থাকে? আগে টাকা খাওয়া যেত হয়ত ৩০-৪০ জনের কাছ থেকে, এখন ২০০০ জনের কাছ থেকেই টাকা খাওয়া যাবে।
কোচিং বন্ধ করতে হবে কিন্তু তাদের reg. No. বাতিল করা যাবে না কারণ কর্তাব্যক্তিরা তো এগুলো থেকে বিপুল পরিমান tax আর মাসোহারা পেয়ে থাকেন। আর HSC & SSC এর system তো আমাদের দেশে অসাধারণ। ভিন্ন খাতা দেখা, ভিন্ন question , গ্রাম আর শহরের পড়ালেখার মান ভিন্ন। সর্বোপরি হযবরল অবস্থা। এই অবস্থাই এই সিদ্ধান্ত কতটুকু যৌক্তিক। বিেশ্বর আর কোন দেশে এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের উদাহরণ দ্বিতীয়টি নেই। কিছু দিনের আগের বিখ্যাত উক্তি দিয়ে শেষ করি।
‘হায়েনা, ওই হায়েনা তুই দেশকে খেয়েছিস, এখন বুয়েটকে খাবি... পারবি না। আমরা বুয়েটের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলাম শিকারি। প্রথমে তোর মাথায় মারব, পরে পেটে। তারপর মাথা কেটে বুয়েটের সামনে টানিয়ে রাখব। যাতে বুয়েট ধ্বংস করতে না পারিস।’
না এভাবে বলব না। এভাবে বলার সাহস নেই। পাছে আবার আমার নামে হুলিয়া জারি হয়ে যাবে। শুধু বলব, বুয়েট গেল, মেডিকেল গেল,এবার
................ ঢাবি ready তো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



