“বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট”।
সব কিছুই ঠিক ছিলো, ভেজাল বাধালো শেষের অনকাংখিত শদ্ব-অতিথিটি । কেনো; ইনস্টিটিউট শব্দটির কি বাংলা নেই ? যদি থাকে তাহলে লেখা হয়না কেন? আর যুতসই বাংলা যদি না থাকে তাহলে বাংলা শব্দ বানানো হয়না কেন? দায়িত্বটা আসলে কার?
এরকম আরও আছে “বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট”, “খাদ্য ও চিনি শিল্প কর্পোরেশন”, “ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট” “মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড” সহ হাজারো উদহারন।
এ যেন উদোরপিন্ডি বুধোর ঘাড়ে লাগিয়ে একটা কিম্ভুতকিমাকার নামকরণের রেওয়াজ যা চলে আসছে বহুযুগ ধরে। অথবা নামের শেষে একফোটা ইংরেজি লাগিয়ে একটু জাতে উঠার অপচেষ্টা।
হীনমন্যতা যেন বাংগালীর অলংকার। অসচেতনতা যেন আমাদের একটা ফ্যাশন।
শুনতে যতো বিদঘুটেই লাগুক, যতদুর সম্ভব এ ধরণের নামকরণগুলি পুরোপুরি বাংলায় রপুান্তর করা হোক। ভাষা দিবসে গলাবাজি না করে এ ধরণের আংলিশ-বাংলিশ পরিহার করে, আমাদের আত্নমর্যাদা নিয়ে বাচতে দিন।
বি:দ্র: অনেক বিদেশী শব্দই বাংলায় জায়গা করে নিয়েছে এবং তা ব্যবহারও হচ্ছে। এখানে শুধু মাত্র রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর বাংলায় নামকরণ নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। তাই কেউ দয়া করে চেয়ার কে কেদারা বলার প্রস্তাব করে ত্যানা প্যাচাবেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


