somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জঙ্গিবাদঃ বিজেপির নতুন খেলার মাঠ পশ্চিমবঙ্গ ??

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ২:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন, এটা বিজেপির শীর্ষ নেতা অমিত শাহ এর। না, না, আবার ভুল বুঝবেন না। উনি সৈয়দ আশরাফ বা মীর্জা ফকরুল টাইপ কথা বেশি কাজ কম নেতা নন। উনি এখন BJP এর প্রেসিডেন্ট। ওনার পরিচয় এতেই শেষ হবার নয়।
আর.এস.এস এ তার রাজনৈতিক হাতে খড়ি 1983 সালে।
1986 সালে যোগ দেন বিজেপি তে।
২০১০ সালে উনি যখন গুজরাটের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, তখন এক আলোড়ন তোলা ঘটনা ঘটে। তাকে তখন সাজানো হত্যার নীল নকশাকারী ( orchestrating fake police encounters) হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়, সে গ্রেফতার হয়। আদালত তাকে গুজরাট থেকে নির্বাসনে পাঠানোর সর্তে জামিন দেয়।
মন্ত্রী থাকা কালীন সে মোদীকে দিয়ে একটা আইন পাশ করায়। যার ফলে ধর্মান্তরিত হওয়া কঠিন হয়ে পরে। (played an important role in convincing the Narendra Modi government to pass the Gujarat Freedom of Religion Act, which made religious conversions difficult in the Hindu-majority Gujarat.) এতে RSS আল্লাদে গদ গদ হয়। RSS এর সিনিয়র নেতারা যারপরনাই খুশি হয় তার প্রতি।
এই লোকটার বুদ্ধির মাত্রা বোঝানোর জন্য শুধু একটা ঘটনা উল্লেখ করব। 1995 সালে বিজেপি প্রথমবারের মত গুজরাটে সরকার গঠন করে। সে সময় বিজেপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল Indian National Congress পার্টি। কংগ্রেস গুজরাটের গ্রাম এলাকাতে ছিল highly influential. তখন নরেন্দ্র মোদী এবং এই অমিত শাহ মিলে একটা দারুন রাজনৈতিক নকশা করল যাতে করে গ্রাম এলাকাতে কংগ্রেসের প্রভাব কমানো যায়। তাদের পরিকল্পনা ছিল যে তারা প্রতিটি গ্রামের দ্বিতীয় জনপ্রিয় ব্যাক্তিকে খুজে বের করবে ( find the second most influential leader in every village) এবং তাকে দলে টানবে। অর্থাৎ বিজেপিতে যোগ দেওয়াবে। তারা ৮০০০ (আট হাজার) নেতাদের একটা network তৈরি করে যারা 'প্রধান' pradhan (village chief) পদে নির্বাচন করে হেরে গেছে। এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে তারা স্টেট এর co-operative গুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। ১৯৯৯ সালে শাহ Ahmedabad District Cooperative Bank (ADCB) এর প্রেসিডেন্ট হয়ে যায় যেটা গুজরাটের সবথেকে বড় Cooperative Bank। এই ক-অপারেটিভ ব্যাংক গুলো এবং হারু নেতাদের নেটওয়ার্ক তৈরি করে শাহ খুব সফল ভাবে গুজরাটের গ্রাম গুলোতে কংগ্রেসকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। সুত্রঃ wikipidia (চলবে)
/
** Note: গত জাতীয় নির্বাচনে বিজেপি অন্য সব রাজ্যে আশাতীত মাত্রায় ভাল করলেও পশ্চিম বঙ্গে খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি। কাজেই, অমিত শাহের নতুন কার্যক্ষেত্রঃ "মিশন পশ্চিমবঙ্গ" !! আর, এক্ষেত্রে জঙ্গিবাদ অর্থায়নের অভিযোগ এর থেকে ভাল ট্রাম কার্ড আর কিই বা হতে পারে !!!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:০১
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এক সেকেন্ডের নেই ভরসা

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩


সংসারের শত দায়িত্ব কাঁধে। ধাপে ধাপে সব পালন করতে হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে ভালো মনে রাস্তায় নামলেন রাইড শেয়ার করবেন বলে। হঠাৎ একটা প্রাইভেট কারের সাথে ধাক্কা লাগল। আপনি রাস্তায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসমাপ্ত নীহারিকা - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭



বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাকে দেখলে মানুষের প্রথম যে কথাটা মনে হতো, তা হলো—ছেলেটার নিশ্চয়ই কোনো সমস্যা আছে।
কালো জিনস। কালো টি-শার্ট। টি-শার্টে কখনো Behemoth, কখনো Slayer, কখনো Cannibal Corpse। কানে হেডফোন। চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×