somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পজেটিভ মানসিকতা !!!

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকাল আমাদের মানসিকতা কেমন যেন নেগেটিভ হয়ে গেছে। কোন কিছুতেই পজেটিভ কিছু খুজে পাই না। এটা কি এক ধরনের রোগ ? হতে পারে !
আসুন একটু চেষ্টা করে দেখি, বিভিন্ন ঘটনাকে পজেটিভলি দেখা যায় কিনা ! একটু পজেটিভলি দেখুন না !

১। আমার আবাস রাজশাহীতে। রাজশাহী শহর পদ্মা নদীর তীরে। আমাদের চোখের সামনে পদ্মা নদীটা মরে গেল। ভারতের ফারাক্কা ফাদে পরে পদ্মার বুকে এক বিশাল চর। পানি ! সে শুধু বর্ষায়। বাকী সময় ধু-ধু বালু চর। কিন্তু এতে কিছু উপকারও আছে। পদ্মার বুকে জেগে ওঠা চরে অনেকেই দেখি ধান, বাদাম, তরমুজ এসবের চাষ করছে। কাজেই কৃষি উৎপাদন বাড়ছে। তাছাড়া, পানি না থাকায় নৌকা ডুবি হচ্ছেনা। কেউ মারাও যাচ্ছে না। বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য কিছু জায়গা বেড়েছে। আরও কত !

২। রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তা ঘাটে পানি জমে যায়। আমি শান্তি নগরে একটা টিউশনি করতাম। সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে হাটু পানি জমে যায়। তবে, এই রাস্তা ঘাটে পানি জমলেও এর কিছু উপকার আছে। পানি থাকার কারনে বাতাসে ধুলোবালি কমে যায়। যেটা পরিবেশের জন্য খুব ভাল। তাছাড়া, ১০ টাকার রিকশা ভাড়া হয়ে যায় ২০টাকা। ৫০ টাকার CNG বেড়ে হয় ১৫০ টাকা! এই ভাড়া বাড়ায় কারনে গরীব রিকশাওয়ালা, CNG ড্রাইভার এরা বাড়তি দু-পয়সা আয় করতে পারে। এতে ধনী গরীবের ব্যাবধান কমে !

৩। সুন্দরবনে তেলবাহী জাহাজ ডুবেছে। এতে চারিদিকে ভয়াবহ আকারে তেল ছড়িয়ে পরেছে। সবাই মহা আতঙ্কে আছে, এই ঘটনায় কতটা ক্ষতি হয়। পরিবেশ প্রতিবেশের কি হবে সেই নিয়ে আতঙ্ক। বন বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত সুন্দরবনের পশুর, শ্যালা, রূপসা ও বলেশ্বর নদের ৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়েছে। নদীতীরবর্তী এলাকার চাঁদপাই, জয়মনি, তাম্বুলবুনিয়া, হরিণটানা এলাকায় প্রায় তিন ধরনের বনজীবী বসবাস করেন। বন থেকে মাছ ও রেণু পোনা ধরা, মধু ও গোলপাতা আহরণ তাঁদের প্রধান জীবিকা। বনে তেল ছড়িয়ে পড়ার ফলে এই বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর জীবিকা ব্যাহত হচ্ছে।
ডঃ সামসুদ্দোহা খন্দকার, চেয়ারম্যান, BIWTA, একটা পজেটিভ মানুষ। তিনি কিন্তু এই ঘটনাতে একটা পজেটিভ দিক পেয়েছেন। এই যে তেল ছড়িয়ে পড়ল, সেটা এলাকার মানুষ সংগ্রহ করছে। তাতে তাদের বাড়তি একটা আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে !!

সত্যিই আমাদের positive মানসিকতা থাকটা খুব দরকার !
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন কাওসার চৌধুরী ও তার গল্পগুচ্ছ 'পুতুলনাচ' (বই রিভিউ)

লিখেছেন আকতার আর হোসাইন, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:১৫



লেখকের প্রথম বই--- বায়স্কোপ: যে বইয়ে কাওসার চৌধুরী এঁকেছেন জীবনের বায়স্কোপ

আর সবার মতন একজন লেখকেরও রয়েছে স্বাধীনতা। যার যে বিষয়ে ইচ্ছে সে সেই বিষয়েই লিখবে। জোড় করে কোন লেখকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

যীশুর রহস্যময় বাল্যকালঃ মিশর অবস্থান কাল বার বছর পর্যন্ত

লিখেছেন শের শায়রী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৩০



যীশুর জীবনের অন্যতম রহস্যময় ঘটনা হিসাবে যা আমার কাছে মনে হয় তা হল যীশুর বাল্যকাল। ইতিহাস প্রসিদ্ধ ধর্মপ্রচারকদের মাঝে যীশুর জীবনির একটা অংশ নিয়ে আজো কোন কুল কিনারা পাওয়া যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাড়ী ভাড়া বিষয়ক সাহায্য পোস্ট - সাময়িক, হেল্প/অ্যাডভাইজ নিয়েই ফুটে যাবো মতান্তরে ডিলিটাবো

লিখেছেন বিষন্ন পথিক, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৭

ফেসবুক নাই, তাই এখানে পোস্টাইতে হৈল, দয়া করে দাত শক্ত করে 'এটা ফেসবুক না' বৈলেন্না, খুব জরুরী সহায়তা প্রয়োজন।

মোদ্দা কথা...
আমার মায়ের নামে ঢাকায় একটা ফ্লাট আছে (রিং রোডের দিকে), ১৬০০... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৫


জীবনানন্দ দাস লিখেছেন- সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...। বনলতা সেন কবিতার অসাধারণ এই লাইনসহ শেষ প্যারাটা খুবই রোমান্টিক। বাংলা শিল্প-সাহিত্যের রোমান্টিসিজমে সন্ধ্যার আলাদা একটা যায়গাই রয়ে গেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪৪



"বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!", এই কথাটি আমাকে বলেছিলেন আমাদের গ্রামের একজন নতুন বধু; ইহা আমার মনে অনেক কষ্ট দিয়েছিলো।

আমি তখন অষ্টম শ্রেণীত, গ্রাম্য এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×