চাঁদ। স্নিগ্ধ প্রেমিক।
রাত্রি। তৃষ্ণাতুরা। প্রণয়িনী।
দু’জনে মুখোমুখি। মাখামাখি। চাঁদ মৃদু হাসে।
রাত্রি ভাসে। ডোবে। মুগ্ধতায়।
আর আশরীর অশরীরী হতে থাকে। ক্রমশ।
চাঁদ রাত্রিকে খোঁজে,
-তোমাকে দেখতে পাচ্ছি না কেন, রাত্রি?
-আমি হারিয়ে গেছি।
-কোথায়?
-তোমার প্রেমের আগ্রাসি আলোয়।
তারপর ওরা বসে থাকে। চাঁদ আর রাত্রি। বসেই থাকে। ওর কাঁদে ওর মাথা। চাঁদ লজ্জা পায়। মেঘের আড়ালে লুকায়। রাত্রি বলে, “অন্ধকার দিয়ে ডেকে দিবো, কেউ দেখবেনা”
চাঁদ তবু লজ্জা পায়। বড্ড লাজুক ও। রাত্রি বলে,
– সূর্য আসার দেরী নেই।
চাঁদ বলে, আমার যে কলঙ্ক আছে।
রাত্রি একটু হাসে। হেসে ওকে বলে, কলঙ্কের ভার আমি নিবো। ভালোবাসি…
…তারপর মহা প্রনয় হয়। পৃথিবীতে কিছুক্ষন অন্ধকার নামে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



