somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশের অসংখ্য ডিগ্রীধারী যুবক সমাজ বেকার এর করণীয় কি?

০২ রা এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সতর্কীকরণ
আমাদের এই আয়োজন জনগন, দেশ, সরকার এবং সংবিধানের কোন প্রকার ব্যাঘাত ঘটানের জন্য নয়।
আমরা আমাদের এই আয়োজনের মাধ্যমে সরকার এবং জনগণকে সহযোগিতা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে, গনত্মব্য পৌছানোর জন্য একটি সহযোগিতার হাত।
এই আয়োজনটি অবশ্যই কোন রাজনৈতিক দলের অনত্মর্ভূক্ত নয়। শুধুমাত্র দেশ, এবং সরকারকে সহযোগিতা করা জন্য Real Universe - Fatteh Concept এর একটি প্রয়াস।

প্রশ্ন: দেশের অসংখ্য ডিগ্রীধারী যুবক সমাজ বেকার এর করণীয় কি?
উত্তরঃ চাকুরীর খাতে ঘুষ, তদবির অথবা যোগ্যতা নেই। কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে তেমন একটি মান নেই। পরীক্ষার ফলাফল তেমন একটি ভাল নেই। প্রায় এ সমস্ত
সমস্যাগুলি পাওয়া যায় এবং এই সমস্যার জন্য ছাত্র সমাজ Promote হতে পারছে না। এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এবং সকরারের করণীয় কি কি? শুধু পাসের হার বেড়েছে, চাকুরীর হার বাড়েনি। ঠিক একই জিনিসটি যদি বিপরীতভাবে ব্যবহার করা হয় অথবা ব্যতিক্রমভাবে সুবিধা দেয়া হয় তাহলে সঠিক সমাধান কি আসবে? সরকারী চাকুরীর দিক রয়েছে কয়েকটি। এর মধ্যে প্রশাসনিক চাকুরীর দিক রয়েছে : ১- আর্মি, ২-ডিভিপি, ৩-বি.ডি.আর, ৪-পুলিশ, ৫-সি.আই.ডি এবং এস.বি ইত্যাদি। যদি আমরা পুলিশ সংস্থা নিয়ে কথা বলতে যাই, (উদাহরণ স্বরূপ) তাহলে জরিপ করে দেখা যাবে, বাংলাদেশে প্রায় ৪ লক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা আছেন (সম্ভবত -Security Resion) আর দেশের জনগণ ১৪ কোটির অধিক প্রায়। এর মধ্যে অবশ্যই কোনো ভাবেই ১৪ কোটি জনগণ এর সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এবং এই ৪ লক্ষ পুলিশ থেকে আংশিক আংশিক ভবে শিল্পপতি, দেশের নেতৃবর্গ মন্ত্রীবর্গ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং কিছু সুনামধন্য কোম্পানির কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। ঐ কিছু সংখ্যক পুলিশ বাদ দিলে আমরা সর্বমোট ২ লক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে কর্মরত অবস্থায় পাই। যদি আমরা ছাত্র সমাজকে নিয়ে Short Traning করিয়ে পুলিশের চাকুরীতে কিছু শর্ত বাদ দিয়ে এভারেজ স্কেলে বেতনের হার নির্ণয় করে যদি ২ লক্ষ ছাত্রকে পুলিশের চাকুরীর সুযোগ দেই তাহলে দেখা যাচ্ছে সরকারের একটি পুলিশ সংস্থা থেকেই ২ লক্ষ চাত্রকে চাকুরী দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ঠিক একই রকম করে সরকারিখাতে এই রকম ৫ টির অধিক বিভিন্ন রকম সরকারি প্রশাসনিক সংস্থা রয়েছে। তার মানে বুঝা গেল যদি আমরা এই ব্যাপারটি একটু জোরদার করি তাহলে যুবক সমাজের ছিুটা বেকারত্ব দুর করা সম্ভব হবে। ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন পেশার উপর অসংখ্য সরকারি সংস্থা রয়েছে যাকে সুব্যবহার করে বেকারত্ব দুর করা সম্ভব হবে। তাহলে আমরা ফলাফল পাবো দেশের ক্রাইম সেক্টরটা প্রায়ই কমে আসবে এবং কর্ম ব্যস্ততা বাড়বে যা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কে আরো চাঙ্গা করবে।
আমাদের এই প্রতিবেদনে পুলিশ সংস্থা নিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে (উদাহরণ স্বরূপ) । যদি আমরা একই ব্যাখ্যা পুলিশ সংস্থার পরিবর্তে সরকারি অন্য কোনো সংস্থা ব্যবহার করি তাহলে একই ফলাফল পাওয়া যাবে। এর ফলে প্রত্যেক শিক্ষিত যুব সমাজের চাকুরী সুনিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি। আমরা এখানে জরিপের কথা নিয়ে কথা বলছি এর মূখ্য কারণ জরিপ চাকুরীর ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা পালন করবে। যাহা আমরা ব্যাখ্যা করব ৩ য় সংজ্ঞায়।
কিছু শর্ত বাদঃ চাকুরীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে সব সমস্যা গুলো দেখা যায় সেটা হলো Applicant যেভবে চাকুরীর আশা করে ঐ ভাবে না পাওয়া অথবা চাকুরী দাতা যেভাবে Aplicant চান ঐ রকম Applicant না পাওয়া উচ্চ ডিগ্রী আছে যোগ্যতা নেই, যোগ্যতা আছে উচ্চ ডিগ্রী নেই, কারো উভয়টা আছে তদবির নেই। যদি আমরা কিছু শর্ত বাদ দিয়ে চাকুরীর ব্যবস্থা করি তাহলে প্রায় সমাধান পাওযা যাবে। আমরা পুলিশ সংস্থা নিয়ে কথা বলেছিলাম (উদাহরণ স্বরূপ) তাই এই সংস্থা থেকেই ফলাফল বের করা সম্ভব হবে। একটি পুলিশের চাকুরীর আগে আর পরে কি কি সুবিধা প্রদান করা হয় আর পেয়ে থাকেন (Applicant) ? চাকুরীর নিয়োগ দেওয়ার পূর্বে সুবিধাগুলি ব্যাখ্যা করছি: প্রতিটি Applicant কে পুলিশের চাকুরী দেওয়ার পূর্বে Low of Police অনুযায়ী (উদাহরণ স্বরূপ) ৬,৯ এবং ১২ মাস পর্যন্ত ট্রেনিং করানো হয়। একই ট্রেনিংকে যদি আমরা ব্যতিক্রভাবে দিয়ে থাকি তাহলে সরকারের কতটুকু রাজস্ব খরচ হইতে কমিয়ে আনা এবং সাহায্য কর সম্ভব হবে। Low of Pilice অনুযায়ী যে ট্রেনিং না দিলেই নয় শুধু ঐ ট্রেনিংগুলি করিয়েই যদি চাকুরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সময়, রাজস্ব এবং ট্রেনিং চলাকালীন ভাতা প্রায় কমিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং (Hiden Chrage - Officer) এবার ব্যাখা করা যাক চাকুরীর পরের সুবিধাগুলো : চাকুরীর নিশ্চিত হওয়ার পর পরই যেসব সুবিধাগুলো পেয়ে থাকেন তার মধ্যে কযেকটি হচ্চে রেশন কার্ড, সরকারি কোয়ার্টার, পেনশন ইত্যাদি। যদি আমরা এই চাকুরীর নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত বাদ দেই তাহলে দেখা যাবে চাকুরীর নিশ্চিতের পূর্বে ডিগ্রী, যোগ্যতা, পুলিশ ট্রেনিং এবং পরীক্ষার ফলাফল এর উপর চূড়ান্ত বিবেচিত করে কাউকে রেশন কার্ড দেওয়া হবে, কাউকে সরকারি কোয়ার্টার দেওয়ার হবে অথবা কাউকে উভয়টাই দেওয়া হবে বা কাউকে শুধু পেনশন দেওয়া হবে এবং কাউকে কিছুই দেওয়া হবে না আর যাকে কোন সুবিধাই প্রদান করা হবে না তাকে মোটামুটি ভাল একটি বেতন প্রদান করা হবে অথবা যে কোন একটি সুবিধা দেওয়া হবে। জরীপ এর ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম সেটি
এখানে অন্য রকম ভূমিকায় কাজ করবে যেমন Applicant এর নিজ বাসস্থান হয় তাহলে সরকারি কোয়ার্টার দেওয়া হবে না । যদি Applicant এর পরিবারের কোন কর্মকর্তা ব্যবসায়ী হন তাহলে রেশন কার্ড দেওয়া হবে না। আর যদি Applicant এর পরিবারে নিজ বাড়ী, ব্যবসায়ী এবং কেউ প্রবাসী হয় তাহলে পেনশন দেওয়া হবে না। আবেদনকারীর সমস্ত তথ্য চাকুরী নিয়োগের পূর্বে চাকুরী ফর্মে লিপিবব্ধ করা হবে ঠিক একই রকম করে কিছু শর্ত বাদ দিলে সরকারের রাজস্ব খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব, আর জমাকৃত ঐ রাজস্ব যে রাজস্ব আগে নিয়ম অনুয়ায়ী খরচ হয় নাই ঠিক ঐ রাজস্ব থেকে কিছু সংখ্যক শিক্ষিত যুব সমাজের চাকুরী সুনিশ্চিত করা সম্ভব এবং সম্ভব করবে। আমরা জানি ঔষধ খেলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে আর এটা হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ বড় কোনো সমস্যাকে সমাধান করতে হলে তার পাশে ছোট কোন একটি দিককে নষ্ট করে থাকে যা ক্লিনিক্যালি প্রমানিত। আর তা না হলে সেই বড় সমস্যার সমাধান করা সম্বব হয় না। ঠিক সরকারকেও এমন করেই ভাবতে হবে। তাহলে রাজস্ব খরচ কমানো সম্ভব হবে এবং চাকুরী সুনিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকারি বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলি অপরিবর্তিত থাকবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং মুক্তিযোদ্ধ সন্তান এর জন্য। এর কারণ ব্যাংক কাকে লোক দেবে? যাকে ব্যাংক চেনে এবং যে একাউন্ট হোল্ডার ট্রানজিকশন নিয়মিত করে আসছেন ঠিক ঐ ব্যক্তি এবং ঐ সমস্ত সংস্থার ট্রানজেকশন এর উপর ভিত্তি করেই একোউন্ট হোল্ডারকে ও সংস্থা লোন প্রদান করে থাকেন। ঠিক একই রকম করে সরকার মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ও ঐ সুবিধাগুলো প্রদান করে থাকেন। যেহেতু আমরা আমাদের এই ব্যাখ্যায় কিছু শর্ত বাদ দেয়ার কথা উল্লেখ করেছি বেকারদের চাকুরী সুনিশ্চত করার জন্য। আরেকটি কথা না বললেই নয় আমরা সাধারণত জানি ইসলাম আমাদের জন্য আমরা ইসলামের জন্য নই । ঠিক একই রকম করে সংবিধান আমাদের জন্য আমরা সংবিধানের জন্য নই। যদি আমাদের এই প্রতিবেদন এবং ব্যাখ্যায় কিছু সংখ্যক বেকারের চাকুরী সুনিশ্চিত করে তাহলে সংবিধান এবং সরকার আমাদের স্বার্থে কিছু পরিবর্তন আনবে আশা করি।
এভারেজ স্কেলে বেতন হার নির্ণয়ঃ একটি পরিবারের দুইজন পড়াশোনা শেষ করেছেন। একজন করেছেন। বি, এ (পুরুষ) সে চাকুরী পাচ্ছেন না । আর একজন শেষ করেছেন এইচ, এস, সি (মহিলা) তাকে চাকুরী করতে দেয়া হবে না। এখন, এখান থেকে কি বুঝা গেল? প্রায় পরিবারেই লক্ষ্য করতে পাই পরিবারের ট্রেডিশন অথবা পরিবারের পূর্ব পুরুষ থেকে চলে আসছে মহিলাদেরকে চাকুরীর ক্ষেত্রে নিষেধের কথা অথবা চাকুরী থেকে বিরত থাকার কথা। তাহলে একই পরিবারের দুজন এর পড়াশোনার শেষ ফলাফলে পাওয়া যাচ্ছে পুরুষকে চাকুরী করতে হবে এবং মহিলাকে দেওয়া হবে না। তাহলে এখান থেকে ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে, রাজস্ব কোন খাতে খরচ করা হয়েছে। যেহেতু একটি পরিবার, পরিবারের উভয়ের পড়াশুনার খরচ বহন করেছেন যাকে আমরা (উদাহরণ স্বরূপ রাজস্ব ব্যয় বলতে পারি) আর আয় হচ্ছে শুধু পুরুষের কর্মরত অবস্থা থেকে। তাহলে বুঝা যাচ্ছে আয়ের থেকে ব্যয় বেশি যার ফলে অসংখ্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর বেকারত্বের কারণ হচ্ছে এবং চাকুরীর অনিশ্চয়তা। এই সমস্যা থেকেই সরকারকে সঠিক সমাধান নির্ণয় করতে হবে। দেশের একটি পণ্য যার দাম ৯০০ টাকা । বাজারজাত করতে গিয়ে আরো বারলো ৩০০ টাকা সর্বমোট পণ্যটির দাম দাড়ালো ১২০০ টাকায়। এখন এই ১২০০ টাকার পণ্যটি সবার পক্ষে কেনা সম্ভব অবশ্যই না কিন্ত একটু পরিবর্তন আনলেই তাহা সবার পক্ষে কেনা সম্ভব হবে। যদি একটি ১২০০ টাকার পণ্য আমরা ৪০ টি ভাগে ভাগ করে দেই তাহলে জনপ্রতি একই ১২০০ টাকা পণ্যটি ৩০ টাকায় ভোগ করতে সক্ষম হবেন এরই সাথে বৃদ্ধি পাবে পরিচিতি, পণ্যের মান এবং বিক্রয়। এই ব্যাখ্যাটিকে যদি আমরা পণ্য হিসাবেকে ছাত্র হিসাবে ধরি আর পণ্যের দামটি চাকুরী হিসাবে ধরি তাহলে ফলাফল কিছু সংখ্য বেকার ছাত্র সমাজকে চাকুরী প্রদান করবে। সরকার যেন উভয় পক্ষকে সমান সমান করে একটি এভারেজ স্কেলে যেন বেতন নির্ণয় করেন । যাহা ক্রাইম সেক্টর কমিয়ে আনবে এবং অর্থনৈতিক অবস্থা আরো চাঙ্গা করবে।
ক্রাইম সেক্টরঃ যদি সহজ শর্তে মেধাবী শিক্ষিত সমাজকে চাকুরী প্রদান করা হয় তাহলে প্রতারকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে। আর প্রয়োজন হবে না মোটা অংকের টাকা আর নাই প্রয়োজন হবে কোন প্রকার তদবির চাকুরীর ক্ষেত্রে। যখনই সরকার সহজ শর্তে চাকুরীর চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিয়ে চাকুরী প্রদান করবেন তখনই প্রতারকের সম্মুখীন হবে না আর কেউ। প্রায়ই সময় আমরা লক্ষ্য করতে পাই শিক্ষা, মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্বেও চাকুরী সুনিশ্চিত পর্যায়ে পৌঁছায় না। এর বড় একটি কারণ হচ্ছে চাকুরীর ক্ষেত্রে দুনীর্তি যার কারণে নষ্ট হচ্ছে শিক্ষিত সমাজের শিক্ষা, মেধা এবং যোগ্যতা আর বঞ্চিত হচ্ছে অবদান রাখার মতো ছাত্র , শিক্ষা, মেধা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস যার ফলে দিনে দিনে লিপ্ত হচ্ছে ছাত্র সমাজ মাদকের সাথে এবং নানান রকমে অবৈধ কার্যকলাপের সাথে । প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীকে কর্মব্যসত্মতার মধ্যে নিয়ে আসা, তাহলে ক্রাইম সেক্টর কমে আসবে কারণ যখনই ছাত্র-ছাত্রী নিজেকে কর্মরত অবস্থায় পাবেন ( হোক সেটি কম আর বেশী) তখনই বিরত থাকবে সমস্ত অবৈধ কাজ থেকে
অর্থনৈতিক অবস্থাঃ যে কারণে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতি হয় না এর প্রধান কারণ হলো দুনীর্তি। এমন একটি খাত বাকি নেই যেখানে দুর্নীতি হচেছ না হয় না। স্বাভাবিক ভাবে একটি টেন্ডার সরকারি সংস্থা থেকে ইস্যু হয় ২০০ টাকায় (উদারহরণ স্বরূপ) সেই ২০০ টাকার টেন্ডারটি কর্মের ক্ষেত্রে পঞ্চাশ টাকা রূপে ভূমিকা পালন করে তা আমরা আর আপনারা সবাই জানি। যার জন্য বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ জনগণ এবং এর ভার ও উত্তোলন করতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। তাহলে ফলাফল কি পাওয়া গেল। ইনভেস্ট করেছি প্রফিট দেখি নাই, প্রফিট দেখেছি ইনভেস্ট করি নই। এই দুই রকম কথা দুই রকম লোকের জন্য প্রয়োজ্য। সরকার বলেছ: ইনভেস্ট করেছি প্রফিট দেখি নাই। যারা দুর্নীতি করছেন তাদের ভাষ্য প্রফিট দেখেছি ইনভেস্ট করি নাই। এই হচ্ছে দেশের বর্তমান প্রামান্য চিত্র। তাহলে কি আসলেই এর সমাধান নাই। হ্যঁ অবশ্যই এর সমাধান রয়েছে। যে ইনভেস্ট আমরা টেন্ডারের ক্ষেত্রে করছি একই ইনভেস্ট যদি আমরা ছাত্রদের, মেধা এবং যোগ্যতার প্রতি করি (উদাহরণ স্বরূপ) তাহলে আয়-ব্যয় সমান সমান পাওয়া যাচ্ছে এবং আয়ের সংখ্যা ব্যয়ের থেকে ২০ গুণ বেশি। সরকারের উচিত মেধা যোগ্যতা, শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওযা যাহা দেশকে বিশ্বের মানচিত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। তাহলে ফলাফল উভয় দিকেই সমান সমান। একটি সরকারী ও বেসরকারী আবেদনকারীর চাকুরী দিয়ে থাকেন বিভিন্ন দিক থেকে কেউ চাকুরী দিয়ে নিয়ে থাকেন (১) আবেদনকারীর সময়(২) আবেদনকারীর শিক্ষা (৩) আবেদনকারীর মেধা(৪) আবেদনকারীর উপসি'তি (৫) আবেদনকারীর যোগ্যতা ও দক্ষতা। যদি সরকার একটি আবেদকারীর কাছ থেকে এই ৫টি সেবা নিয়ে ঐ আবেদনকারীকে চাকুরীর প্রদান করেন তাহলে ঐ আবেদনকারী কর্ম ব্যস্ততা মধ্যে থাকবেন। এবং উর্পাজন করতে সক্ষম হবেন যাহা নিজ ও স্বপরিবার নিয়ে চলা বা পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তাহলে ফলাফল পাওয়া গেল অর্থ ও ঠিক রইল এবং তার সাথে নীতিও ঠিক রইল এই করণীয়তেই সরকার এবং দেশের বহাল থাকলে অর্থনীতির দিক।

ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃশটি
Copy Right (C) - All Right Reserved 2012 Real Universe - Fatteh Concept
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×