
অদ্বিতীয়া,
জানতে চেয়েছিলাম ," কবিতার সতীন হয়ে তোমার পোষাবে তো!"
তুমি কিছুই বললে না, শুধু হাসলে।
ওই গভীর চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে কিছু বলতে না পেরে
আমিও শুধুই হেসেছিলাম - অনিশ্চিত হাসি।
.
তখনও নিশ্চিত ছিলাম না আমার কাকে চাই?
কবিতা নাকি তুমি?
এখনও আমি অনিশ্চিয়তার পেন্ডুলামের মত দুলছি,
কানে বেজে যাচ্ছে কাকে চাই, কাকে চাই.....
তোমার চোখদুটো আমার সকল পাপ শুষে নেয়,
তোমার চোখে যতবার তাকাই ঠিক ততবার আমি
নিষ্পাপ হয়ে জন্ম নিই পাপহীনতায়,
কবিতারা খানিকটা হিংসুটে,
তাই হয়তো যাকে আঁকড়ে ধরে তার
মন মগজ জুড়ে শুধুই বেওয়ারিশ কিছু শব্দ ঘুরপাক খায়,
ইচ্ছামত তুলে নিয়ে উদ্বাস্তু শব্দদের তাই মুক্তি দিতেই হয়।
নিয়ত যুদ্ধ করে করে ভুলে যাই তোমার পাঠানো শেষ চিঠিটার কথা,
আজো উত্তর দেয়া হয়নি তার -
আজও একটি অক্ষর উৎসর্গও করিনি তোমার নামে!
না, ভুল বললাম প্রিয়তমা আমার।
এইযে আমি কবিতা খুঁজে ফিরি
রাস্তার মোড়ে, পাবলিক বাসে, ক্লাসে,
মাঠে, উলঙ্গ ফুটপাতে, হাটে - কিংবা মেঘের ফাকে ফাকে-
তাতে ভীষণ ক্লান্ত-শ্রান্ত- ব্যর্থ হয়ে যখন ফিরি তোমার কাছে,
তখনই ক্লান্তিগুলো উড়ে যায়, কবিতারা হিংসা ভুলে কুর্নিশ করে ফেলে তোমায়।
একে তুমি কী বলবে? এগুলো তো তোমার প্রতি নিবেদিত , তোমার প্রতি উচ্চারিত,
অথচ বুঝলেনা তুমি, প্রেমিকারা কি চিরকাল কি এমন অবুঝ থাকে?
জানো অদ্বিতীয়া,
তুমি প্রেরণা হলেই কবিতারা রঙ ছড়ায় আমার কলমে,কাগজে
তুমি ছেড়ে গেলে দূর্ভিক্ষ লাগে এই মননে - মগজে।
তবুও এত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ শেষে,
আমার কবিতারা তোমার সাথে একঘরে সংসার করবেনা বলে জানিয়েছে,
এখন আমি কোন পথে যাই?
বলতে পারো?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



