হরতাল হলো একটা সহজ রাজনৈতিক কর্মসূচী। কারণ এতে নেতা নেত্রীকে মাঠে নামতে হয় না। শুধু ডেকে এসিরুমে বসে টিভিতে হরতাল উপভোগ করা যায়। একটা কুত্তাও যদি ভেউ ভেউ করে হরতাল ডাকে তবুও দেখবেন হরতাল পালন হয়েছে গেছে। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো হরতালের প্রতি দেশের সাধারণ মানুষের কোন সময়ই সমর্থন ছিল না এখনও নাই। সাধারণ মানুষ বোঝে এটা রাজনৈতিক স্বাথেই ডাকা হয়। জনগণের কোন স্বার্থ সেখানে থাকে না। থাকে ভোগান্তি, কষ্ট আর লাঞ্চনা।
বিএনপি'র ভাইয়েরা আপনারা এতো অস্থির হয়েছেন কেন? আপনাদের দু:শাসন আমরা অর্থাৎ দেশের মানুষ কিন্তু এখনও ভুলে নি। আর হরতাল করে সরকারের পতন ঘটাবেন সে সময়ও এখন নাই, এধরণের রাজনীতিও আমাদের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। দীর্ঘসময় ধরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দু:শাসনের ফলে সমাজের যে দুরাবস্থা। তাতে আল্লাহ সরকার চালানোর জন্য এদেশে ফেরেশতাও বসিয়ে দেন তবু দেখবেন ফিরস্তারাও ফেল করেছেন। আপনারা এতো অস্থির হবেন না সরকারকে সময় দিন। নিয়মতান্ত্রিক সুস্থ আন্দোলন করুন, সরকারের দুর্বলতা জনগণের সামনে তুলে ধরুন। কান ধরে উঠবস করুন, তওবা করুন। ক্ষমতায় থাকতে যে অপকর্ম করেছেন তার জন্য জনতার কাছে ক্ষমা চান। দেশের মানুষের কাছে যান। তাদের সুখ দু:খের সঙ্গি হন। জনগনের মন থেকে ভুলিয়ে দিন আপনার দু:শাসনের কথা। তাহলে যদি জনগণের সহানুভুতি পান। কিন্তু ক্ষমতায় থাকতে জনগণকে যেভাবে জ্বালিয়েছেন, বিরোধী দলে এসেও যেভাবে জ্বালাচ্ছেন এভাবে চলতে থাকলে, দেশের জনগণ এ দেশ থেকে আপনাদের বিতাড়িত করতে বাধ্য হবে।
সরকারের পতন নিয়ে আপনাদের চিন্তা করতে হবে না। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে, দেশ যদি ডিজিটালাইড না হয়, শেখ হাসিনার "দিন বদল" শ্লোগান যদি বাস্তবায়ন না হয়, আর যদি আওয়ামালীগ নিজেরাই নিজেদের পতন না ঘটায়, আপনাদের মতো স্বার্থন্বেষী রাজনীতিকরা আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটাবেন এ কথা অন্তত দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না।
সুতরাং সাধু সাবধান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


