somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পিচ্চিকালের কিছু ভীতিকর অভিজ্ঞতা-১

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যখন ছুডু আছিলাম (কেলাস টু-থ্রীতে পড়ার সময়) তখন আমার প্রায়ই বেশ অ্যলার্জি হইতো। খুব সম্ভবত বাছ-বিচারহীনভাবে বেশি খাইতাম বইলা ;)। আ্যালোপ্যাথিক ওষুধে তেমন কাজ হইতো না। শেষে আব্বার এক কলিগ বুদ্ধি দিলো যে নওমহল মসজিদের সামনে নির্মলবাবু নামে একজন হোমিওপ্যাথ ডাক্তার আছেন তার কাছে যাইতে। যতদুর মনে পড়ে, ওষুধে বেশ কাজ হইছিলো। তয় প্রবলেম হইলো কিছু দিন পরে পরে ওষুধ আনতে যাওয়া লাগতো। নির্মলবাবু আবার অল্প অল্প কইরা ওষুধ দিতেন (সম্ভবত ১০-১২ দিনেরটা একবারে)। মিষ্টি মিষ্টি সাদা পিচ্চি বড়ির মধ্যে দুই-তিন ফোঁটা কেমিক্যাল দেওয়া জিনিসগুলা খাইতে আমার বেশ ভালোই লাগতো :P

শুরু থাইকাই আম্মা আর আমি ডাক্তারের কাছে যাইতাম। সবসময়ই রিক্সা ছিলো একমাত্র বাহন। তো এমনই একদিন নির্মলবাবুর কাছে আমরা গেছি। ফেরার পথে বাসার খুব কাছাকাছি আইসা যখন আমাদের রিক্সাওয়ালা ডানদিকে সিগনাল দিলো যে ডানের চিপা গলিতে ঢুকবো (যেদিকে আমাদের বাসা), তখনই পেছন থাইকা এক মটরসাইকেল খুব দ্রুত আমাদের সমান্তরালে চইলা আসে আর ঐটার পেছনের আরোহী চলন্ত অবস্হাতেই আম্মার ব্যাগ ধইরা হ্যাঁচকা টান দেয় এবং স্পীড বাড়ায়া চইলা যায়।

আম্মা খুবই ভয় পাইছিলো। আম্মার ভয় দেইখা আমিও ভয়ে কাহিল হইছিলাম /:)

পরে বাসায় আইসা আম্মা কইলো নির্মলবাবুর বাসা থাইকাই ঐ মটরসাইকেলটা আমাদেরকে ফলো করতাছিলো আর একটু পর পর আমাদের রিক্সার সামনে-পিছনে আসতাছিলো (সম্ভবত টার্গেট প্র্যাকটিস ;))। পরে যখন দেখলো যে আমাদের রিক্সা ছোট গলিতে ঢুইকা পড়তে যাইতাছে, তখনই তারা এটেম্পট নেয়।

ভাগ্য ভালো ব্যাগটা নিয়া গেলেও তাতে তেমন দামী কিছু ছিলো না। একেবারে অল্পের উপর দিয়া গেছে।


ছবিঃ ভাসমান রিক্সা (বিহার, ভারত)
সূত্রঃ ইন্টারনেট
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রিলেশনশিপ

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৩

রিলেশনশিপ
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

কোনো রমণীর সাথে রিলেশনশিপে
জড়াইনি বলে প্রতিদিন-ই শুনতে হয়
উপহাস, ঠাট্টা, বিদ্রূপ, পরিহাস, তাচ্ছিল্য
ও ব্যঙ্গ কতো কথা, খুব খারাপ লাগে
সারাদিন তা কানে খালি বাজে
পালাতে ইচ্ছে করে বিমর্ষ, লাজে!

বয়স হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

'তুমি আমাকে এটা কোন ধরনের হোটেলে নিয়ে এলে?'

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

এ লেখাটি ম্যাচিউর পাঠকদের জন্য। সে কারণে reader discretion is advised, অর্থাৎ, অস্বস্তি লাগলে পড়বেন না।

ব্যবসায়িক কাজে চায়না গেলেন হাজি মামুন (ছদ্মনাম)।

পঞ্চাশোর্ধ বয়সের সংসারী মানুষ তিনি। ঘরে পরহেজগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



আজ শুক্রবার। শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ একটি দিন।
আজ বাংলা আষাঢ় মাসের ৫ তারিখ। যদিও বর্ষাকাল। আজ আকাশে মেঘ নেই। বরং রোদ উঠেছে। রোদের তাপ ভালোই। শাহেদ পথে বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×