somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খেলা চলতেই থাকবে!! আমরা হাতকড়ি পরে অত্যাচারিত হব।

২১ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা হলাম নাচের পুতুল,আমাদের যে যেভাবে নাচাচ্ছে আমরাও ঠিক সেভাবেই নাচতেছি। অবশ্য এটা আমাদের দোষ না। যে নাচাচ্ছে তারই দোষ। তবুও আমরা তাকে অগ্রাহ্য করতে পারছিনা। একে অন্যার দোহাই দিয়ে এমন এক অবস্থায় আসছি যেখানে হাতকড়ি পরে বসে আছি।

আমাদের ভালো কেউ কখনো চায়নি। একাত্তোরে পাকিদের সাথে যুদ্ধের কোন কারণ ছিলনা। তাও যুদ্ধ করতে হয়েছে। আমরা যুদ্ধ করতে চাইনি আমাদের যুদ্ধে ঠেলে দেয়া হয়েছে।

পাক ভারত লাঠালাঠি কয়েক বছর ধরে না শুধু। একাত্তোরের আগ থেকেই তাদের লাঠালাঠি ছিলো। আর চিপায় পড়লাম আমরা। আমাদের তিনপাশ ভারতে ঘেরা। এটা ভারতের জন্য খুব সেফ,ব্যবসা বলেন বা শক্তপোক্ত অবস্থান বলেন। পাকিদের তুলিয়ে দিতেই ভারতের কষা অংকে আমরা আটকে গেছি। এই সুযোগে সৈন্য অস্ত্র ও আর্থিক সাহায্য করে মহান ভূমিকা রেখেছে ভারত। উদ্দেশ্য শুধু একটা অবস্থানের জন্য।

বাংলাদেশ স্বাধীন হল,পাকিরা তাদের সকল অস্ত্রসস্ত্র রেখে বিদায় নিলো। তখনো ভারতে প্রায় হাজার হাজার সৈন্য ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে রয়ে গেলো বাংলাদেশে। এর জন্য শেখ মুজিবের সাথে কথা কাটাকাটি হয়ে সকল, পাকিদের অস্ত্র,প্রতিটা ক্যান্টনমেন্ট এর দরজা জানালা সহ সব নিয়ে চলে যায় ভারত। এতে ইন্দিরা গান্ধীর কি লাভ টা হল? লাভ এটাই হয়েছে যে পাকিদের পূর্ব বাংলা থেকে বিদায় করে নিজেরা সেফ হয়েছে। এখন কিছুটা হলেও শান্তি আসবে।

সব ঠিকঠাক চলতেছে। এরপর আবার শুরু হল জঙ্গি জঙ্গি নাটক। আজ এর বাড়ি পুলিশে ঘেরাও কাল ওর বাড়ি পুলিশে ঘেরাও,এখানে হামলা ওখানে হামলা ইত্যাদি করা হচ্ছে। এরপর বলা হল সামরিক চুক্তির খুব বেশি প্রয়োজন। অবশেষে ইন্দিরা গান্ধী যা পারলোনা বঙ্গবন্ধুর কারণে তা এবার হবে তার প্রিয় কন্যার হাত ধরে। এখানে অভিযান ওখানে অভিযান চালিয়ে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে পারবে।

আমরা আবারো পিষে যাচ্ছি। আজ আপনার বাড়ি তো কাল আমার বাড়ি। পাক ভারত খেলা চলবেই,এর ফাঁকে আমরা পিষে চ্যাপটা হয়ে যাবো। বাংলাদেশে ভারত ডুকে পড়বে,ঐদিকে চিন আর পাকিস্তান ভারতে হামলা চালাবে। খেলা চলতেই থাকবে!! আমরা হাতকড়ি পরে অত্যাচারিত হব।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:২১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দিল্লির রাজপথে তরুণদের ‘জেনজি ২.০’ অভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের জুলাই-পরবর্তী রূপান্তরের নির্মম বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮

ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে যা ঘটে গেল, তা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সত্যিই অভূতপূর্ব। ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ‘তেলাপোকা’ বা ককরোচ জনতা পার্টির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিমানবন্দরে নির্ঘুম রাত (সাময়িক পোষ্ট)

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

আমার এখানে বাজছে রাত প্রায় দুটা! এখনো জেগে আছি। জেগে থাকার শানে নুযুল হলো, আমি অনেকটা ফাইসা গেছি! হায়দার সাহেবের গানের মতো, "আমি ফাইসা গেছি, আমি ফাইসা গেছি মাইনকা চিপায়!"... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতামত পোস্ট: ১ আগস্ট ২৪ এ লেখা: আমার কথা ৯৫ ভাগ মিলে গেছে

লিখেছেন অর্ক, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭



এবারের ছাত্র আন্দোলনের মূল যে দাবি বা উদ্দেশ্য, তা আসলে অত্যন্ত সাধারণ। সে সব সকল মাধ্যমে বহু চর্চিত, প্রচারিত ও আলোচিত। তাই পুনরাবৃত্তি থেকে বিরত থাকছি। আন্দোলনের নেতৃত্ব যারা দিচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৯



ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

বির উনি একজন গোয়ালা (গোয়ালিনী)। তাহার নিজের কোনো গরু(গাভী) নাই। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি একটি বেঈমান আর গাদ্দারদের দল।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫০

‘বিএনপি ৭৫এর যোদ্ধাদের রক্ষা করেনি, ২৪ এর যোদ্ধাদেরও রক্ষা করবে না।’ ...বাকিটুকু পড়ুন

×