আজকে যে শহরময় ছোটাছুটি-
মোটরযান, রিকশার হুড়োহুড়ি-
সব কিছু ছাপিয়ে, একটি কথাই সত্য।
কলের নগরীর আকাশে বাতাসে
আজ শুধুই ব্যস্ততা।
আজ কেউ শরতের আকাশে মেঘমালা দেখে না।
রাতের আকাশে আজ চাঁদের হাহাকার, তারাদের বিলাপ।
ধুসর নগরীতে বাঁধা পড়েছে প্রাণ,
চৈত্রের দুপুরে ঘেমে নেয়ে একাকার হয়ে
হন্তদন্ত হয়ে হেঁটে যাওয়া।
আর
যানজটের মিছিলে আটকা পড়ে-
মহাকালের খাতায় মহাকাব্য লিখে যাওয়া।
আর
শূণ্য ঘরে, গৃহিনীর অপেক্ষা।
একটা সময়, সবাই ঘরে ফেরে।
অফিসের বড় কর্তা,
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র,
রিকসাওয়ালা, কুলি, মুটে, মজুর।
সবাই।
নির্জন রাতে এ শহরের প্রতিটি ঘরে-
সৃষ্টি হয় একেকটি কবিতার পটভূমি,
একেকটি গল্প; একেকটি উপন্যাস।
কিন্তু ভোর হওয়ার আগেই;
মহাগ্রন্থের পাতা থেকে সব মুছে যায়।
ফাগুন হাওয়া বয়।
কালান্তরেও তার রঙ বদলায় না।
বৈশাখ, আঁষাঢ়, ফাল্গুন;
এ শহরের গল্পকে, কেউ বদলাতে পারে না।
এ যেন শৃঙখল চক্রে আটকে যাওয়া
কোন এক দাসত্ব গাঁথা।
আজ
একবিংশ নগরীতে ঢাকা পড়েছে-
একবিংশ নাগরিকের সকল অস্তিত্ত্ব।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০২২ রাত ১০:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

